DriVinci Bangladesh

DriVinci Bangladesh Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from DriVinci Bangladesh, Cars, Dhaka.

দেশে চলে আসলো হোন্ডা প্রেল্যুডের প্রথম ইউনিট!গত বছর সেপ্টেম্বর মাসে জাপানে রিলিজ হওয়ার সময়ে আমরা এই নতুন হোন্ডা প্রেল্যু...
12/05/2026

দেশে চলে আসলো হোন্ডা প্রেল্যুডের প্রথম ইউনিট!

গত বছর সেপ্টেম্বর মাসে জাপানে রিলিজ হওয়ার সময়ে আমরা এই নতুন হোন্ডা প্রেল্যুড স্পোর্টসকার নিয়ে একটি আর্টিকেল লিখেছিলাম। ৭ মাস না যেতেই বাংলাদেশের একটি শোরুম ইম্পোর্ট করে এনেছে এই গাড়ি। এক্স্যাক্ট দাম জানা না গেলেও আমাদের ইম্পোর্ট ডিভিশন Car Zeo থেকে প্রি-অর্ডার করে আনালে ১.১০-১.২০ কোটিতে ব্র‍্যান্ড নিউ ইউনিট কিনতে পারবেন এই গাড়িটির। গত সেপ্টেম্বরে আমাদের লেখা এই গাড়ির উপর আর্টিকেলটি থেকে কিছু হাইলাইটস এই পোস্টেও উল্লেখ করি এবার।

হোন্ডা প্রেল্যুড একটি ফ্রন্ট-হুইল-ড্রাইভ স্পোর্টসকার। গাড়িটায় আছে একটি ২০০০ সিসির হাইব্রিড পাওয়ারট্রেইন, যেটা দুইটা ইলেকট্রিক মোটরের সাথে একসাথে কাজ করে। নরমাল ড্রাইভের সময়ে গাড়িটা শুধু ইলেকট্রিক মোটরে চলে, ইঞ্জিন তখন শুধু অক্টেন পুড়িয়ে ব্যাটারির জন্য চার্জ তৈরি করে। কিন্তু স্পোর্টস মোডে দিলে ইঞ্জিন ও ইলেকট্রিক মোটর একসাথে ফুল শক্তি দেয়। কম্বাইন্ড আউটপুট ২০০ হর্সপাওয়ার ও ৩১৫ নিউটন-মিটার টর্ক। গিয়ারবক্স হিসেবে থাকছে ই-সিভিটি।

FWD ও CVT শুনে নাক সিটকানোর আগেই বলে দেই, এই গাড়িতে সিভিটি থাকলেও যেন চালাতে মজার হয়, তাই S+ মোডে গাড়িটা DCT গিয়ারবক্সের মতো আপশিফট/ডাউনশিফট করার সিমুলেটেড ফীল দেয়। সাথে এই গাড়িতে FL5 Civic Type R-এর ডুয়েল-এক্সিস সাস্পেনশন ও ব্রেক ইউজ করা হয়। এই সাস্পেনশনের কারণে লঞ্চ করার সময়ে গাড়ি 'টর্ক-স্টিয়ার' করে না, ও ব্রেক পার্ফরম্যান্স খুবই দারুণ। গাড়ির চ্যাসিস টিউনিং দারুণ, তাই হ্যান্ডলিং দারুণ।

কিন্তু তারপরেও অনেকের মতে (আমিও আছি তাদের দলে), এতো দাম দিয়ে মাত্র ২০০ হর্সপাওয়ারের একটা ফ্রন্ট-হুইল-ড্রাইভ স্পোর্টসকার কেনা আসলে কতটুকু যুক্তিযুক্ত, তা নিয়ে সন্দেহ আছে। এই বাজেটে অন্য আরও কিছু স্পোর্টসকার পাওয়া যায় যেগুলো আমাদের মতে প্রেল্যুডের চেয়ে বেটার। যেমন Lexus RC, Toyota GR86 ও Honda Civic Type R।

কেমন লাগলো আজকের পোস্ট? জানিয়ে দিন কমেন্টে!

ফটো ক্রেডিট: Cars & Conversation

পাক্কা ২ বছর পর আমাদের ইউটিউব চ্যানেলে আবারও ভিডিও আসলো। খুবই লো কোয়ালিটি ভিডিও, হঠাৎ প্ল্যানে বানানো। এমনকি আউট্রো সিনও...
10/04/2026

পাক্কা ২ বছর পর আমাদের ইউটিউব চ্যানেলে আবারও ভিডিও আসলো। খুবই লো কোয়ালিটি ভিডিও, হঠাৎ প্ল্যানে বানানো। এমনকি আউট্রো সিনও শ্যুট করতে ভুলে গেসি আমরা। যা গালি দেওয়ার দিয়ে আসতে পারেন ভিডিওর কমেন্ট সেকশনে!

What happens when 2 compact sedans with a price of around 30-32 Lacs Taka stretch their legs for a race? Let's find out, with this video featuring the Drag R...

Deepal S07 vs Toyota bZ4X -- full comparisonঅবশেষে হাতে সময় পেলাম যেই পোস্ট দেওয়ার জন্য আপনারা কমেন্ট করেছিলেন, সাথে ছিল...
28/02/2026

Deepal S07 vs Toyota bZ4X -- full comparison

অবশেষে হাতে সময় পেলাম যেই পোস্ট দেওয়ার জন্য আপনারা কমেন্ট করেছিলেন, সাথে ছিলো বেশ হাইপ। ৬০ লাখ টাকা বাজেটে এই মূহুর্তে বাংলাদেশে কিনতে পারার মতো কোন ইলেকট্রিক ক্রসওভার বেস্ট, চলুন জেনে নেওয়া যাক।

Looks :-
ডিজাইনের ক্ষেত্রে যোজন যোজন এগিয়ে আছে ডিপাল এস০৭। ডিপাল এস০৭ দেখতে অনেকটা ল্যাম্বরগিনি উরুসের মতো, খুবই সুন্দর ডিজাইন। দেখলে মনে হয় যেন কোনো ইউরোপিয়ান লাক্সারি গাড়ি। অন্যদিকে টয়োটা বিজি৪এক্স দেখতে ভালো, তবে ডিপালের থেকে পিছিয়ে আছে। বিশেষ করে চাকার উপর ফেন্ডারে অতিরিক্ত জায়গাজুড়ে ব্ল্যাক ক্ল্যাডিং-এর কারণে দেখতে একটু অদ্ভুত দেখায় গাড়িটা।

