Driven by Abir

Directions Contact the business

Driven by Abir Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Driven by Abir, Cars, Dhaka.

18/09/2026

রিলিজ হয়ে গেলো হাইব্রিড ল্যান্ড ক্রুজার!

অবশেষে হাইব্রিড ভার্সন বের হলো টয়োটার ফ্ল্যাগশিপ এসইউভি ল্যান্ড ক্রুজার ৩০০ সিরিজের। গত ১৬ই সেপ্টেম্বর জাপানে তারা রিলিজ করেছে গাড়িটি, এবং অর্ডার নেওয়া শুরু হবে অক্টোবরের ১ তারিখ থেকে।

হাইব্রিড ল্যান্ড ক্রুজার ৩০০-এ আগের সবকিছুই থাকছে, কিন্তু অনেকগুলো সুবিধা যোগ হচ্ছে। প্রথমত, পাওয়ারট্রেইন হিসেবে নন-হাইব্রিডের একই ৩৫০০ সিসি টুইন-টার্বো ভি-৬ ইঞ্জিনটিই থাকছে, কিন্তু তার সাথে থাকছে একটি ইলেকট্রিক মোটর, যেটা লো-স্পিডে গাড়িটির ইঞ্জিন বন্ধ করে তেল বাঁচাবে, আবার স্পোর্টস-মোডে দিলে ইঞ্জিনের সাথে একসাথে পাওয়ার বুস্ট করবে। এই কারণে যেখানে একই ইঞ্জিনে নন-হাইব্রিড ভার্সনে ৪১০ হর্সপাওয়ার ও ৬৫০ নিউটন-মিটার টর্ক, সেখানে হাইব্রিডে ৪৬০ হর্সপাওয়ার ও ৮০০ নিউটন-মিটার টর্ক। ফুয়েল ইকোনমি যেখানে দিতো নন-হাইব্রিডে ৪-৫ কিমি/লিটার, এখন আশা করা যাবে ৬-৭ কিমি/লিটার। হ্যাঁ, আহামরি কম তেল খাবে এমন না, কিন্তু পরের প্যারায় বলবো কেন আমাদের বাংলাদেশে এই গাড়ির হাইব্রিড ভার্সন অনেকের জন্য সুখবর বয়ে আনছে। যাইহোক, সামনের বাম্পারের নীচের দিকের ডিজাইনে হালকা পরিবর্তন এসেছে, এবং পিছনে একটি 'HEV' লেখা লোগো দেওয়া হয়েছে। ফুয়েল-ট্যাংকের সাইজ ১১০ লিটার থেকে কমিয়ে ৯৮ লিটার করা হয়েছে, ব্যাটারি বসানোর জায়গা করতে।

এবার আসি আসল মজায়! বাংলাদেশে ইম্পোর্ট ডিউটির যেই ট্যারিফ, সেটা অনুযায়ী এতদিন আমাদের কাছে থেকে একটি ল্যান্ড ক্রুজার নন-হাইব্রিড ব্র‍্যান্ড-নিউ অর্ডার করলে আমরা প্রাইস বলেছি ৫.১০-৫.২০ কোটির আশেপাশে, এবং ৫ বছরের রিকন্ডিশন্ড ইউনিটের দাম দিয়েছি ৩.৮০ কোটির আশেপাশে। যেহেতু বাংলাদেশে হাইব্রিড গাড়ির ইম্পোর্ট ডিউটি কম, তাই এখন এই নতুন ল্যান্ড ক্রুজার হাইব্রিডের ব্র‍্যান্ড-নিউ দাম আসবে ৩.৮০ লাখ টাকা, এবং ৫ বছর পর রিকন্ডিশন্ড ইউনিট হয়তো নেমে আসবে ৩ কোটিরও নীচে!

কেমন লেগেছে ভিডিওটি, জানাবেন কমেন্টে!

゚viralシfypシ゚

চলে এলো নতুন পাজেরো!৫ বছরের বিরতি নিয়ে আবারও মার্কেটে ফিরলো মিতসুবিশির ফ্ল্যাগশিপ এসইউভি পাজেরো। সেপ্টেম্বরের ২ তারিখে ত...
15/09/2026

চলে এলো নতুন পাজেরো!

