Al Khidmah - Vehicle Parts, Tyres, Services, Consultancy

Al Khidmah - Vehicle Parts, Tyres, Services, Consultancy Home Delivery, Trusted Products, Limited Profit Margin, All Over Bangladesh

19/01/2025

Car Maintenance BASICS | BANGLADESH

- Oxygen sensorWhat is the function of the oxygen sensor?Measuring the percentage of oxygen in the exhaust coming out to...
14/10/2024

- Oxygen sensor

What is the function of the oxygen sensor?
Measuring the percentage of oxygen in the exhaust coming out to the shakman, through which the ECU knows whether the mixture is rich or poor.
All modern cars rely on electronic systems, which is a processing unit (ECU) that drives a set of sensors, valves and electric motors within the vehicle.
We will talk about the oxygen sensor due to its importance in saving fuel exchange.
This sensor reads the ratio of the mixture of air and fuel in the exhaust of the car and based on this ratio is directed to an order to increase the amount of air or fuel, if the percentage of fuel is low, an order is directed to the treatment unit to open the fuel valves (nebulizers) for a longer period to increase the amount of fuel in the combustion chamber, but if the percentage of air is small, an order is directed to the treatment unit to open the idle valve to pass a larger amount of air to the combustion chamber.

- When do I replace my oxygen sensor?
The life span of this sensor is 160,000 km in modern cars, where it must be replaced to maintain the efficiency of the car's work and expenses, as it is not necessary to ignite the engine light to replace it.

- Tps throttle sensor
The Tps throttle sensor in cars is one of the most important parts that exist, which leads to many damages to the car engine if it is damaged.
The most important symptom of damage to this sensor in the car is the appearance of the engine check lamp on the instrument panel, in addition to the appearance of other problems in the car engine as a result of damage to this sensor
It is an increase in the speed of rotation of the engine, as well as a clear failure inside the automatic gearbox.

06/03/2024
28/12/2023
যদি হঠাৎ গাড়ির ব্রেক কাজ না করে !! 😭✅ মানসিকভাবে শক্ত থাকুন, সাহস ধরে রাখুন, নার্ভাস না হয় মাথা ঠান্ডা রাখুন। নিজে এবং ...
09/05/2022

যদি হঠাৎ গাড়ির ব্রেক কাজ না করে !! 😭

✅ মানসিকভাবে শক্ত থাকুন, সাহস ধরে রাখুন, নার্ভাস না হয় মাথা ঠান্ডা রাখুন। নিজে এবং সকল যাত্রীকে সিটবেল্ট পরতে বলুন।
◾ সিটবেল্ট পরা থাকলেই কেবল এয়ারব্যাগ ডিপ্লয় হয়। এছাড়া কলিশনের ইম্প্যাক্ট শক থেকে স্পাইনাল কর্ড বেঁচে যায়। হেড এবং চেস্ট ইঞ্জুরির মাত্রা কম হবে।

✅ হ্যাজার্ড লাইট (যেটাকে আমরা ভুলবশতঃ ইমার্জেন্সি লাইট বলি) জ্বালাবেন।
◾ হ্যাজার্ড লাইট আশেপাশের ড্রাইভারদের সতর্ক করবে।

✅ উইন্ডো নামিয়ে দিন, গাড়ির দরজার সেন্ট্রাল লক খুলে দিন।
◾ উইন্ডো নামালে বাতাস এর কারনে স্পীড কমবে এবং উচ্চগতিতে জানালা খুলে গাড়ী চললে রিয়ারশীল্ডে বাতাস লেগে গাড়ীকে হালকা পিছনে টেনে ধরবে। এছাড়া গাড়ি খাদে বা পানিতে পরে গেলে দরজা আটকে গেলেও বের হতে সুবিধা হবে। সেন্ট্রাল লক একই কারনে খুলে রাখতে হয়। কেননা কলিশনের পর লক জ্যাম হয়ে যেতে পারে।

✅ গাড়ীর এক্সিলারেটর থেকে পা সরিয়ে নিন। গিয়ার নিউট্রাল করুন। ঘনঘন ব্রেক প্যাডাল পাম্প করতে থাকবেন।
◾ এক্সিলারেটর থেকে পা সরিয়ে নিলে গাড়ি ধীরে ধীরে গতি হারাতে থাকবে।

✅ রাস্তা যদি লম্বা এবং ফাকা হয় তবে গাড়ী সোজা স্টিয়ারিং রাখবেন। রাস্তা যদি ফাকা কিন্তু লম্বা না হয়ে চওড়া হয় সেক্ষেত্রে পেছনে গাড়ী দেখে আকাবাকা (S এর মত) চালাবেন।
◾ সামনের রাস্তা অল্প হলে আকাবাকা চালালে অল্প জায়গায় অধিক পথ অতিক্রম করা যায় এতে কিছুটা হলেও বেশি সময় পাওয়া যায়। তবে এক্ষেত্রে আশে পাশের গাড়ীকে খেয়াল করতে হবে।