Size and Space :-
সাইজে এগিয়ে আছে ডিপাল এস০৭: দৈর্ঘ্যে টয়োটা বিজি৪এক্স এর চেয়ে ২.৫ ইঞ্চি এবং চওড়ায় প্রায় ৩ ইঞ্চি। কিন্তু উচ্চতায় আবার টয়োটা বিজি৪এক্স ১ ইঞ্চি বড়, যার মূল কারণ বিজি৪এক্স এর বেশি গ্রাউন্ড ক্লিয়ারেন্স। ডিপালের লেগরুম বেশি যেহেতু হুইলবেজ ২ ইঞ্চি বেশি, ওদিকে টয়োটার হেডরুম বেশি। কার্গো-স্পেস টয়োটায় বেশি, যদিও বিজি৪এক্সে ফ্রন্ট-বুট নেই যেটা ডিপালে আছে।

Features and Comfort :-
ভিতরে বসে লাক্সারিয়াস ফীল নিতে চাইলে ডিপাল চোখ বন্ধ করে এগিয়ে আছে। ব্ল্যাক ও অরেঞ্জ - এই দুই কালারে ফুল লেদার ইন্টেরিয়র পাওয়া যায় ডিপালে, সাথে সনি প্রিমিয়াম সাউন্ড সিস্টেম এবং বড় ডিসপ্লেতে প্রচুর স্মার্ট ফিচারস। ডিপালের ডিসপ্লে ড্রাইভারের দিকে ফিরে থাকে যেন ড্রাইভারের হাতের নাগালে সব কন্ট্রোলস থাকে, কারণ এই গাড়ির সবকিছু এই ডিসপ্লে দিয়েই করা লাগে যেটা একদিক থেকে এই গাড়ির একটা খুঁতও বটে। কারণ, যেকোনো কাজ করার জন্যই রাস্তা থেকে চোখ সরিয়ে ডিসপ্লের দিক মনোযোগ দেওয়া লাগবে, যেটা গাড়ি চালানোর সময়ে রিস্কি। এদিক থেকে আবার টয়োটা বিজি৪এক্স এগিয়ে, কারণ এসি ও ড্রাইভ-মোড সহ অনেক কন্ট্রোলের জন্য ডিসপ্লের নিচে একসারি বাটনও আছে এই গাড়িতে, তাই রাস্তা থেকে চোখ না সরিয়েই অনেক কাজ সেরে ফেলা যায়। সাথে জেবিএল প্রিমিয়াম সাউন্ড সিস্টেম আছে যেটার কোয়ালিটিও বেশ ভালো। দুইটা গাড়িতেই অ্যান্ড্রয়েড অটো ও অ্যাপল কারপ্লে আছে, সাথে ছাদে আছে প্যানোরামিক মুনরুফ। টয়োটাতে চাইলে ছাদে সোলার প্যানেল চার্জারও নেওয়া যাবে, যেটা ডিপালে নেই। বিজি৪এক্স এর রাইড-কম্ফোর্ট এগিয়ে আছে, যেহেতু পিছনে ডাবল উইশবোন সাস্পেনশন। ওদিকে ডিপালের কমন কমপ্লেইন হচ্ছে সাস্পেনশন একটু স্টিফ, যার কারণে ঝাঁকি বেশি বুঝা যায়।

Powertrains :-
ডিপাল এস০৭ এর শক্তি ১৩৫ হর্সপাওয়ার ও ৩২০ নিউটন-মিটার টর্ক, ও গাড়িটি রেয়ার-হুইল-ড্রাইভ। ওদিকে টয়োটা বিজি৪এক্স দুইভাবে কেনা যায়: ফ্রন্ট-হুইল-ড্রাইভ এবং অল-হুইল-ড্রাইভ। ফ্রন্ট-হুইল-ড্রাইভের শক্তি ২০০ হর্সপাওয়ার ও ২৬৬ নিউটন-মিটার টর্ক, এবং অল-হুইল-ড্রাইভের শক্তি ২১৫ হর্সপাওয়ার ও ৩৩৮ নিউটন-মিটার টর্ক। অর্থাৎ মোটরের শক্তির দিক থেকে ক্লিয়ারলি এগিয়ে আছে টয়োটা।

Battery, Range & Fuel Cost :-
-> ডিপাল এস০৭ এর ব্যাটারি ক্যাপাসিটি ৬৮.৮ কিলোওয়াট-আওয়ার, বাংলাদেশের রোড-কন্ডিশনে যেটা এক চার্জে আনুমানিক ৩৫০ কিমি চলবে। টয়োটা বিজি৪এক্স এর ব্যাটারি ক্যাপাসিটি ৭১.৪ কিলোওয়াট-আওয়ার, যেটা বাংলাদেশের রোড-কন্ডিশনে ফ্রন্ট-হুইল-ড্রাইভ ভার্সনে চলবে ৪১০ কিমি এবং অল-হুইল-ড্রাইভ ভার্সনে ৩৬০ কিমি চলবে।
-> দেশে অ্যাভাইলেবল চার্জিং স্টেশনগুলোতে প্রতি কিলোওয়াট-আওয়ার চার্জের দাম ১৯ টাকা করে, সেই হিসাবে ডিপাল এস০৭ ফুল-চার্জ করার খরচ ১৩১০ টাকা, এবং টয়োটা বিজি৪এক্স ফুল-চার্জ করার খরচ ১৩৬০ টাকা।
-> যেহেতু ডিপাল এস০৭ আমাদের দেশে শুধু রেয়ার-হুইল-ড্রাইভ হিসেবেই আসে, তাই আমরা যদি টয়োটা বিজি৪এক্স এর ফ্রন্ট-হুইল-ড্রাইভ ভার্সনের সাথে তুলনা করি, সেই হিসাবে ডিপালের প্রতি কিলোমিটার চলার খরচ ৩.৭৫ টাকা এবং টয়োটার প্রতি কিলোমিটার চলার খরচ ৩.৩২ টাকা। কিন্তু যদি বিজি৪এক্স এর অল-হুইল-ড্রাইভ নেন, খরচ হবে ৩.৭৮ টাকা।

Warranty & Reliability :-
-> ডিপাল দেশে ব্র‍্যান্ড-নিউ হিসেবে ডিলারশিপের মাধ্যমে আসায় অফিশিয়াল ওয়ারেন্টি পেয়ে থাকে। বাংলাদেশে ডিপালের ডিলারশিপ ব্যাটারি ও মোটরের উপর ৮ বছরের ওয়ারেন্টি দিয়ে থাকে। এদিক থেকে ডিপাল কিনলে ৮ বছর একদম টেনশন-ফ্রি থাকা যাবে, কারণ এই সময়ের মধ্যে ব্যাটারি ও মোটরের কিছু হলে বিনামূল্যে রিপ্লেস করে দিবে ডিলারশিপ।
-> অন্যদিকে টয়োটা বিজি৪এক্স ইম্পোর্ট করলে জেডিএম-ভার্সন করতে হবে, যার কারণে কোনো ওয়ারেন্টি থাকবেনা। কিন্তু টয়োটা এই গাড়িটি বানিয়েছে রিলায়েবিলিটির কথা চিন্তা করে, তাই তাদের দাবী যে এই গাড়ির ব্যাটারিতে ১০ বছর পরেও ৯০% ব্যাটারি-হেলথ থাকবে। এবং বাংলাদেশে টয়োটার যেই হাইব্রিড গাড়িগুলো চলে, সেগুলোর ব্যাটারি সাধারণ মেইন্টেনেন্সে ১২-১৩ বছর বয়সেও দারুণ সার্ভিস দেয়।