৫ বছরের বিরতি নিয়ে আবারও মার্কেটে ফিরলো মিতসুবিশির ফ্ল্যাগশিপ এসইউভি পাজেরো। সেপ্টেম্বরের ২ তারিখে তারা রিভিল করেছে গাড়িটির ৫ম জেনারেশন, যা বাংলাদেশসহ আরও ১০০টি দেশে পাওয়া যাবে বলে অনুমান করা হচ্ছে। ৪র্থ জেনারেশনের পাজেরো ১৫ বছর একই ডিজাইনে মার্কেটে চলার পর যখন ডিমান্ড শেষের দিকে ড্রপ করে, তখন ২০২১ সালে মিতসুবিশি ডিসিশন নেয় পাজেরোর প্রোডাকশন বন্ধ করে শুধু গাড়িটির স্পিন-অফ মডেল অর্থাৎ 'পাজেরো স্পোর্ট' বানানো কন্টিনিউ করবে। কিন্তু রিসেন্টলি অফ-রোড এসইউভির মার্কেট আবার চাঙ্গা হওয়ায় তারা ডিসিশন চেঞ্জ করে এই নতুন পাজেরো এনেছে মার্কেটে। গাড়িটি মার্কেটে ফাইট করবে টয়োটা ল্যান্ড ক্রুজার ২৫০ অর্থাৎ নতুন প্রাডোর সাথে।

গাড়িটি একটি প্রোপার অফ-রোডার হিসেবে বডি-অন-ফ্রেম চ্যাসিসে বানানো, যেই চ্যাসিস তারা মিতসুবিশি এল২০০ পিকাপের লেটেস্ট মডেলে ইউজ করে। কিন্তু ডিজাইন দেখে সেটা বলার উপায় নেই, কারণ ডিজাইন বেশ লাক্সারিয়াস। সামনে মিতসুবিশির সিগ্নেচার 'ডাইনামিক শিল্ড' ডিজাইন, যেটায় সম্পূর্ণ সামনে জুড়ে ডে-টাইম রানিং লাইট বসানো। পিছনের দিকটা খাঁড়া নেমে যায়, ও পিছনের জানলার ডিজাইন অনেকটা ল্যান্ড রোভার ডিফেন্ডারের মতো। বেশ সুন্দর কিছু কালারে গাড়িটা পাওয়া যাবে, যার মধ্যে আমার পার্সোনাল ফেভারিট হলো ব্রোঞ্জ টু-টোন কালারটি। কিন্তু আগের সব পাজেরোর একটি সিগ্নেচার ফিচার এবারের পাজেরোতে নেই, সেটা হলো টেইলগেটে লাগানো স্পেয়ার চাকা।

ইন্টেরিয়র হচ্ছে এই গাড়ির সবচেয়ে স্ট্রং-পয়েন্ট মার্কেটে ফাইট দেওয়ার ক্ষেত্রে। নতুন প্রাডোর তুলনায় নতুন পাজেরোর ইন্টেরিয়র অনেক লাক্সারিয়াস। টপ-স্পেক পাজেরোতে ট্যান-লেদার ইন্টেরিয়র থাকছে, সাথে বড় একটি ডিসপ্লে যেখানে সব মডার্ন ফিচারস লোডেড। এর সাথে অফ-রোড স্ক্রিনে গাড়ি সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে কত উঁচুতে আছে, কতো অ্যাঙ্গেলে বেঁকে আছে সেগুলো দেখাবে। তার সাথে আছে অফ-রোড অ্যাসিস্টের বাটন, যেটা দিয়ে গাড়ির ফোর-হুইল-ড্রাইভ সিস্টেম কন্ট্রোল করা যাবে। প্রাডোতে শুধু সামনের সারিতে সানরুফ থাকে, কিন্তু পাজেরোতে ফুল-প্যানোরামিক সানরুফ দিয়েছে। ৩-জোন ক্লাইমেট কন্ট্রোল আছে, যার কন্ট্রোল টাচ-প্যানেলে। ইয়ামাহার প্রিমিয়াম সাউন্ড সিস্টেম থাকছে গাড়িতে।

গাড়িতে মিতসুবিশির ২৪০০ সিসি ইনলাইন-৪ টার্বো-ডিজেল ইঞ্জিন ইউজ হয়েছে, যার শক্তি ২০০ হর্সপাওয়ার ও ৪৮০ নিউটন-মিটার টর্ক। সর্বোচ্চ টর্ক চলে আসে মাত্র ১৮০০ আরপিএমেই, যার কারণে গাড়িটি ভারী হলেও টান সহজেই উঠে যায়, ও অফ-রোডে অসাধারণ পারফর্ম করতে পারে। সামনের চাকায় ডাবল-উইশবোন সাস্পেনশন, ও পিছনে সলিড-অ্যাক্সেলের সাথে মাল্টি-লিংক কয়েলওভার করা যেন অন-রোড ও অফ-রোড ২ জায়গাতেই গাড়ি ক্যাপেবল হয়।