✅ পার্কিং ব্রেক (যেটাকে আমরা হ্যান্ড ব্রেক বলি) আস্তে আস্তে টানবেন।
◾ পার্কিং ব্রেক একবারে হ্যাচকা টানবেন না এতে গাড়ী উল্টে বা ঘুরে যেতে পারে। পার্কিং ব্রেক দেখবেন তোলার সময় কটকট আওয়াজ হয়। এভাবে ঘাট ধরে ধরে আস্তে আস্তে তোলবেন।

✅ আশে পাশে ফাকা জায়গা, বড় গাছ, দেয়াল, রক্ষিত আইল্যান্ড এর খেয়াল রাখবেন। গতি কমে আসলে এসবে হিট করে গাড়ী থামান। এতে গাড়ীর ক্ষতি হলেও নিজের এবং যাত্রীর প্রাণ বাচবে।

✅ পুরো ব্যাপারটা খুব দ্রুত এবং সুচারু রূপে করতে হবে। এজন্য নার্ভাস হওয়া যাবেনা।

🤲 মহান প্রতিপালকের নিকট প্রার্থনা করুন, কেউ যেন সেইরকম ভয়ানক অভিজ্ঞতার মুখোমুখি না হয়।

✅ নিরাপদ ভাবে গাড়ি চালান এবং প্রতি ৬ মাস পরপর গাড়ির ব্রেক সার্ভিসিং করুন।

~ সংগৃহীত পোস্ট

"ব্লাইন্ড জোন - মৃত্যুর হাতছানি "সড়ক পথে সাইকেল কিংবা মটর সাইকেল যারা রাইড করি তাদের অবশ্যই উচিত "ব্লাইন্ড জোন" সম্পর্কে...
02/04/2022

"ব্লাইন্ড জোন - মৃত্যুর হাতছানি "

সড়ক পথে সাইকেল কিংবা মটর সাইকেল যারা রাইড করি তাদের অবশ্যই উচিত "ব্লাইন্ড জোন" সম্পর্কে ধারনা নিয়ে রাস্তায় রাইড করা প্রয়োজন।

গতকাল একটি মর্মান্তিক সড়ক দূর্ঘটনায় নিহত হন নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটি এর একজন শিক্ষার্থী। নিহত শিক্ষার্থীর আত্নার মাগফিরাত কামনা করছি।

গতকালের সড়ক দূর্ঘটনা দেখে একটি জিনিস খুব ভালো ভাবেই উপলব্ধি হচ্ছে ঢাকায় বেশির ভাগ ক্ষেত্রে বাইক/ সাইকেলে এক্সিডেন্ট হয় " ব্লাইন্ড জোন " এ থাকা বাহন গুলো।

ব্লাইন্ড জোন কি বা কোনটা?
পরিষ্কার বাংলায় যা বুঝি আমি ব্লাইন্ড জোন সম্পর্কে সেটি হলো , " চালকের আসনে বসার পর যে অংশটি লুকিং গ্লাস এ দেখা যায়না এবং যে অংশগুলো চালকের আসন থেকে সরাসরি চোখে দেখা যায় না সেটাকেই "ব্লাইন্ড জোন" বলে।

সংযুক্ত ১ম ছবিটা ভালো করে লক্ষ্য করুন, দেখবেন চলন্ত অবস্থায় একটি ট্রাকের বাম কোনে (ব্লাইন্ড জোনের রিস্কি জোন) রয়েছে স্কুটি (সাদা) চালক। চালকের আসন থেকে ট্রাকের সামনের অংশের মূল বডিটি প্রায় এক/দেড় ফিট হয় বা আরো বেশি হয়, আর সেই সামনের অংশ যদি চালকের বাম দিকে (যেখানে চালকের সহকারী বসে তার কোনা বা নিচের অংশ ) হয় তাহলে সেটাকে হিসেব করলে দেখা যায় আনুমানিক ৫/৬ ফিট দুরত্ব বা আরো বেশি দুরত্ব হবে চালকের চোখ থেকে। এরকম একটি দুরত্ব এর সাথে যদি চালকের বসার স্থানের হাইটের সাথে রাস্তার হাইট হিসেব করি তাহলে সেখানেও প্রায় ৩/৪ ফিট থাকবে দূরত্ব মাটির থেকে চালকের আসনের।