Price :-
বাংলাদেশে ব্র‍্যান্ড-নিউ ডিপাল এস০৭ এর দাম ৬১ লাখ টাকা। অন্যদিকে রিকন্ডিশন্ড ২০২২ মডেলের টয়োটা বিজি৪এক্স এর দাম স্পেসিফিকেশন ভেদে ৬০ থেকে ৭০ লাখ টাকা পড়বে আমাদের ইম্পোর্ট ডিভিশন কারজিও থেকে। ব্র‍্যান্ড-নিউর সাথে রিকন্ডিশন্ড গাড়ির দাম কেন তুলনা করছি এটা যদি ভেবে থাকেন, সেক্ষেত্রে এটাও ভাবতে হবে যে টয়োটা যুগযুগ ধরে বেস্ট কোয়ালিটির গাড়ি বানিয়ে সেই জায়গা অর্জন করেছে যেটার কারণে দুনিয়াজুড়ে টয়োটার রিসেল-ভ্যালু সবচেয়ে স্ট্রং, যেটা ডিপালকে অর্জন করতে আগামী অনেক বছর রিলায়েবিলিটি দিয়ে প্রুফ করতে হবে

কেমন লাগলো আজকের পোস্টটি, জানিয়ে দিতে পারেন কমেন্টে। ভুল-ত্রুটি হলে ক্ষমা করবেন, কন্সট্রাক্টিভ ক্রিটিসিজম করে ধরিয়ে দিয়ে আমাদের উপকার করতে পারেন। ধন্যবাদ!

19/02/2026

সারাদিন রোজা রেখে ইফতারের পর একটু রেস্ট নিতে নিতে রিলস দেখছেন? আশা করি এই ভিডিওটা দেখে দেড় মিনিট সময় ভালোভাবে কাটবে, ও নতুন কিছু জানতে পারবেন।

এরকম ইনফরমেটিভ ভিডিও আরও দেখতে চাইলে কমেন্ট-সেকশনে জানিয়ে দিতে পারেন। ভুল-ত্রুটি থাকলে ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন, ধরিয়ে দিতে পারেন কিভাবে আরও ভালো করতে পারি। ধন্যবাদ!

Nissan 370Z -- a JDM icon!সাধারণত ৯০-এর দশকের জাপানী লেজেন্ডারি স্পোর্টসকার বলতে আমরা বুঝি Toyota Supra, Nissan Skyline ...
17/02/2026

Nissan 370Z -- a JDM icon!

সাধারণত ৯০-এর দশকের জাপানী লেজেন্ডারি স্পোর্টসকার বলতে আমরা বুঝি Toyota Supra, Nissan Skyline GTR এগুলোকে। তখনকার সময়ে জাপানে একটা সরকারি নিয়মের কারণে সব জাপানী গাড়ির ইঞ্জিনের শক্তি ২৮০ হর্সপাওয়ারে লিমিট করে দেওয়ার কারণে অনেকেই মনে করে যে Supra Mk4 বানানো হয়েছিলো GTR R34-এর সাথে কম্পিট করতে। কিন্তু সুপ্রা আসলে কখনোই জিটিআরের প্রতিযোগী ছিলোই না, কারণ সুপ্রা হলো রেয়ার-হুইল-ড্রাইভ এবং জিটিআর হলো অল-হুইল-ড্রাইভ। তাহলে সুপ্রার রাইভাল আসলে কে? সেটা হলো Nissan 300ZX, অর্থাৎ ৪র্থ-প্রজন্মের Nissan Fairlady Z। আজকের পোস্ট সেই ফেয়ারলেডির ৬ষ্ঠ-প্রজন্ম অর্থাৎ 370Z নিয়ে।

নিসান ৩৭০জেড একটি ফ্রন্ট-মিড ইঞ্জিন রেয়ার-হুইল-ড্রাইভ স্পোর্টসকার, যেটা দুনিয়াজুড়ে বিখ্যাত ছিলো অ্যাগ্রেসিভ ডিজাইন ও বড় সাইজের পাওয়ারফুল ন্যাচারালি অ্যাস্পায়ারেটেড ভি-৬ ইঞ্জিনের মাধ্যমে পুরোনো দিনের সেই অ্যানালগ ড্রাইভিং-ফীলের জন্য। এই গাড়ির ৩৭০০ সিসির ইঞ্জিনের কারণেই নাম ৩৭০জেড, যেটার শক্তি ছিলো ভার্সনভেদে ৩৩০ থেকে ৩৫০ হর্সপাওয়ারের মধ্যে। এই ইঞ্জিনটি রিলায়েবিলিটির কারণে খুবই বিখ্যাত, সাথে বেশি সিসির হওয়াতে টিউনিং পটেনশিয়াল অনেক। কিন্তু ২০০৯ সালে এই গাড়ির ইন্টেরিয়র সময়োপযোগী হলেও ১২ বছর পর ২০২১ সালে এসে বেশ ব্যাকডেটেড হয়ে গিয়েছিলো, যা পরে ২০২২ মডেলের নতুন নিসান জেড থেকে মডার্নাইজ করা হয়।

যেহেতু ২০২১ সালে শেষ হয়েছিলো ৩৭০জেড-এর প্রোডাকশন, তাই বাংলাদেশে লিগ্যালি এই গাড়ি ইম্পোর্ট করার এটাই শেষ বছর যেহেতু আমাদের দেশে ৫ বছর পর্যন্ত পুরোনো জাপানী গাড়ি আনা যায়। এই মূহুর্তে আমাদের ইম্পোর্ট ডিভিশন কারজিও থেকে একটা নিসান ৩৭০জেড প্রি-অর্ডার করে একদম লিগ্যালি কিনতে চাইলে দাম পড়বে ২.৬০ কোটি টাকার আশেপাশে। জাপানে এই গাড়িগুলোর দাম ৪০ লাখ টাকার আশেপাশে হলেও যেহেতু এই গাড়িতে ৩৭০০ সিসির নন-হাইব্রিড ইঞ্জিন, তাই গুনতে হবে ৮৪৬% ইম্পোর্ট ট্যাক্স, যার কারণে এতো বেশি দাম। কিন্তু বাংলাদেশে অলরেডি অনেকগুলো ইউনিট আছে এই গাড়ির, যেগুলো ইউজড মার্কেটে সেল হয় ৫০ লাখের আশেপাশে।

কেমন লাগলো আজকের পোস্ট, জানিয়ে দিতে পারেন কমেন্টে!

