20/12/2025
শহীদ হাদী হত্যা কিছু সিক্রেট তথ্য
১. শরীফ ওসমান হাদীকে হত্যার মূল পরিকল্পনায় সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার ও তার অনুগত ভারতপন্থী সেনা কর্মকর্তারা জড়িত।
২. আমাকে একটি সূত্র বলেছিল, 'এন' আদ্যাক্ষরের একজন কর্ণেল হাদী এক্সিকিউশনের দায়িত্বে ছিল। এদেরকে মোট ৫৮জন জুলাই যোদ্ধাকে হত্যার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
৩. সূত্রের তথ্য ভ্যারিফাই করতে আমাদের একজন গুরুত্বপূর্ণ শুভাকাঙ্ক্ষীর সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি জানান, সেনাবাহিনীর ভারতপন্থী অংশ জুলাই যোদ্ধাদের হত্যা করবেই, তারা থামবে না। গত পরশু এ কথা জেনেছি।
৪. হ্যা, হাদীকে গুলি করার পর সে যখন মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছে তখনও শুনতে হয়েছে যে অন্য জুলাই যোদ্ধাদের হত্যা থামবে না।
৫. এবার কিছু মুখোশ খুলে দিচ্ছি। হাদীকে গুলি করার পরপর জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা খলিলুর রহমান আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রধান প্রসিকিউর অ্যাডভোকেট তাজুল ইসলামকে পদত্যাগ করতে বলেছেন। তাকে বলেছেন পদত্যাগ করলে তাকে এনসিপির দায়িত্ব দিয়ে এমপি বানিয়ে সংসদে পাঠানো হবে।
৬. হাদীকে গুলি করার পর আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রধান প্রসিকিউর অ্যাডভোকেট তাজুল ইসলামকে বলেছেন গুমখুনে জড়িত সেনাকর্মকর্তাদের মামলা স্লো করে দিতে৷ হাদীকে গুলি করার পরদিন ছিল সেনাকর্মকর্তাদের চার্জ গঠনের দিন। আসিফ নজরুলের হস্তক্ষেপে এ দিন চার্জ গঠন হয়নি।
৭. অনেকের জানা নাই, ২০০৭ সালে আমি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে সেনাবাহিনী বিরোধী বিক্ষোভে নেতৃত্ব দিয়েছি৷ আমি সেনাবাহিনীর মামলার আসামি ছিলাম৷ আমার জীবন এক আন্দোলনে তছনছ হয়ে গেছে৷ সেই সময় থেকে আসিফ নজরুলসহ বাংলাদেশের প্রায় সব অ্যাক্টরকে চিনি। এরা ভয়ঙ্কর রক্ত পিপাসু ও গাদ্দার। ফলে আমি প্রথমে নাহিদ ইসলামকে উপদেষ্টা পদ ছাড়তে বারণ করেছি। তারপর মাহফুজ আলমকেও বলেছি পদত্যাগ করো না।
৮. চীন ও জাপানের মতো উন্নত দেশে থাকার কারণে বাংলাদেশের ম্যাকানিজম আমার কাছে ডালভাত। দূরে থাকলেও বুঝি বাংলাদেশে কী খেলা চলে। এ কারণে আমি বারবার বলেছি মাহফুজরা যেন সরকারে থাকে। কিন্তু এখন সরকারে আছে খুনীরা। বিশেষ করে আসিফ নজরুল ও খলিলুর রহমান। এরা ভয়ঙ্কর নরপিশাচ।
৯. সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার জুলাই বিপ্লবের শেষে ভূমিকা রাখায় আমরা চেয়েছি তিনি যেন বিপ্লবের পক্ষে দেশ পুনর্গঠনে ভূমিকা রাখেন। এজন্য তার পদত্যাগের দাবির সময় তার পাশে দাঁড়িয়েছিলাম।
১০. কিন্তু তিনি জুলাই বিপ্লবের সঙ্গে সরাসরি গাদ্দারি করেছেন। তার স্ত্রী প্রতিদিন শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানার সঙ্গে কথা বলে। সেনাপ্রধান নিজে নিয়মিত ভারতীয় সেনাপ্রধানের সঙ্গে কথা বলেন।
১১. জেনারল ওয়াকার আওয়ামী লীগ ও জাতীয় পার্টিকে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করাতে চান। এজন্য তিনি হেনতেন কোনো ষড়যন্ত্র নাই করছেন না।
১২. জুলাইযোদ্ধাদের মব সন্ত্রাস বলা, ফজলু, বাম-সুশীল-বিএনপি অ্যাক্টিভিস্টদের দিয়ে বিদ্বেষ ছড়ানোর ঘটনায় সেনাপ্রধান ও তার অনুগতরা সরাসরি জড়িত।
১৩. ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজাকারের নামে নবীজীর (সা.) সুন্নত দাড়ি টুপি অবমাননা সেনাপ্রধান ও তার গোয়েন্দাদের কাজ।
খোমেনি এহসান