যে কোন যানবাহন যত উপর থেকে দেখবেন ততই ছোট লাগবে দেখতে৷ সেই অনুযায়ী চালকের আসনের থেকে উপরক্ত আনুমানিক দূরত্বের হিসেবে যদি চিন্তা করেন তাহলে ৫/৬ ফিটের সাইজের সাইকেল ৩/৪ ফিট এর মত লাগবে যদি দেখতে পান, কিন্তু ট্রাক এর মত এত বিশাল বডির মধ্যে থেকে চালক সরাসরি ওই গ্যাপটি দেখতে পায়না, যে কারণে একজন হেল্পার থাকে প্রতিটা ট্রাক ড্রাইভের সাথে সাধারণত। হেল্পার যদি অসতর্ক অবস্থায় থাকে কিংবা, হেল্পার যদি না থাকে তাহলে ড্রাইভের সাথে তাহলে পুরোপুরি ঝুকিপূর্ণ থাকে ওই জোনটি।

CCTV ফুটেজ দেখে বোঝা যাচ্ছিলো রাইডার ট্রাকের বাম পাশ দিয়ে ওভারটেক করার জন্য এগিয়ে যাচ্ছিলো, ১ম ছবি খেয়াল করলে দেখতে পাবেন রাইডার পুরোপুরি ব্লাইন্ড জোনে আসার পর পর ট্রাক ধাক্কা দেয় পিছন থেকে, ২য় ছবিটিতে খেয়াল করলে দেখতে পাবেন ১ম চাকার পর পর রাইডারের উপর দিয়ে পিছনে চাকা টাও যাবার মুহুর্তে হেল্পার বুঝতে পারে কিছু একটা হয়েছে, সে পিছে তাকিয়ে দেখে কেউ তার ট্রাকের পিছের চাকার নিচে পরছে, তাৎক্ষনিক মূল ড্রাইভার ব্রেক করেছিলো ট্রাক কিন্তু শেষ মেশ পালিয়ে যায় অবস্থা বুঝতে পেরে।

CCTV ফুটেজ অনুযায়ী রাইডার ট্রাকের বাম পাশ ধরে ফ্লাইওভার থেকে নামছিলো, একটি বাক আসার সাথে সাথে ব্লাইন্ড জোনে চলে আসার রাইডার কে ধাক্কা দেয় পড়ে পিছন থেকে। চালকের থেকেও এখানে সবচেয়ে বেশি দায়ী যদি কেউ থাকে সে হলো হেল্পার, এই জোন টা দেখার জন্যই মূলত হেল্পার থাকে, এরপর চালক। হেল্পারের অসতর্কতার জন্যই মূলত এই ধরনের এক্সিডেন্ট হয়৷

সকল দুই চাকা বাহনের রাইডারদের একান্ত্যই অনুরোধ থাকবে একটু পড়াশুনা করে রাস্তায় বের হলে এই ধরনের দূর্ঘটনা এড়িয়ে যাওয়া সম্ভব হবে, আমিও নিজেও দুই চাকা নিয়ে রাস্তায় বের হই আমি নিজেও জানি অনেক সময় অজান্তেই ব্লাইন্ড জোনে ঢুকে পরতে হয়। রাস্তার বড় বড় বাস/ ট্রাকের কাছে আমাদের বাহনটি নিতান্তই ক্ষুদ্র একটি বাহন, আর সেই বাহনের ব্লাইন্ড জোন গুলো থেকে যতটা এডিয়ে রাস্তায় চলা যায় সে চেষ্টাই রাখতে হবে আমাদের।
খুবই রিস্কি জোনে চলে গেছেন বুঝতে পারলে হর্ণ দিন নতুবা শাউট করুন, চালক/ হেল্পারের দৃষ্টি আকর্ষণ করার চেষ্টা করুন। ফ্লাইওভারের ঢালে নামার সময় যে কোন গাড়ি ওভারটেক করার সময়ে দুই গাড়িমাঝে, একদম বাম/ডান পাশ ঘেঁষে ওভারটেক করার সময় অবশ্যই সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করবেন, প্রয়োজনে এরকম রিস্কি ওভারটেক থেকে বিরত থাকুন।

রাস্তায় রাইডের সময় নিজের সেফটি সম্পূর্ণ নিজের কাছেই থাকে, বাকিটা আল্লাহ ভরসা। নিজের সর্বোচ্চ সেফটি মেইন্টেন করে আমাদের দেশের রাস্তায় চলা উচিত।

উপরের লেখার মাধ্যমে চেষ্টা করেছি আপনাদের সতর্ক করবার জন্য এবং বুঝানোর জন্য।

নিজে সাবধানে থাকুন এবং অন্যদেরকে সাবধানে থাকার পরামর্শ দিন।

~ সংগৃহীত পোস্ট

প্রশ্ন: ভাইয়া আমরা মধ্যবিত্ত ফ্যামিলি, মাসিক ইনকাম ৩ লাখ টাকা। আমাদের বাজেট অনেক কম, ১০/১৫ লাখ টাকার মতো। এই টাকায় কোন...
20/09/2021

প্রশ্ন: ভাইয়া আমরা মধ্যবিত্ত ফ্যামিলি, মাসিক ইনকাম ৩ লাখ টাকা। আমাদের বাজেট অনেক কম, ১০/১৫ লাখ টাকার মতো। এই টাকায় কোন গাড়ীটা ভালো হবে?

