12/09/2026
নিষেধাজ্ঞা নয়, দরকার সঠিক নীতিমালা।
বাংলাদেশে ব্র্যান্ড নিউ ইলেকট্রিক গাড়ি আমদানি করা যাবে, কিন্তু জাপানের ভালো মানের রিকন্ডিশনড ইলেকট্রিক ভেহিকেল আমদানিতে নিষেধাজ্ঞা থাকবে, এটা কোনোভাবেই ন্যায্য সিদ্ধান্ত হতে পারে না।
আমরা চায়না থেকে ব্র্যান্ড নিউ EV আমদানির বিরুদ্ধে নই। কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে, জাপানের পরীক্ষিত, মানসম্মত, অল্প বছরের রিকন্ডিশনড EV কেন বাংলাদেশে আসতে পারবে না?
জাপানের গাড়ি বিশ্বজুড়ে মান, নিরাপত্তা, টেকনোলজি ও রিলায়েবিলিটির জন্য পরিচিত। সঠিক নিয়ম মেনে আমদানি করলে জাপানিজ রিকন্ডিশনড EV বাংলাদেশের জন্য বড় সুযোগ হতে পারে।
আমাদের দাবি খুব পরিষ্কার:
১. ৫ বছরের মধ্যে থাকা রিকন্ডিশনড EV আমদানির অনুমতি দেওয়া হোক।
২. Battery State of Health কমপক্ষে ৭০% বাধ্যতামূলক করা হোক।
৩. ব্যাটারি সার্টিফিকেট, অকশন শিট ও প্রি-শিপমেন্ট ইন্সপেকশন বাধ্যতামূলক করা হোক।
৪. Flood damage, fire damage, major accident বা structural damage গাড়ি নিষিদ্ধ করা হোক।
৫. ব্যাটারি রিসাইক্লিং ও নিরাপদ disposal policy চালু করা হোক।
তাহলেই নিরাপত্তাও থাকবে, মানও থাকবে, ক্রেতার অধিকারও থাকবে।
রিকন্ডিশনড EV বন্ধ করলে সাধারণ মানুষ সাশ্রয়ী দামে ইলেকট্রিক গাড়ি কেনার সুযোগ থেকে বঞ্চিত হবে। শুধু উচ্চমূল্যের ব্র্যান্ড নিউ গাড়ি বাজারে থাকলে EV হবে কেবল ধনীদের জন্য। অথচ পরিবেশবান্ধব গাড়ি সবার নাগালের মধ্যে আনা উচিত।
জাপানিজ রিকন্ডিশনড গাড়ির বাজার বাংলাদেশে বহু বছর ধরে একটি প্রতিষ্ঠিত, কর্মসংস্থানমুখী ও গ্রাহকবান্ধব খাত। এই খাতের সঙ্গে হাজার হাজার ব্যবসায়ী, কর্মচারী, টেকনিশিয়ান, ব্যাংক, সার্ভিস সেন্টার, পার্টস ব্যবসায়ী ও পরিবার জড়িত।
তাই সরকারের প্রতি সম্মান রেখেই বলছি:
রিকন্ডিশনড ইলেকট্রিক ভেহিকেল আমদানি বন্ধ নয়, নিয়ন্ত্রিত ও মানসম্মত আমদানির অনুমতি দিন।
বাংলাদেশের মানুষকে ভালো মানের, সাশ্রয়ী, পরিবেশবান্ধব জাপানিজ EV ব্যবহারের সুযোগ দিন।
দেশের বাজারে প্রতিযোগিতা থাকুক।
ক্রেতার পছন্দের স্বাধীনতা থাকুক।
ব্যবসায় ন্যায্যতা থাকুক।
জাপানিজ রিকন্ডিশনড EV আমদানির নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করতে হবে।