এই হইতেসে দুনিয়ার ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি বিক্রিত এসইউভির aura-farming এর ধরণ। বেচে কুলাতে পারতেসেনা টয়োটা!ওল্ডশেপ বা নিউশেপ...
05/02/2026

এই হইতেসে দুনিয়ার ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি বিক্রিত এসইউভির aura-farming এর ধরণ। বেচে কুলাতে পারতেসেনা টয়োটা!

ওল্ডশেপ বা নিউশেপ র‍্যাভ-৪ অর্ডার করতে পারেন আমাদের ইম্পোর্ট ডিভিশন কারজিও থেকে। ডিটেইলসের জন্য ইনবক্স!

আসতে যাচ্ছে নতুন পাজেরো!গাড়ি চিনে, কিন্তু মিতসুবিশি পাজেরোর নাম শুনেনি, এমন মানুষ মনে হয় আমাদের দেশে একজনও নেই। একসময়ে দ...
04/02/2026

আসতে যাচ্ছে নতুন পাজেরো!

গাড়ি চিনে, কিন্তু মিতসুবিশি পাজেরোর নাম শুনেনি, এমন মানুষ মনে হয় আমাদের দেশে একজনও নেই। একসময়ে দেশে বড়লোক মানুষের বাহন "পাজারু গাড়ি" দাপটের সাথে সারা দুনিয়াজুড়ে টয়োটা ল্যান্ড ক্রুজার প্রাডোর সাথে মার্কেটে ফাইট দিতো, ছিলো মার্কেটের অন্যতম সেরা অফ-রোডার এসইউভি। কিন্তু কালের বিবর্তনে, ও মিতসুবিশি-নিসান গ্রুপ মার্কেটে ভালো প্রোডাক্ট আনতে না পারায় লোকসান গুণে বন্ধ করে দেয় তাদের অনেক লেজেন্ডারি গাড়ির মডেল, যার মধ্যে পাজেরো অন্যতম। যদিও 'পাজেরো স্পোর্ট' নামে একটি স্পিন-অফ মডেল তারা এখনো বানায়, কিন্তু মেইন পাজেরো গাড়িটির প্রোডাকশন বন্ধ হয়ে যায় ২০২১ সালে। কিন্তু মিতসুবিশি-নিসান গ্রুপ তাদের কামব্যাক প্ল্যানের অংশ হিসেবে আবারও ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করছে সেই লেজেন্ডদের, যার মধ্যে আছে পাজেরোর প্রত্যাবর্তন!

গত বছর থেকে অস্ট্রেলিয়া ও ইউরোপের বেশ কিছু জায়গায় পাজেরোর প্রোটোটাইপ ইউনিটগুলো ক্যামোফ্লাজ স্টিকার দিয়ে মোড়ানো অবস্থায় টেস্টিং চলার সময়ে ক্যামেরায় ধরা পড়েছে। যদিও ক্যামো-র‍্যাপের কারণে ডিজাইন স্পষ্ট বুঝা যাচ্ছে না, তবুও যতটুক বুঝা যাচ্ছে তাতে আশা করা যায় যে গাড়িটা দেখতে ভালোই হবে। গাড়িটি হয়তো নতুন এল২০০ পিকাপের চ্যাসিসের উপর বানানো হবে, নাহয় একদম নতুন কোনো চ্যাসিসের উপর। কিন্তু এতটুকু শিওর যে, এল২০০ পিকাপের চ্যাসিসে যদি বানানোও হয়, তবুও এল২০০ এর সাথে ডিজাইনে মিল থাকবেনা। সাধারণত 'পাজেরো স্পোর্ট' গাড়িটির সামনের ডিজাইনের সাথে এল২০০ পিকাপের সবসময় হুবহু মিল থাকে। যেহেতু এই প্রোটোটাইপের সামনের ডিজাইন স্পষ্টতই আলাদা, তাই এটুক আপাতত কনফার্ম যে এটা 'পাজেরো স্পোর্ট' নয়, এটা পুরোপুরি পাজেরোই। সাইজ দেখে বুঝা যায় যে এটা নিউশেপ ল্যান্ড ক্রুজার ২৫০/প্রাডোকে টার্গেট করেই আনা হবে মার্কেটে।

কেমন হতে পারে ইঞ্জিন চয়েজ? এই মূহুর্তে মিতসুবিশির হাতে এরকম বড়সড় এসইউভিতে ইউজের জন্য আছে ২৪০০ সিসির টার্বো-ডিজেল ইঞ্জিন, যেটা তারা এল২০০ পিকাপে ইউজ করে। কিন্তু বাই চান্স যদি মিতসুবিশি এই গাড়িতে তাদের ২৪০০ সিসি প্লাগ-ইন-হাইব্রিড সেটাপ ইউজ করে বসে যেটা তারা আউটল্যান্ডারে ব্যাবহার করে, তাইলে একটা কড়া ফাডাফাডি হইবো নতুন প্রাডোর সাথে। এই সেটাপের টোটাল আউটপুট ২৫২ হর্সপাওয়ার ও ৪৫০ নিউটন-মিটার টর্ক, যা এই গাড়ির শক্তি হিসেবে যথেষ্ট এবং ফুয়েল ইকোনমিও অনেক বাড়িয়ে দিবে। যদিও এই সেটাপ হওয়ার চান্স কম, কিন্তু একবার দিয়ে ফেললে বাংলাদেশি কাস্টমারদের জন্যেও সেটা হবে সেরা একটা নিউজ। বিশেষ করে সামনে নির্বাচন, যারা এমপি হবে তারা পাবে ট্যাক্স-ফ্রি একটি গাড়ি কেনার সুযোগ। এমপি-কোটায় গাড়ি কেনার নিয়ম হলো, নন-হাইব্রিড গাড়ির ক্ষেত্রে সেটা ডিজেল-চালিত হতে হবে, এবং হাইব্রিডের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ২৫০০ সিসির ইঞ্জিন হতে পারবে। এই মূহুর্তে ফুল-সাইজড এসইউভি সেগমেন্টে ২৫০০ সিসি হাইব্রিড কোনো জাপানী অপশন নেই, তাই পাজেরোতে এই প্লাগ-ইন-হাইব্রিড সেটাপ ইউজ হলে তা হবে গেম-চেঞ্জার!