উত্তর: এই বাজেটের ভেতর পারফেক্ট ফ্যামিলি কার বলতে আছে একটাই Toyota Aqua, যদিও সেডান না এটা Hatchback | তবে বাজেটের মধ্যে একটা ফ্যামিলির জন্য যা যা দরকার সবই এই একটা গাড়িই ভালোভাবে ফুলফিল করতে পারে। ১৫ লাখের মধ্যেই গাড়ি ম্যানেজ হয়ে যাবে, এক্সট্রা খরচ হবে রেজিষ্ট্রেশন যেটা 1500cc এর জন্য ১৩০,০০০ এর মতো। আর মেইনটেন্যান্স খরচ অন্যান্য 1500cc গাড়ির মতোই, বরং ফ্রেশ JDM হাওয়ায় দেশের যে কোন ইউজড গাড়ি থেকে কমই খরচ হবে। প্লাস হাইব্রিড হাওয়ায় এই গাড়ির মাইলেজ মারাত্মক, আপনাকে প্রতিদিন সিটির ভেতরেই 16-17kmpl দিবে ঠিকমতো মেনটেন করলে! এই মাইলেজ একমাত্র টয়োটা থেকেই পসিবল। আবার hatch হাওয়ায় লাগেজ টাগেজ ও ভালোই ক্যারি করতে পারবেন। গাড়িও ট্রাভেল করে কমফোর্ট, নিঃসন্দেহে হাইওয়েতে লং টুর দিতে পারবেন। ৫ জন নিয়ে আরামে ঘুরতে পারবেন উইথ আনবিলিভেলবল তেল খরচ! যেহেতু টয়োটা আবার JDM, সুতরাং আল্ট্রা রিলয়েবল। ঘন ঘন গ্যারেজ ভিসিট করতে হবেনা আর মেইনটেন্যান্স এর পেছনে বড় টাকা খরচ করতে হবেনা, বিক্রি করতে গেলেও আহামরি লস দিতে হবেনা। সবমিলিয়ে ১৫ লাখ বাজেট হলে চোখ বন্ধ করে নেওয়ার মতো গাড়ি।

~ সংগৃহীত পোস্ট

সাবধান!!!আপনার গাড়ীতে ড্রাইভিং সিটের নিচে অথবা আশে পাশে এরকম পানির বোতল রাখবেন না। হঠাৎ করে ব্রেক এর নিচে বোতল চলে গেলে,...
03/09/2021

সাবধান!!!

আপনার গাড়ীতে ড্রাইভিং সিটের নিচে অথবা আশে পাশে এরকম পানির বোতল রাখবেন না। হঠাৎ করে ব্রেক এর নিচে বোতল চলে গেলে, হতে পারে বড় একটি এক্সিডেন্ট। সব গাড়িতে পানির বোতল রাখার নিদিষ্ট জায়গা আছে। একটু খেয়াল করে ঐ জায়গায় রাখবেন।

আল্লাহ হেফাজত করুন। আমীন

26/08/2021

পই পই করে হিসেব রাখবেন এই মাসে কত ওয়াক্ত নামাজ ছুটে গেল।
ডায়েরীতে দরকার লাগে লিখে রাখবেন কে আপনার কাছে কিছু পায়, কাকে কাকে কষ্ট দিয়েছেন জীবনে।
পই পই করে দুনিয়াতে হিসেব মিটিয়ে যাবেন।
রেগুলার নোটে লিখে হিসেব কষবেন আজকে নেক কাজের বিপরীতে কয়টা গুনাহ্ হয়ে গেল।
এগুলো ভুলে গেলে চলবেনা।
নোট করে রাখবেন।

