03/04/2026
এক সময় যখন ঢাকার রাস্তায় ১৫০ সিসি বাইক নিয়ে বের হতাম, রাইডিংটা ছিল এক প্রকার ম্যাথমেটিকাল ক্যালকুলেশন। সবসময় চোখ থাকতো আরপিএম মিটারের দিকে কখন রেডলাইন হিট করবে, কখন পারফেক্ট গিয়ার শিফটিং হবে। মাথা ভর্তি থাকতো প্রেশার, একদিকে রাস্তার ট্রাফিক, অন্যদিকে বাইকের পাওয়ার যেন এক ফোঁটাও মিস না হয়। ৮০-১০০ স্পিড ধরে রাখতে ইঞ্জিনকে রীতিমতো লড়াই করতে হতো ৮০০০+ আরপিএম এর সাথে। তখন রাইডিং মানেই ছিল একটা ব্রেইন স্টর্মিং সেশন আর চরম ঝুঁকি।
কিন্তু 250cc বাইকে এ শিফট করার পর রাইডিং স্টাইলটাই বদলে গেল। এখন আর সেই অস্থিরতা নেই।
এখন ০-৬০ তুলতে কোনো ক্যালকুলেশন লাগে না, স্রেফ ৪০০০-৪৫০০ আরপিএম এই কাজ হয়ে যায়। আর ৮০-১০০? মাত্র ৬০০০+ আরপিএম এই বাইক তার ডিজায়ার্ড স্পিডে পৌঁছে যাচ্ছে চোখের পলকে। বড় ইঞ্জিনের আসল মজাটাই এখানে,আপনাকে খাটতে হয় না, বাইক নিজেই সব সামলে নেয়।
আগে যে স্পিড তুলতে জান বেরিয়ে যেত, এখন একটু থ্রটল ঘুরালেই পাওয়ার আপনার হাতের মুঠোয়। মজার ব্যাপার হলো, কিছু ‘ছ্যাঁচড়া’ রাইডার মাঝেমধ্যে টেনশন দেওয়ার চেষ্টা করে, কিন্তু আমি এগ্রেসিভ মোডে যাওয়ার আগেই আয়নায় তাদের আর খুঁজে পাওয়া যায় না!
সত্যি বলতে, ঢাকা শহরের ট্রাফিকে এই মেশিন ইনিশিয়াল পাওয়ার পুরোপুরি ব্যবহার করার সুযোগই পাওয়া যায় না। তবে একটা কথা ঠিক প্রমাণ হল ২৫০ সিসি মানে শুধু বেশি স্পিড নয়, ২৫০ সিসি মানে এক অদ্ভুত মানসিক শান্তি আর কনফিডেন্স।
বাকিটা আরও কিছুদিন অবজার্ভ করি, তারপর বিস্তারিত হবে! 🏁