কেমন লাগলো পোস্টটি? জানিয়ে দিন কমেন্টে!

Deepal S07 (in-depth review)গত সপ্তাহে ৬০ লাখ টাকায় সবচেয়ে সাশ্রয়ী গাড়ি হেডলাইনে Toyota bZ4X এর উপর একটি পোস্ট লেখার পর ...
30/01/2026

Deepal S07 (in-depth review)

গত সপ্তাহে ৬০ লাখ টাকায় সবচেয়ে সাশ্রয়ী গাড়ি হেডলাইনে Toyota bZ4X এর উপর একটি পোস্ট লেখার পর একই দামে Deepal S07 এর সাথে তুলনা উঠে আসে; এছাড়া এতদিন বাংলাদেশে ডিপাল এস০৭ এর যেই ভার্সনটি বিক্রি হচ্ছিলো সেটার জায়গায় কিছুটা কম দামে আরেকটি ভার্সন বিক্রি শুরু হয়েছে রিসেন্টলি, যার কারণে ভাবলাম এই সপ্তাহে ডিপাল এস০৭ এর উপর একটি পোস্ট লিখি।

ডিপাল হচ্ছে চাইনিজ রাষ্ট্রায়ত্ত গাড়িনির্মাতা ব্র‍্যান্ড চাঙ্গান-এর ইলেকট্রিক গাড়ির সাব-ব্র‍্যান্ড। ডিপাল এস০৭ একটি কম্প্যাক্ট ইলেকট্রিক ক্রসওভার এসইউভি, যেটার সাইজ মূলত টয়োটা হ্যারিয়ারের মতো। গাড়িটার সবচেয়ে স্ট্রং প্লাস-পয়েন্ট হলো এর লুকস, যা সত্যিই অসাধারণ দেখতে। ইউরোপিয়ান গাড়ির মতো ডিজাইন, বিশেষ করে ল্যাম্বরগিনি উরুসের সাথে এই গাড়ির ডিজাইনে বেশ ভালোই মিল আছে। লম্বা হুইলবেজের কারণে ভিতরে লেগরুম অনেক, তাই বসার জায়গা যথেষ্ট। ইন্টেরিয়র খুবই পশ, সম্পূর্ণটা লেদার দিয়ে ডেকোরেশন করা। ব্ল্যাক ও অরেঞ্জ, এই দুই কালারের লেদারে মোড়া ইন্টেরিয়র সিলেক্ট করা যাবে। গাড়িতে ১৫.৬ ইঞ্চির একটা বড় ইনফোটেইনমেন্ট ডিসপ্লে আছে, যেটা গাড়িতে ড্রাইভার বসার পর ড্রাইভারের দিকে ফিরে থাকে। ডিসপ্লের সফটওয়্যার হুয়াওয়ের হারমনি-ওএস বেজড, যেটা স্ন্যাপড্রাগন চিপসেট ব্যাবহার করে। ডিসপ্লেতে ল্যাগ খুবই কম এবং খুবই ইউজার-ফ্রেন্ডলি। সনি প্রিমিয়াম সাউন্ড সিস্টেম ব্যাবহার হয় গাড়িতে, সাথে আছে প্যানোরামিক মুনরুফ।

এবার আসি পাওয়ারট্রেইনে। এই বছরের শুরু থেকে দেশে যেগুলো এস০৭ আসছে, সেগুলোর ব্যাটারি ও মোটর গত বছরের তুলনায় ছোট করে ফেলা হয়েছে, তাই কমেছে কিছুটা দামও। নতুন ২০২৬ মডেলের এস০৭ গুলোতে থাকছে ১৩৫ হর্সপাওয়ার ও ৩২০ নিউটন-মিটার টর্কের একটি ইলেকট্রিক মোটর, যেটা শক্তি নিবে ৬৮.৮ কিলোওয়াট-আওয়ারের ব্যাটারি থেকে। গাড়িটি রেয়ার-হুইল-ড্রাইভ। WLTP-rating অনুযায়ী গাড়িটি একচার্জে ৪১০ কিমি যাবে, বাংলাদেশের রোড-কন্ডিশনে আশা করা যায় ৩৫০ কিমি চলবে। বাংলাদেশের ইভি চার্জিং স্টেশনগুলোতে প্রতি ইউনিট চার্জের দাম ১৯ টাকার মতো। সেই হিসাবে গাড়িটা ফুল-চার্জ করার খরচ ১৩০০ টাকার আশেপাশে, অর্থাৎ ৩৫০ কিলোমিটার রেঞ্জে প্রতি কিলো খরচ আসে ৩.৭৩ টাকা, এবং দিনে ৫০ কিমি চলাচল করলে সারাদিনের যাতায়াত খরচ আসবে ১৮৬ টাকা। দেশের সবচেয়ে তেল-সাশ্রয়ী হাইব্রিড গাড়ি টয়োটা প্রিয়াস ঢাকার ভিতর মাইলেজ দেয় ১৯-২০ কিমি/লিটার; সেক্ষেত্রে ৫০ কিলো রাস্তা চলতে প্রিয়াসের দরকার ৩০০ টাকার অক্টেন। সেই তুলনায় এতো লাক্সারিয়াস এই ডিপালে চড়তে পারবেন দিনে ১১৪ টাকা বাঁচিয়ে। বাসায় চার্জ দিলে ৭ কিলোওয়াটের চার্জারে ১০ ঘন্টা লাগবে ফুল-চার্জ করতে, এবং চার্জিং স্টেশনে ফাস্ট-চার্জারে ৪৫ মিনিটে ৮০% চার্জ করা যাবে। বাসার চার্জার গাড়ির সাথে ফ্রিতে দিয়ে দিবে ডিলাররা।

সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পার্টে এবার আসি, অর্থাৎ দামে। এই নতুন ডিপাল এস০৭ ব্র‍্যান্ড-নিউর দাম পড়বে ৬১ লাখ টাকা। ব্যাটারি ও ইলেকট্রিক মোটরের উপর থাকবে ৮ বছর অথবা দেড় লাখ কিলোমিটারের ওয়ারেন্টি, এবং সম্পূর্ণ গাড়ির উপর থাকবে ৫ বছর অথবা সোয়া লাখ কিলোমিটারের ওয়ারেন্টি।