আল্লাহর কাছে নিজের বলার মত কিছু গল্প রাখবেন।
আল্লাহই জানবে এরকম কিছু ডিল রাখবেন আল্লাহর সাথে।এগুলো কাউকে কখনো বলা যাবেনা।
এমন কিছু আমল রাখা লাগবে, নির্জন কবরে যেগুলো আপনাকে প্রোটেক্ট করবে।
এরকম কিছু আমল খুঁজে বের করবেন এবং রেগুলার করবেন।আপনার জীবনে আর কিছু চাওয়ার নাই।
কালকের চেয়ে আজকের দিনটা ভালো করতে পারলেন কিনা এটা বিশেষভাবে খেয়াল করবেন।
উন্নতি অবনতির হিসেব।
যদি ব্যবসায়ী হতে চান; আল্লাহর সাথে ব্যবসা করবেন। প্রোফিট হবে জান্নাত যার বিস্তৃতি আসমান থেকে জমিন।
দুনিয়াতে বাড়ি গাড়ি করার আগে জান্নাতের বাড়ির চিন্তা করবেন।
দুনিয়া থাকবেনা কদিন পর।
দুনিয়া কিছুদিন থাকলেও আপনি যে থাকবেন না; এটা মাথায় রাখবেন।
বিকালে খেলার সময় আসরের ওয়াক্ত! বন্ধুরা বললো, এখন খেল, পরে পড়ে নিস।
এরকম সার্কেল থেকে দূরে থাকতে হবে।
ভুলেও কখনো কোন ফরজ তরক করা যাবেনা।
একটা কথা বলি, মানুষের কাছে যত টাকাই হোক, যত ক্ষমতাশালীই হোক, বেলাশেষে একলা।
যত কোটিপতি আর যাই হোক, বেলাশেষে কবরে গেলে নিজের কাছে নিজের সৎকর্ম না থাকলে তার কিছুই নাই।
সুতরাং এই ফিকিরটাও মাথায় রাখবেন।এছাড়া গতি নাই।
সবশেষ যে কথাটা বলতে চাই আপনাদের কাছে।
আপনি যখন একটু ভালো হওয়া শুরু করবেন, নামাজ কালাম পড়বেন।সবার প্রথম ধাক্কাটা খাবেন কাছের মানুষজনের কাছ থেকে। পরিবার, শিক্ষক, আত্মীয়-স্বজনের কাছ থেকে।
তারা পছন্দ করবেনা যে আপনি ভালো হয়ে যাচ্ছেন।
তারা বলবে এএএএ ও তো ব্যাকডেটেড হয়ে যাচ্ছে, দাঁড়ি রেখে ক্ষেত হয়ে যাচ্ছে, জঙ্গী হয়ে যাচ্ছে।
এদের কথায় কান দেয়ার দরকার নাই, টেনশন নেয়ার কিছু নাই।
আপনি যদি সৎ হন, মুখলিস হন; আল্লাহ্ আপনাকে মাহফুজ রাখবেন, অকল্পনীয় উৎস থেকে বেহিসাব রিজিক দান করবেন।
সাহায্য, সম্মান আর সফলতা ; আপনার যা যা প্রয়োজন এভ্রিথিং দান করবেন।
লিখা: মাহ্দী ফয়সাল

উলামায়ে দেওবন্দ মিডিয়া বাংলাদেশ

24/08/2021

লেখাটি সম্পূর্ণ পড়ার অনুরোধ রইল।

১.

জানাবির কথা মনে পড়ে আপনাদের?
আবির আল জানাবি।
১৪ বছর বয়সী ইরাকি কিশোরী।
তখন ২০০৬ সাল‌‌।
ইরাকে 'গণতন্ত্র' ও 'মানবাধিকার' প্রতিষ্ঠা করতে আসা মার্কিন আর্মির কুদৃষ্টির ভয়ে জানাবির বাবা জানাবিকে স্কুলে পাঠানো বন্ধ করে দিয়েছিলেন। জানাবিকে বাড়িতে থাকতো হতো, ছোট ভাইবোনদের সাথে খেলাধুলায় ভালোই কাটছিলো তার কৈশোরের স্বপ্নীল দিনগুলি।

জানাবিদের ঘর থেকে মাত্র দু'শ মিটার দূরেই ছিল মার্কিন সেনাদের নিরাপত্তা তল্লাশি চৌকির অবস্থান। একদিন এক মার্কিন সৈন্যের চোখ পড়ে যায় জানাবির উপর। আর তাই কাল হয়ে দাঁড়ায় জানাবি ও তার পরিবারের জন্য। প্রথমে কিছু দিন সেনারা তল্লাশির নামে বারংবার জানাবিদের বাড়িতে আসতে থাকে এবং তারপ্রতি কুরুচিপূর্ণ ইঙ্গিত করতে থাকে। একদিন চার সেনা সিদ্ধান্ত নেয় আজ তারা জানাবিকে ভোগ করবে ও কিছু মুসলিম হত্যা করবে।