নতুন মডেলের এই মিতসুবিশি পাজেরো জাপানের মার্কেটে বিক্রি হলেও বানানো হবে থাইল্যান্ডের ফ্যাক্টরিতে, যে কারণে আমাদের শোরুম Car Zeo-তে অর্ডার করে চাইলে কিনতে পারবেন না। কিন্তু বাংলাদেশে মিতসুবিশির অফিশিয়াল ডিলারশিপ অর্থাৎ র‍্যাংস থেকে চাইলে কিনতে পারবেন যখন গাড়িটি এখানে রিলিজ করা হবে। আনুমানিক দাম হতে পারে ৩.৫ থেকে ৪ কোটি টাকার মতো।

কেমন লাগলো গাড়িটি? জানাবেন কমেন্টে!

14/08/2026

After a long break of 2 years, we are back again with another full review, this time featuring the 11th-generation of Honda Civic

Contact Car Zeo if you're interested in this unit. Please show us some love if we deserve it, and give us a follow for more!

14/07/2026

D.A. GOT THAT DOPE! 🗣️🔥

Our soon-to-be released Full Review will feature this fantastic unit of Honda Civic FL1. Stay tuned!

The car is available in our showroom btw, with an asking price of BDT 54 Lacs! Dm or Call Now at +8801915827157 to Grab This Turbocharged Daily Fun Ride at the Best Price Possible!

28/06/2026

টয়োটা করোলা সিরিজের জেনুইন প্লেয়ারে কিভাবে অ্যাপল কারপ্লে ব্যাবহার করবেন? ও কি কি কাজে এটা আপনাকে সাহায্য করবে? চলুন আজকে দেখে আসি!

এরকম আরও ভিডিও দেখতে চাইলে আমাদের পেজে ফলো দিতে পারেন। গঠনমূলক সমালোচনা কমেন্টে স্বাগত জানাই!

18/06/2026

At 85 Lacs Taka, what does the new-gen Toyota Crown Crossover get you? Let's find out!

২৬-২৭ অর্থবছরের নতুন বাজেটে ঘোষিত ইম্পোর্ট ডিউটি নিয়ে একটি ভিডিওতে আজকে আমার কিছু ব্যাক্তিগত মতপ্রকাশ করবো ইনশাআল্লাহ। ভ...
13/06/2026

২৬-২৭ অর্থবছরের নতুন বাজেটে ঘোষিত ইম্পোর্ট ডিউটি নিয়ে একটি ভিডিওতে আজকে আমার কিছু ব্যাক্তিগত মতপ্রকাশ করবো ইনশাআল্লাহ। ভিডিওটি কয়টার সময়ে আপ্লোড করলে আপনাদের সুবিধা হয়, জানাতে পারেন কমেন্টে। অথবা ভিডিওর বদলে সরাসরি লাইভে আসবো কিনা সেটাও জানাতে পারেন, যেন আপনাদের প্রশ্ন থাকলে উত্তর দিতে পারি।

ধন্যবাদ!

06/06/2026

আজকের আজাইরা আলাপের টপিক 'ইঞ্জিন অয়েল অ্যাডিটিভ' নিয়ে। কেন ব্যাবহার করবেন, করা কি ফরজ নাকি নফল ইত্যাদি ইত্যাদি। ভালো লাগলে পেজে একটা ফলোর দাবী রাখলাম!

নিসান এলগ্র‍্যান্ড - টয়োটা আল্ফার্ডের চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী!বাংলাদেশে লাক্সারি মাইক্রোবাসের মার্কেট টয়োটার একচেটিয়া দখলে,...
02/06/2026

নিসান এলগ্র‍্যান্ড - টয়োটা আল্ফার্ডের চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী!