এবার আসি কিছু খুঁতে। প্রথম খুঁত: এই গাড়ির সমস্ত কন্ট্রোল বড় ডিসপ্লের মধ্যে দিয়েছে ডিপাল, যার কারণে এসি থেকে শুরু করে যেকোনো ফাংশনের জন্য ড্রাইভারকে রাস্তা থেকে চোখ সরিয়ে ডিসপ্লের দিকে তাকাতে হবে। হ্যাঁ, ভয়েস কন্ট্রোলের মাধ্যমে অনেক কাজ করা যায়, কিন্তু সেটার জন্যেও ঠিকভাবে ইংরেজিতে সবকিছু উচ্চারণ করতে হবে যেন গাড়ি কমান্ডটা ধরতে পারে। দ্বিতীয় খুঁত: বেশিরভাগ বিদেশী রিভিউয়ারের মতে গাড়িটার সাস্পেনশন স্টিফ, তাই ঝাঁকির উপর কম্ফোর্ট কিছুটা কম। তৃতীয় খুঁত: ফাস্ট-চার্জ নেওয়ার স্পিড প্রতিযোগীদের তুলনায় স্লো।

কেমন লাগলো আপনাদের কাছে এই পোস্টটি? জানিয়ে দিতে পারেন কমেন্টে। আপনারা অনেকে লাস্ট পোস্টে চেয়েছিলেন যেন ডিপাল এস০৭-এর সাথে টয়োটা বিজি৪এক্স-এর একটি তুলনামূলক পোস্ট দেই। সেই পোস্টটা দেওয়ার আগে ভাবলাম দুইটা গাড়িরই আলাদাভাবে রিভিউ হোক, সেই হিসাবেই আজকের পোস্টটি করা। আল্লাহ হায়াত দিলে নেক্সট পোস্টে আপনাদের রিকুয়েস্ট রাখবো ইনশাআল্লাহ। সেই পর্যন্ত ভালো থাকবেন, সুস্থ থাকবেন। আল্লাহ হাফেজ!

Toyota bZ4X -- ৬০ লাখ টাকায় সবচেয়ে সাশ্রয়ী গাড়ি!বর্তমানে মার্কেটে চলছে ইলেকট্রিক গাড়ির একটা হাইপ। Deepal S07, BYD Atto 3...
22/01/2026

Toyota bZ4X -- ৬০ লাখ টাকায় সবচেয়ে সাশ্রয়ী গাড়ি!

বর্তমানে মার্কেটে চলছে ইলেকট্রিক গাড়ির একটা হাইপ। Deepal S07, BYD Atto 3 ইত্যাদি চাইনিজ ইলেকট্রিক কার বর্তমানে ৫৫ থেকে ৬৫ লাখ টাকা রেঞ্জে অ্যাভাইলেবল হওয়ায় অনেকেই এই গাড়িগুলো বর্তমানে কিনছে। এখন, এই প্রাইসে টয়োটার যদি কোনো ইভি পাওয়া যায়, তাহলে কেমন হবে? আজকের পোস্ট সেই গাড়িটি নিয়েই।

টয়োটা বিজি৪এক্স একটি ডি-সেগমেন্ট ইলেকট্রিক ক্রসওভার এসইউভি, যেটার সাইজ মূলত হ্যারিয়ারের মতো। প্রাইস ও সাইজের দিক থেকে বাংলাদেশের মার্কেটে এই গাড়ির বিগেস্ট কম্পিটিটর এই মূহুর্তে ডিপাল এস০৭। গাড়িটা সুবারুর সাথে মিলে ডেভেলপ করা, ও সুবারু এই গাড়িটি সেল করে 'Subaru Solterra' নামে। ডিজাইন ফিউচারিস্টিক, টয়োটার রিসেন্ট সব গাড়ির মতো এটাতেও 'হ্যামারহেড শার্ক' স্টাইলের হেডলাইট ইউজ হয়েছে। অফ-রোডিং করতে গিয়ে যেন পেইন্টে স্ক্র‍্যাচ না লাগে, এজন্য ফেন্ডারের উপর বড় প্লাস্টিক ক্ল্যাডিং করা। গাড়িটি চাইলে হার্ডটপ বা ফুল প্যানোরামিক মুনরুফ, অথবা ছাদে লাগানো সোলার-প্যানেল সহ কিনতে পারবেন। সোলার-প্যানেল সহ কিনলে সূর্যের আলো থেকেই গাড়িটি যা চার্জ নিবে, সেই চার্জে বছরে আনুমানিক ১৮০০ কিমি রাস্তা গাড়ি চালাতে পারবেন। ইন্টেরিওরে বেশ ভালো স্পেস আছে। গেজ ক্লাস্টারটি বেশ উপরে বসানো, যার কারণে রাস্তার দিকে চোখ রেখেই সবকিছু দেখা যায়। বড় একটি ইনফোটেইনমেন্ট সিস্টেম আছে, যেটায় অ্যাপল কারপ্লে ও অ্যান্ড্রয়েড অটো ইন্সটল করা। চাইনিজ ইভিগুলোর বেশিরভাগ কন্ট্রোল মাঝের বড় ডিসপ্লের মধ্যে দেওয়া থাকে, যার কারনে গাড়ি চালানো অবস্থায় এসি চালানোর মতো সিম্পল কাজ করতে গেলেও মনোযোগ দিতে হয় ডিসপ্লের দিকে। কিন্তু বিজি৪এক্সে সাধারণ সব গাড়ির মতোই ডিসপ্লের নিচে আলাদা বাটনের সারি আছে এসি বা ড্রাইভ-মোড এগুলো কন্ট্রোল করতে। পিছনের সারিতে স্পেস বেশ ভালো, এবং ইভি হওয়াতে এই গাড়ির ফ্লোরে কোনো ট্রান্সমিশন-টানেল নেই যার কারণে লেগরুম যথেষ্ট। একটা হ্যারিয়ার থেকে যেমন স্পেস ও কম্ফোর্ট আপনি পেয়ে থাকেন, তেমনই স্পেস ও কম্ফোর্ট এই গাড়িতেও পাবেন। হ্যারিয়ারের মতোই ১৮০ মিমি গ্রাউন্ড ক্লিয়ারেন্স পাবেন, সাথে পিছনে থাকছে ডাবল উইশবোন সাসপেনশন যার কারণে রোড-কম্ফোর্ট দারুণ!