১২ মার্চের সকালবেলা, দুই ছেলেকে স্কুলে পাঠিয়ে জানাবির বাবা বাগানে তার ছোট মেয়ের সাথে গল্প করছিলেন। জানাবি ও তার মা ছিলেন রান্নাঘরে। এর মধ্যে তারা দেখতে পায় চেকপয়েন্টের আর্মির চারজন লোক তাদের বাড়ি ঘিরে ধরেছে। দুইজন সেনা স্টিভেন গ্রিন ও স্পেইলম্যান জানাবির বাবা ক্বাসিম ও তার ৬ বছর বয়সী ছোট মেয়ে হাদিলকে বাগান থেকে ডেকে ঘরে নিয়ে যায়। জানাবির কাছ থেকে তাদের আলাদা করে ফেলে। গ্রিন তাদের মাথায় গুলি করে তাদের হত্যা করে। অন্যদিকে অপর দুই সেনা কর্টেজ এবং বার্কার পালাক্রমে জানাবিকে ধ র্ষ ণ করতে থাকে।

জানাবি নিজেকে উদ্ধারের সর্বোচ্চ চেষ্টা করে। কিন্তু মানুষরুপী জানোয়ারগুলোর কাছে সে অসহায় হয়ে পড়ে। এরই মধ্যে জানাবির কানে গুলির আওয়াজ আসে এবং নিশ্চিত হয় যে তার বাবা আর বোনকে মেরে ফেলা হয়েছে। একদিকে গণধর্ষণের যন্ত্রণা, অন্যদিকে পরিবারের সবচেয়ে কাছের মানুষগুলো হারানোর শোক, জানাবির অবস্থা কেমন হয়েছিল তা বর্ণনা করা সম্ভব নয়। একে একে ধর্ষণের পর স্টিভেন গ্রিন জানাবির মাথায় কাছ থেকে গুলি করে। মগজ ছিটকে পড়ে দেয়ালে। নিথর জানাবি পড়ে থাকে মেঝেতে। জানাবিকে বাঁচানোর শেষ চেষ্টা করছিলেন তার অসহায় মা, তারা নির্মমভাবে জানাবির মাকে খু ন করে।

আমেরিকান সৈন্যরা জানাবিকে ধ র্ষ ণের পর হ ত্যা ও তার পুরো পরিবারকে হ ত্যা করেই ক্ষান্ত হয়নি। প্রমাণ লোপাটের জন্য মৃতদেহগুলো পুড়িয়ে দেয়। ধ র্ষ ণ ও হত্যাযজ্ঞ সুন্নি আত্মঘাতীদের কাজ বলে চালিয়ে দেয়। এতো নিষ্ঠুর অমানবিক কাজ, তাদের এতটুকু অনুশোচনাও হয়নি। উপরন্তু 'চিকেন উইংস' পার্টি দিয়ে এই নিষ্ঠুর হত্যাযজ্ঞ উদযাপন করে তারা। [1]

২.

ইরাকের বর্বর আবু গারিব কারাগারে বন্দিনী বোন ফাতেমার কথা তো আপনাদের মনে থাকার কথা। ইরাকের এক মু জা হি দের বোন ছিলেন ফাতেমা। তাদের বাড়িতে মার্কিন নেতৃত্বাধীন ন্যাটোর সেনারা ফাতেমার ভাইকে না পেয়ে ফাতেমাকে তুলে নিয়ে যায়। ফাতেমা ছিলেন অত্যন্ত লাজুক ও পর্দাশীন মেয়ে। ফাতেমাকে বন্দী করে ইতিহাসের বিভৎসতম আবু গারিব কারাগারে রাখা হয়, সেখানে নাপাক কা ফে র ন্যাটো সেনারা তাঁকে প্রতিদিন পালাক্রমে ধ র্ষ ণ করতো। সে অমানুষিক যন্ত্রণা সহ্য করতে না পেরে তাদের (নিজেকে ও সঙ্গীদের) মেরে ফেলে কষ্ট থেকে মুক্তি দিতে মুসলিম যুবকদের আহ্বান করে চিঠি লিখেন। সেখানে তিনি উল্লেখ করেন,

আল্লাহর কসম কারাগারে আসা পর্যন্ত আমাদের এমন কোন রাত কাটেনি যে রাতে বানর ও শুকুর জাতীয় অমানুষরা আমাদের উপর ঝাপিয়ে পড়েনি। তারা তাদের পূর্ণ স্বাদ মিটিয়ে নিস্তেজ হওয়া অবধি আমাদের দেহকে ছিন্ন বিচ্ছিন্ন করতে থাকে। তারা আমায় একদিন নয়বারেরও বেশি ধর্ষন করেছে। আপনারা কি অনুধাবন করতে পারছেন? চিন্তা করুন আপনাদের এজন বোন ধর্ষিত হচ্ছে। আপনারা কেন ভাবতে পারছেন না আমি আপনাদের বোন? আমার সাথে আরো ১৩ জন মেয়ে আছে। সবাই অবিবাহিত। সবাই সবার সামনে প্রকাশ্য ধর্ষিত হচ্ছে।

আমরা তারাই যারা আল্লাহর ভয়ে সব সময় কুমারিত্ব কে পাহারা দিয়ে থাকি। আল্লাহকে ভয় করুন। আমাদের মেরে ফেলুন। আমাদের ধংস করে দিন। তাদের আনন্দ উপকরণ হিসাবে আমাদের রেখে যাবেন না। ভাই আপনাদের আবারও বলছি আল্লাহকে ভয় করুন। আমাদের মেরে ফেলুন। তাহলেই আমরা হয়ত শান্তি পাব। সাহায্য করুন। সাহায্য করুন। সাহায্য করুন। [2]

৩.