বাংলাদেশে লাক্সারি মাইক্রোবাসের মার্কেট টয়োটার একচেটিয়া দখলে, আল্ফার্ড ও ভেলফায়ারের মাধ্যমে। ২০২১ মডেলের ওল্ড-শেপ আল্ফার্ড/ভেল্ফায়ার কেনার জন্য ১ কোটি টাকার মতো বাজেট দরকার হয় সাধারণত, যেই বাজেটে এটা ছাড়া আর কোনো লাক্সারিয়াস এমপিভি এতদিন মার্কেটে ছিলো না। গত বছর দেশে চাইনিজ ব্র‍্যান্ড GAC ১.২০ কোটিতে E9 নামের একটি লাক্সারিয়াস এমপিভি নিয়ে আসে, যেটাকে দেশে প্রথমবারের মতো আল্ফার্ডের শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে ধরা হচ্ছিলো। কিন্তু এরই মধ্যে জাপান থেকে খবর চলে এলো নতুন নিসান এলগ্র‍্যান্ডের, যেটা হতে যাচ্ছে জাপানী আল্ফার্ডের সবচেয়ে বড় মার্কেট-প্রতিদ্বন্দ্বী।

নিসান এলগ্র‍্যান্ডের ৪র্থ-জেনারেশন জাপানের বাজারে আসবে কিছু মাসের মধ্যেই। ডিজাইন ও ফিচারের দিক থেকে স্পষ্টই গাড়িটা আল্ফার্ডের সাথে মার্কেটে টক্কর দেওয়ার জন্য বানানো। ২০২৩ সালে রিলিজ হওয়া নিউ-জেনারেশন আল্ফার্ডের মতোই এলগ্র‍্যান্ডের ডিজাইন সামনের দিক থেকে ফিউচারিস্টিক ইয়েট রাজকীয়। এলগ্র‍্যান্ডের সামনে নতুন আল্ফার্ডের মতো ডিআরএল ও গ্রিল মিলিয়ে দেওয়া। ইন্টেরিওরে ড্যাশবোর্ড বেশ সুন্দর‍, অ্যাম্বিয়েন্ট-লাইট ও বড় ডিসপ্লে আছে সামনে। দরজায় সুতা দিয়ে সুন্দর এমব্রয়ডারি করা। দ্বিতীয় সারিতে খুবই পশ ও লাক্সারিয়াস ক্যাপ্টেন'স সিট আছে দুইটা, যেটা পাওয়ার বাটন দিয়ে যেভাবে ইচ্ছা অ্যাডজাস্ট করতে পারবে প্যাসেঞ্জার। টপ প্যাকেজের গাড়িতে ছাদে দুইটা সানরুফ থাকবে, ও দ্বিতীয় সারির দুইজন প্যাসেঞ্জারের জন্য দুইটা সেপারেট ডিসপ্লে। যদিও নতুন টয়োটা আল্ফার্ডের 'এক্সিকিউটিভ লাউঞ্জ' প্যাকেজের দ্বিতীয় সারির সিট কন্ট্রোল করার জন্য হাতের কাছে ফোনের মতো দুইটি টাচ ডিভাইস থাকে যেটা আরও মডার্ন, কিন্তু নতুন নিসান এলগ্র‍্যান্ডের বাটন সিস্টেম অনেকের কাছে আরও সহজ লাগবে ইউজ করতে।

এবার আসি এই গাড়ির সবচেয়ে জোস পার্টে। গাড়িতে ইঞ্জিন হিসাবে থাকবে নিসানের সুপরিচিত 'ই-পাওয়ার' সিরিজ হাইব্রিড সিস্টেম। ১৫০০ সিসির একটি ইঞ্জিন অক্টেন পুড়িয়ে ব্যাটারি চার্জ করবে, সেই ব্যাটারি থেকে শক্তি নিয়ে গাড়ি সম্পূর্ণ সময় চলবে ইলেকট্রিক পাওয়ারে। নিসানের আপডেটেড এই সিস্টেমের আউটপুট হবে ৩৪০ হর্সপাওয়ার!! তুলনা করলে আল্ফার্ড ২৫০ হর্সপাওয়ার নিয়ে এলগ্র‍্যান্ডের ধারেকাছেও নেই। এছাড়া স্বাভাবিকভাবেই এলগ্র‍্যান্ড আরও ফুয়েল এফিশিয়েন্টও হবে যেহেতু সিরিজ-হাইব্রিড সিস্টেম।

এলগ্র‍্যান্ডের ফুল প্রাইস ডিটেইলস এখনো রিলিজ হয়নি, কিন্তু ১৫০০ সিসি হওয়াতে গাড়িটার ডিউটি আমাদের দেশে আল্ফার্ডের চেয়ে কম হবে এই মূহুর্তের ডিউটি-স্ট্রাকচার অনুযায়ী। ফুল প্রাইস রিভিল হলে আরেকটি পোস্টের মাধ্যমে জানিয়ে দিবো ইনশাআল্লাহ, যেন আপনারা আমাদের ইম্পোর্ট ডিভিশন Car Zeo থেকে গাড়িটি প্রি-অর্ডার করতে পারেন!