টয়োটা বিজি৪এক্সে ব্যাবহার হয় প্যানাসনিকের তৈরি ৭১.৪ কিলোওয়াট-আওয়ারের ব্যাটারি, যেটা ১০ বছর পরেও ৯০% ব্যাটারি হেলথ বজায় রাখবে বলে দাবী টয়োটার। অর্থাৎ ব্যাটারিটি এতোই টেকসই যে সাধারণ যত্ন নিলে ১০-১৫ বছর অনায়াসে সার্ভিস দিবে আশা করা যায়। জাপানের মার্কেটে গাড়িটা পাওয়া যায় দুইভাবে:
১) ফ্রন্ট-হুইল-ড্রাইভ -> ২০১ হর্সপাওয়ার, ২৬৬ এনএম টর্ক
২) অল-হুইল-ড্রাইভ -> ২১৫ হর্সপাওয়ার, ৩৩৮ এনএম টর্ক

এবার আসি চার্জিং ও রেঞ্জের আলাপে। সারা দুনিয়া জুড়ে যেই রেঞ্জ-টেস্টিং সিস্টেমকে সবচেয়ে গ্রহণযোগ্য মনে করা হয়, সেই WLTP টেস্ট অনুযায়ী ফ্রন্ট-হুইল-ড্রাইভ ভার্সনটি একচার্জে সর্বোচ্চ ৫৬০ কিমি পথ চলতে পারবে; এবং ফোর-হুইল-ড্রাইভ ভার্সনটি পারবে সর্বোচ্চ ৫৪০ কিমি। বাসার দেয়ালে থ্রি-পিন চার্জার দিয়ে ০% থেকে ১০০% চার্জ করতে সময় লাগে ১২ ঘন্টা, এবং ডিসি ফাস্ট-চার্জে ১০% থেকে ৮০% হতে সময় লাগে ৪০ মিনিট। ঢাকা শহরে একজন গাড়ি-ইউজার সাধারণত দিনে ৫০ কিমি রাস্তা চলাচল করে; সেই হিসাবে গাড়িটা যদি ঢাকার ট্রাফিক কন্ডিশনে একদম কম হলেও একচার্জে ৪৫০ কিমি যায়, তাহলে একবার ফুল চার্জ করলে একটানা ৯ দিন চার্জ না দিলেও হবে। দেশে বসানো চার্জিং-স্টেশনগুলোতে প্রতি ইউনিট চার্জের দাম ১৯ টাকা, সেই হিসাবে এই গাড়ির ব্যাটারি ফুলচার্জ করতে লাগে ১৩৬০ টাকা। একদম কম হলেও যদি ৪৫০ কিমি যায় একচার্জে তাহলে প্রতি কিমি খরচ আসে ৩ টাকা, ও হাইওয়েতে ৫৬০ কিমি রেঞ্জ পেলে প্রতি কিলো খরচ হবে ২.৪৩ টাকা। দিনে ৫০ কিমি চলাচল করলে সারাদিনের যাতায়াত খরচ আসবে ১৫০ টাকা, একচার্জে মিনিমাম ৪৫০ কিলো রেঞ্জ হিসাবে। বর্তমানে দেশে সবচেয়ে প্রচলিত ও তেল-সাশ্রয়ী হাইব্রিড গাড়ি হলো টয়োটা প্রিয়াস, যেটা ঢাকার ভিতর মাইলেজ দেয় ১৯-২০ কিমি/লিটার; সেক্ষেত্রে ৫০ কিলো রাস্তা চলতে প্রিয়াসের দরকার ৩০০ টাকার অক্টেন। সেখানে অর্ধেক খরচে চড়তে পারবেন একটা এসইউভি যেটায় পাবেন বেশি কমফোর্ট, স্পেস ও প্র‍্যাক্টিকালিটি।

এবার আসি দামের আলাপে। ফ্রন্ট-হুইল-ড্রাইভ ভার্সনের ২০২২ মডেলের একটি রিকন্ডিশন্ড টয়োটা বিজি৪এক্স আমাদের ইম্পোর্ট ডিভিশন Car Zeo এর মাধ্যমে প্রি-অর্ডার করে কিনলে দাম পড়বে স্পেসিফিকেশন অনুযায়ী ৬০ থেকে ৬৫ লাখ টাকা। ফোর-হুইল-ড্রাইভ ভার্সন কিনলে দাম আসবে স্পেসিফিকেশন অনুযায়ী ৬৫ থেকে ৭০ লাখ টাকা। অর্থাৎ, ২০২১ মডেলের হ্যারিয়ারের চেয়ে কিছুটা কম দামে, এবং ২০২১ র‍্যাভ-৪ এর একই দামে আপনি চাইলে এই ২০২২ মডেলের এই গাড়িটা কিনতে পারবেন।

কেমন লাগলো এই গাড়িটার ওভারভিউ, জানিয়ে দিতে পারেন কমেন্টে। যদি ডিপাল এস০৭-এর সাথে একদম হেড-টু-হেড কম্পেয়ারিজন দেখতে চান, সেটাও কমেন্টে জানিয়ে দিন!

গাড়ি আমদানির বয়সসীমা: ৫ বছর, নাকি আরও বেশি?    আজকে সারাদিন এই বিষয়টি নিয়ে বেশ আলোচনা হচ্ছে যে, বর্তমানে বাংলাদেশ সরকারে...
12/01/2026

গাড়ি আমদানির বয়সসীমা: ৫ বছর, নাকি আরও বেশি?

আজকে সারাদিন এই বিষয়টি নিয়ে বেশ আলোচনা হচ্ছে যে, বর্তমানে বাংলাদেশ সরকারের বেঁধে দেওয়া সর্বোচ্চ ৫ বছর বয়সী পুরনো গাড়ি ইম্পোর্ট করতে পারার নিয়মটি পরিবর্তন করে এই বয়সসীমা বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। অনেকেই তাতে অনেক খুশি হয়েছেন, কারণ যাদের বাজেট কম তারা ২০-২৫ বছর পুরোনো মডেলের করোলা বা প্রিমিওর মতো টেকসই গাড়ি কমদামে কিনতে পারবে, সাথে যাদের বাজেট ঘাটতি নেই তারা পুরোনো দিনের ক্লাসিক কার কিনতে পারবে যেমন টয়োটা সুপ্রা মার্ক-৪। শুনতে ভালো শুনালেও আসলে কি বয়সসীমা তুলে নেওয়া উচিত হবে বাংলাদেশের কন্টেক্সট বিবেচনা করলে? এই বিষয়ে আগে লেখা একটি পোস্ট আজকে আবারও রিপোস্ট করছি।