আ ফি য়া সি দ্দি কা নামটি তো সবাই শুনেছেন আশা করি। অসামান্য ধীসম্পন্ন পি.এইচ.ডি ডিগ্রীধারী এ মহিলার সম্মানসূচক অন্যান্য ডিগ্রী ও সার্টিফিকেট রয়েছে প্রায় ১৪৪টি। যুক্তরাষ্ট্রের ব্রন্ডেইস বিশ্ববিদ্যালয় ও হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয় তাঁকে Neurology বিষয়ে ডক্টরেট ডিগ্রী প্রদান করে। তিনি হাফিযে কুর‘আন ও আলিমা। পবিত্র কুর‘আন ও হাদীসে পারদর্শিনী এ মহিলা ব্যক্তিগত জীবনে অত্যন্ত দ্বীনদার ও পরহেযগার। ছিলেন ইসলামের একজন দায়ী ও সমাজসেবক, মজলুম মুসলিমদের জন্য অর্থ সংগ্রহ করে পৌঁছে দিতেন তিনি। ইসলামী আদর্শ, ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির প্রতি রয়েছে তাঁর স্ট্রং কমিটমেন্ট।

মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা এফ.বি.আই পাকিস্তানী কর্তৃপক্ষের সহযোগিতায় আ ল কা য়ে দা র সঙ্গে যোগাযোগ থাকার কথিত অভিযোগে ২০০৩ সালে ড. আ ফি য়া কে তাঁর তিন সন্তানসহ করাচীর রাস্তা থেকে অপহরণ করে। পাকিস্তানের কোন কারাগারে না রেখে এবং পাকিস্তানী আদালতে উপস্থাপন না করে পাঁচ বছর ধরে তাঁকে আফগানিস্তানের বাগরাম সামরিক ঘাঁটিতে গুম করে রাখা হয়। এরপর চলে তাঁর উপর অমানুষিক শারীরিক, মানসিক ও যৌন নির্যাতন। বাগরামে কুখ্যাত মার্কিন কারাগার থেকে মুক্তি পাওয়া ব্যক্তিরা বলেছেন, ‘নির্যাতনের সময় একজন নারী বন্দির আর্তচিৎকার অন্য বন্দিদের সহ্য করাও কষ্টকর ছিল.........। সেই নারী বন্দী ছিলেন আফিয়া সিদ্দিকা।

আমেরিকান টর্চার সেলে তাকে গ ণ ধ র্ষ ণ করা হয়, দিনের পর দিন। তাকে উলঙ্গ করে কুরআন শরীফের পাতা ছিড়ে মেঝেতে বিছিয়ে রেখে বলা হত, যাও, কুরআনের উপর দিয়ে গিয়ে কাপড় নিয়ে এসো। ড. আফিয়া সেটি করতে পারতেন না কারণ, তিনি মুসলমান। কারণ তিনি কুরআন ভালবাসতেন। ৩০ পারা কুরআন যে তার বুকেও ছিল। তিনি যে একজন হাফেজাও ছিলেন। তখন তার উপর নির্যাতনের মাত্রা বেড়ে যেত আরো।

ড. আফিয়ার বিরুদ্ধে প্রহসনের বিচারিক রায় ঘোষণার সময় তাকে কিছু বলতে বলা হলে বিচারকের উদ্দেশ্যে তিনি বলেছিলেন, “আপনি তাদের ক্ষমতা দিয়েছেন আমাকে রেপ করার, উলঙ্গ করে সার্চ করার! আপনার কাছে কিছুই বলবার নেই আমার। আমি আমার আল্লাহর কাছে যেয়েই যা বলার বলবো। আমি তো সেদিনই মরে গেছি যেদিন আমাকে প্রথম ধর্ষণ করা হয়েছিলো। আমাকে ছেড়ে দিন। আমাকে আমার দেশে যেতে দিন।”

তাঁকে এখনো বন্দী করে রাখা হয়েছে। [3]