কেমন লাগলো গাড়িটি, জানিয়ে দিতে পারেন কমেন্টে!

দেশে চলে আসলো হোন্ডা প্রেল্যুডের প্রথম ইউনিট!গত বছর সেপ্টেম্বর মাসে জাপানে রিলিজ হওয়ার সময়ে আমরা এই নতুন হোন্ডা প্রেল্যু...
12/05/2026

দেশে চলে আসলো হোন্ডা প্রেল্যুডের প্রথম ইউনিট!

গত বছর সেপ্টেম্বর মাসে জাপানে রিলিজ হওয়ার সময়ে আমরা এই নতুন হোন্ডা প্রেল্যুড স্পোর্টসকার নিয়ে একটি আর্টিকেল লিখেছিলাম। ৭ মাস না যেতেই বাংলাদেশের একটি শোরুম ইম্পোর্ট করে এনেছে এই গাড়ি। এক্স্যাক্ট দাম জানা না গেলেও আমাদের ইম্পোর্ট ডিভিশন Car Zeo থেকে প্রি-অর্ডার করে আনালে ১.১০-১.২০ কোটিতে ব্র‍্যান্ড নিউ ইউনিট কিনতে পারবেন এই গাড়িটির। গত সেপ্টেম্বরে আমাদের লেখা এই গাড়ির উপর আর্টিকেলটি থেকে কিছু হাইলাইটস এই পোস্টেও উল্লেখ করি এবার।

হোন্ডা প্রেল্যুড একটি ফ্রন্ট-হুইল-ড্রাইভ স্পোর্টসকার। গাড়িটায় আছে একটি ২০০০ সিসির হাইব্রিড পাওয়ারট্রেইন, যেটা দুইটা ইলেকট্রিক মোটরের সাথে একসাথে কাজ করে। নরমাল ড্রাইভের সময়ে গাড়িটা শুধু ইলেকট্রিক মোটরে চলে, ইঞ্জিন তখন শুধু অক্টেন পুড়িয়ে ব্যাটারির জন্য চার্জ তৈরি করে। কিন্তু স্পোর্টস মোডে দিলে ইঞ্জিন ও ইলেকট্রিক মোটর একসাথে ফুল শক্তি দেয়। কম্বাইন্ড আউটপুট ২০০ হর্সপাওয়ার ও ৩১৫ নিউটন-মিটার টর্ক। গিয়ারবক্স হিসেবে থাকছে ই-সিভিটি।

FWD ও CVT শুনে নাক সিটকানোর আগেই বলে দেই, এই গাড়িতে সিভিটি থাকলেও যেন চালাতে মজার হয়, তাই S+ মোডে গাড়িটা DCT গিয়ারবক্সের মতো আপশিফট/ডাউনশিফট করার সিমুলেটেড ফীল দেয়। সাথে এই গাড়িতে FL5 Civic Type R-এর ডুয়েল-এক্সিস সাস্পেনশন ও ব্রেক ইউজ করা হয়। এই সাস্পেনশনের কারণে লঞ্চ করার সময়ে গাড়ি 'টর্ক-স্টিয়ার' করে না, ও ব্রেক পার্ফরম্যান্স খুবই দারুণ। গাড়ির চ্যাসিস টিউনিং দারুণ, তাই হ্যান্ডলিং দারুণ।

কিন্তু তারপরেও অনেকের মতে (আমিও আছি তাদের দলে), এতো দাম দিয়ে মাত্র ২০০ হর্সপাওয়ারের একটা ফ্রন্ট-হুইল-ড্রাইভ স্পোর্টসকার কেনা আসলে কতটুকু যুক্তিযুক্ত, তা নিয়ে সন্দেহ আছে। এই বাজেটে অন্য আরও কিছু স্পোর্টসকার পাওয়া যায় যেগুলো আমাদের মতে প্রেল্যুডের চেয়ে বেটার। যেমন Lexus RC, Toyota GR86 ও Honda Civic Type R।

কেমন লাগলো আজকের পোস্ট? জানিয়ে দিন কমেন্টে!

ফটো ক্রেডিট: Cars & Conversation

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Driven by Abir posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Driven by Abir:

Shortcuts

Share

Category