প্রথমত, এই বয়সসীমা তুলে নেওয়ার শুধু প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে, এখনো কিছু পাশ হয়নি। কিন্তু যদি হয়ও, তাহলে প্রথমেই যেই সমস্যা আমাদের ফেস করতে হবে, সেটা হচ্ছে রিসাইক্লিং। জাপানী গাড়ি সাধারণত গাড়ির দুনিয়াতে সবচেয়ে টেকসই হয়ে থাকে। কিন্তু তবুও একটা জাপানী গাড়ির 'সার্ভিস লাইফটাইম' সর্বোচ্চ ২৫ থেকে ৩০ বছর পর্যন্ত ধরা হয়। বর্তমানে ৫ বছর পুরোনো একটি রিকন্ডিশন্ড গাড়ি জাপান থেকে আনলে আমরা ধরে নিতে পারি যে গাড়িটা দেশের রাস্তায় আরও ১৫-২০ বছর সার্ভিস দিতে পারবে বিকল হয়ে যাওয়ার আগে। সেখানে জাপানেই ২০-২৫ বছর ইউজ হওয়ার পর একটা গাড়ি দেশে আনলে সর্বোচ্চ ৫-১০ বছর টিকবে। এর উপর জাপানে সেই গাড়িটা যেভাবে জেনুইনে স্পেয়ার পার্টস, নির্ভেজাল তেল, সুন্দর রোড ও ট্রাফিক কন্ডিশনে গত ২৫ বছর টিকেছে; দেশে আসার পর থার্ড-ক্লাস কোয়ালিটির স্পেয়ার পার্টস, ভেজাল তেল, বাজে রোড কন্ডিশনে ৫-১০ বছর পরেই গাড়িটা হয়ে যাবে একটা বিকল ভাঙারি, যা আমাদের মতো ছোট দেশের জন্য উটকো ঝামেলা তৈরি করবে। কানাডা, আমেরিকা, অস্ট্রেলিয়ার মতো দেশ আমাদের চেয়ে সাইজে যেমন বড়, ওদের রিসাইক্লিং ইন্ডাস্ট্রিও আমাদের চেয়ে অনেক এগিয়ে, যার কারনে ওদের বয়সসীমা না থাকলেও সমস্যা নেই। আমাদের দেশের যদি নিজস্ব অটোমোবাইল ইন্ডাস্ট্রি থাকতো, সেসব ফেলনা লোহা রিসাইকেল করে হয়তো গাড়ি বানানোর কাঁচামাল জোগাড় করা যেতো। যেহেতু তা নেই, এতো পুরোনো গাড়ি আমাদের দেশকে বানায় ফেলবে জাপানের পুরোনো গাড়ির কবরস্থান। দ্বিতীয়ত, যুগের সাথে এগিয়ে থাকা। ৫ বছর নিয়মের কারণে আমরা লেটেস্ট প্রযুক্তির গাড়ি দেশে আনতে পারছি। এসব গাড়ির যে শুধু ফিচারস আধুনিক, তাই নয়। এগুলোর ইঞ্জিনও এমনভাবে বানানো যেন তেল খায় কম ও পরিবেশ দূষণ করে কম। আমাদের দেশের, বিশেষ করে ঢাকা শহরের এয়ার কোয়ালিটি এমনিতেই সারা দুনিয়ার মধ্যে অন্যতম খারাপ। এর মধ্যে দিয়ে আরও বেশি কার্বন ছড়াবে এমন পুরোনো গাড়ি আনলে ভালোর চেয়ে খারাপই বেশি হবে।

তাহলে বেস্ট ডিসিশন আসলে কোনটা হবে? বেস্ট ডিসিশন হয়তো দেশের মেজরিটি মানুষ আমাদের চেয়ে আরও ভালো বুঝবেন, কিন্তু একদল গাড়ি-বিশেষজ্ঞ হিসেবে আমাদের মত হলো বর্তমানে চালু থাকা ৫ বছরের বয়সসীমাকে অপরিবর্তিত রাখা। কিন্তু যাদের বাজেট কম, তারা কি তাহলে কখনোই গাড়ি কেনার সাধ পূরণ করতে পারবে না? পারবে, যদি আপনারা সবাই মিলে ছোট ও পরিবেশবান্ধব গাড়ির জন্য ইম্পোর্ট ট্যাক্স কমানোর জন্য সরকারকে চাপ দিতে পারেন। সরকার গাড়িকে একটি বিলাসীপণ্য হিসেবে গণ্য করার কারণে উচ্চহারে ট্যাক্স বসিয়ে রেখেছে, যার কারণে গাড়ির মালিক হওয়া ও মেইন্টেইন করতে পারা খুবই খরচসাপেক্ষ ব্যাপার দেশে। কিন্তু, জাপানী মানুষরা প্রচুর হিসাবী হওয়ায় কিছু ছোট সাইজের ৬৬০ সিসির গাড়ি ব্যাপকভাবে ব্যাবহার করে, যেগুলোকে বলা হয় Kei Cars। বাংলাদেশের মতো ছোট সাইজের দেশে এসব কেই-কার খুবই উপযোগী। রাস্তায় জায়গা নিবে কম, সাথে ৬৬০ সিসির ছোট ইঞ্জিন তেলও খাবে কম সাথে ধোঁয়া ছাড়বে সামান্য। এগুলোর উপর ট্যাক্স ও বাৎসরিক পেপার রিনিউ চার্জ কমালে ৫ লাখ টাকার কমে মানুষ রিকন্ডিশন্ড গাড়ি চড়তে পারবে। এর সাথে ইলেকট্রিক গাড়ির উপর যৎসামান্য ট্যাক্স রাখলে বায়ুদূষণ কমবে, এবং চার্জিং স্টেশনে সোলার প্যানেলের মতো গ্রিন এ্যানার্জি সোর্স রাখলে তেল-গ্যাসের চাহিদার উপর চাপ কমবে। আর যাদের বাজেট নিয়ে ইস্যু নেই কিন্তু বয়সসীমার কারণে পছন্দের পুরোনো সময়ের ক্লাসিক কার কিনতে পারেন না, তাদের জন্য বিশেষ নিয়ম করা যেতে পারে। নিয়মটা এমন হতে পারে যে, কেউ এজাতীয় পুরোনো গাড়ি আনতে চাইলে "ক্লাসিক কার আইন" অনুযায়ী ফুল ইম্পোর্ট ট্যাক্স দিয়ে আনতে পারবে সেটা যত পুরোনোই হোক না কেন, কিন্তু বছরে গাড়িটা চালাতে পারবে সর্বোচ্চ ৩০০০ কিলোমিটার। এতে করে সে ওইজাতীয় ক্লাসিক কার শুধু পার্সোনাল কালেকশনে রাখার জন্য অথবা প্রদর্শনীর জন্য আনতে পারবে, রেগুলার ব্যাবহার করে পরিবেশ দূষণ করতে পারবেনা, বা গাড়িটা ভাঙারীতে পরিণত হতে পারবেনা বেশি ব্যাবহার হওয়াতে।

কেমন লাগলো আজকের পোস্টটি? আপনারা কি আমাদের সাথে একমত, নাকি আপনার কোনো ভিন্নমত আছে? জানিয়ে দিতে পারেন কমেন্ট সেকশনে!

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when DriVinci Bangladesh posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to DriVinci Bangladesh:

Share

Category