পশ্চিমা এই নরপশুদের বর্বরতার শিকার নারীদের তালিকা বেশ দীর্ঘ, হাজার হাজার নয়, লাখো লাখো। আ বু গা রি ব | বা গ রা ম | গু য়ে ন্তা না মো বে | বা অন্য কোথাও নির্যাতনের কারণে আমরা কখনো নিপীড়ক সেনাদের বিচার হতে দেখেনি। এ নিয়ে কখনো সোচ্চার হয়নি জাতিসংঘ কিংবা মানবাধিকার সংগঠনগুলো। আমাদের দেশের শাহবাগীদেরও এসব নিয়ে মাথাব্যথা নেই। আবার তারাই সুযোগ বুঝে নারী অধিকারের গালভরা বুলি আওড়ায়। কোন একদেশে ইসলামপন্থীরা মুসলিম নারীদের হিজাব পড়ার ল করলে এই সেক্যু-শ্রেণী সব গেলো গেলো বলে চিৎকার শুরু করে।

আবার এরাই পশ্চিমা কর্তৃক গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার নামে মুসলিম নারীদের ধ র্ষ ণের ব্যাপারে নিরব হয়ে যায়। পশ্চিমা স্ক্যান্ডিনেভিয়ান রাষ্ট্রে বিদ্যালয়ে মুসলিম মেয়েদের বিকিনি পড়ে ছেলে সহপাঠীদের সাথে সুইমিংপুলে নামতে আইন করে বাধ্য করা হলে কোন অসুবিধা নেই, বোরকা নি ষি দ্ধ করলে অসুবিধা নেই, অসুবিধা কেবল ইসলামী রা ষ্ট্রে মুসলিমদের জন্য হিজাব বাধ্যতামূলক হলে। তাদের কাছে নগ্নতায় সমস্যা নেই, সমস্যা কেবল শালীন পোশাকে, সৌন্দর্য বিলিয়ে না বেড়ানোতে।

নগ্নতা | অশ্লীলতা | ব্যভিচার | ধ র্ষ ণ | যদি হয় নারী অধিকার, নারী স্বাধীনতা, তাহলে এমন স্বাধীনতা আমাদের প্রয়োজন নেই। নারীরা আমাদের মা, বোন, মেয়ে‌। তোমাদের কাছে নারীর ইজ্জত | আব্রু | সম্মান | এর মূল্য না থাকতে পারে, আমাদের কাছে আমাদের নারীরা অনেক দামী, অনেক বেশি মূল্যবান।

আমাদের কাছে নারীরা সস্তা বিজ্ঞাপন বা প্রদর্শনের বস্তু নয়। আমরা নারীর রূপ, লাবণ্যকে পুঁজি জ্ঞান করে করে নারীব্যবসা, বিজ্ঞাপনের মডেল তথা পণ্য হিসেবে উপস্থাপনের পক্ষেই নই। আমরা নারীর ইজ্জত আব্রু হেফাজতের পক্ষে‌। আল্লাহ প্রদত্ত হিজাবের পক্ষে। আমাদের নিজ নিজ দৃষ্টি হেফাজতের পক্ষে‌। তাই ইসলামী শা স ন আমাদের জন্য ভীতি বা আতঙ্ক নয়, বেঁচে থাকার উত্তম এক পরিবেশের নাম।

ইসলামী শা স ন আতঙ্ক তো কেবল ব্যাভিচারী, মদ্যপ, দূর্নীতিবাজ, চোর-ডাকাত আর নারীলোভীদের জন্য। আপনারা কী তারা, যারা এসব অপরাধে জড়িত?
না হলে, ইসলামী শা স নকে ভয় পাচ্ছেন কেন? নারীদের মেকি বন্ধু সেজে ইসলামপন্থীদের বিরুদ্ধে প্রোপাগান্ডা চালাচ্ছেন কেন? এতো প্যাচিয়ে লাভ কী! আপনারা সেক্যুরা নারী অধিকারের পক্ষে নাকি নগ্নতার পক্ষে স্পষ্ট করে বললেই তো হয়! এতো নেফাকি/শঠতা কেন? আসল চেহারা জাতির সামনে উন্মোচিত হয়ে যাবে, তাই!

[লেখাটির কিছু অংশ বেশ কয়েকটি সাইট থেকে সংকলন ও সম্পাদনা করা হয়েছে, তথ্যসূত্র ও বিস্তারিত কমেন্টে দ্রষ্টব্য]

মাসিক আদর্শ নারী

Address

Mirpur

Opening Hours

Monday 10:00 - 18:00
Tuesday 10:00 - 18:00
Wednesday 10:00 - 18:00
Thursday 10:00 - 18:00
Friday 07:00 - 11:00
16:00 - 21:00
Saturday 10:00 - 18:00
Sunday 10:00 - 18:00

Telephone

+8801914010746

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Al Khidmah - Vehicle Parts, Tyres, Services, Consultancy posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Al Khidmah - Vehicle Parts, Tyres, Services, Consultancy:

Share