08/06/2021
আচ্ছালামু আলাইকুম ওরাহমাতুল্লাহি ওবারাকাতুহু।
সন্তান কে আল-কোরআন এবং বিজ্ঞান এর শিক্ষায় শিক্ষিত করুন।
মনে রাখুন,
সু-শিক্ষিত আদর্শ সন্তান পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ সম্পদ।
একটা মানবিক আবেদন..
এখন ফলের মৌসুম
আপনারা যারা আম, লিচু, কাঠাল, জাম খাবেন,
খাবার পর তার বীজ/আঠি/বিচি/দানা/seeds গুলোকে ফেলে দেবেন না। সেগুলো ভালো করে পানিতে ধুয়ে শুকিয়ে একটি কাগজে মুড়ে রেখে দিন।
যদি কখনও কোথাও গাড়িতে করে দূরে ঘুরতে যান তবে সেই বীজগুলো অবশ্যই রাস্তার ধারের অনুর্বর ফাঁকা জমিতে একে একে ছিটিয়ে দিন। আসছে বর্ষার মৌসুমে সেই বীজ থেকে নতুন চারাগাছ জন্ম নিবে। যদি এদের মধ্যে একটা গাছ ও বেচেঁ থাকে তবে সেটাই হবে এই পৃথিবীকে আপনার দেওয়া সবচেয়ে বড় উপহার।
ফলের গাছ শুধু পরিবেশকে অক্সিজেন দিয়ে সতেজ রাখে না, ফল খাবার লোভে অনেক পাখি আসে গাছে গাছে।
যার ফলে পরিবেশের হারিয়ে যাওয়া ভারসাম্য রক্ষা হয়।
আপনার ছিটিয়ে দেওয়া দানা থেকে বেড়ে উঠা গাছের ফল সদকার ন্যায় বিচারণ করবে মানব ও প্রাণীদের অন্তরে।
কৃষি সভ্যতার ভিত্তি ।
পৃথিবীর সকল নবীগন কৃষি সম্পৃক্ত ছিলেন ।
বুদ্ধিমান কৃষি সম্পৃক্ত ব্যাক্তিগন ভবিষ্যতের ধনী ।
ইনশা আল্লাহ ।
আমাদের মাটি আমাদের দেশ।
গড়বো মোরা সোনার বাংলাদেশ।
ইনশা আল্লাহ।
সময় থাকতে চিন্তা ভাবনা করেন।
পৃথিবী,আমার, আপনার, আমাদের, সকলের।
তাই, চিন্তা ভাবনা সকলের করা উচিৎ।
আগামীর ভবিষ্যতদের জন্য।
আমরা আমাদের দায়িত্ব এড়িয়ে যেতে পারি না।
করোনা ভাইরাসে সারা দেশ / বিশ্ব প্রায় অচল হয়ে পড়েছে, সবাই এখন লক ডাউনে গৃহবন্ধি বেকারত্ব জীবন কাটছে। তাই আসুন, করোনা ভাইরাস এর প্রভাবে বিশ্ব যেখানে প্রায় অচল, ভবিষ্যৎ বিবেচনায় আমাদের দেশের খাদ্য চাহিদা মেটাতে আমরা যে যার অবস্থান থেকে সামাজিক ও শারীরিক দুরত্ব বজায় রেখে যার যার বাড়ির আঙ্গিনায় এবং বাড়ির আশে পার্শ্বে এই অবসর সময় বিভিন্ন ধরনের সবজি চাষ করি এবং বিভিন্ন ধরনের ফলের গাছ রোপন করতে পারি। এতে নিজে উপকৃত হবো সাথে দেশ ও দশের উপকার হবে। শুধু করোনা অবসর সময় কেন, সব সময় যদি এই ধারা অব্যাহত থাকে তাহলে আমাদের পরিবারের ও সমাজের অনেক আর্থিক সমস্যা দূর হবে। আমরা অর্থনৈতিক ভাবে ও লাভবান হবো।
বুদ্ধিমানেরা সময় কে সঠিকভাবে কাজে লাগিয়ে কৃষি ও উৎপাদনে নিজেকে সমৃদ্ধ করে।
মনে রাখুন উৎপাদনে ই আনে দেশ ও জাতির সমৃদ্ধি।
কৃষি উৎপাদন সংস্লিস্ট ব্যক্তি,
আগামীর ধনী নয় কি?