Zamadar mahbub

  • Home
  • Zamadar mahbub

Zamadar mahbub Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Zamadar mahbub, Used Vehicles, .

02/03/2026
24/02/2026

গল্পের নাম: অভিমানে ঘেরা একলা আকাশ

মধ্যবিত্ত পরিবারে চার ভাইয়ের মাঝে একমাত্র আদরের বোন সুহাসিনি। বাবা-মায়ের নয়নমণি হলেও ছোটবেলা থেকেই তার একটা বদনাম ছিল—সে অত্যন্ত জেদি। যা একবার ধরবে, তা না হওয়া পর্যন্ত তার শান্তি নেই। এই জেদের কারণেই ইন্টারমিডিয়েট শেষ করার পর যখন বিয়ের সম্বন্ধ আসতে শুরু করল, সে সাফ জানিয়ে দিয়েছিল, "অনার্স শেষ না করে আমি বিয়ের পিঁড়িতে বসব না।"
বড় তিন ভাই আর বাবা-মা অনেক বুঝিয়েছিলেন। ভালো ঘর, ভালো বর—সবই সুহাসিনির জেদের কাছে হার মেনেছে। এক পর্যায়ে পরিবার পরিজন তাকে বলাবলি করা ছেড়ে দিল। তারা ধরে নিল, সুহাসিনি নিজের সিদ্ধান্ত নিজেই নিতে জানে, তাই তাকে আর ঘাঁটানো বৃথা।
এখন সুহাসিনি অনার্সের চতুর্থ বর্ষে। বয়স বেড়েছে, বেড়েছে চারপাশের শূন্যতাও। বড় দুই ভাইয়ের বিয়ে হয়েছে, তাদের নিজেদের সংসার হয়েছে। ছোট ভাইটাও নিজের ক্যারিয়ার নিয়ে ব্যস্ত। সুহাসিনি খেয়াল করল, একসময় যে বাড়িতে তাকে ঘিরে সব আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু ছিল, এখন সেই বাড়িতে সে যেন এক কোণঠাসা চরিত্র।
হঠাৎ করেই সুহাসিনির মনের ভেতর একটা অদ্ভুত হাহাকার জেগেছে। বান্ধবীদের সংসার, তাদের জীবনের নতুন গল্প তাকে ভাবিয়ে তোলে। একাকীত্বের এই প্রহরে সে অনুভব করে, তারও একজন জীবনসঙ্গী প্রয়োজন। একজন মানুষ, যার কাছে দিনশেষে সবটুকু ক্লান্তি জমা রাখা যায়। কিন্তু সমস্যা হলো, তার সেই পুরনো 'জেদ'।
পরিবার এখন আর তার বিয়ের কথা তোলে না। বাবা-মা হয়তো ভাবেন, কথা বললে যদি মেয়ে আবার রাগ করে! ভাইয়েরা মনে করে, বোন তো পড়াশোনা নিয়ে আছে, ডিস্টার্ব করে লাভ নেই। সুহাসিনি মনে মনে চায় কেউ একজন এসে তাকে বলুক, "সুহাস, এবার তো পড়াশোনা শেষ হতে চলল, একটা ভালো ছেলে দেখি?" কিন্তু কেউ বলে না।
এই উপেক্ষা সুহাসিনিকে বিষণ্ণতার চরম পর্যায়ে নিয়ে গেছে। মাঝরাতে একা যখন পড়ার টেবিলে বসে থাকে, তখন বইয়ের পাতায় ঝরঝর করে তার চোখের পানি পড়ে। তার কেবলই মনে হয়, কেন সে তখন অত জেদ করেছিল? এখন তার নিজের প্রতি চরম ঘৃণা হয়, পরিবারের ওপর তীব্র হিংসা হয়। মনে হয়, সবাই তাকে ভুলে গেছে, সবাই তাকে ছাড়াই সুখে আছে।
মাঝে মাঝে ডাইনিং টেবিলে সবার হাসাহাসি শুনলে সুহাসিনির মনে হয় চিৎকার করে বলে, "আমি খুব একা! আমাকেও কারও হাতে তুলে দাও।" কিন্তু তার ওই 'জেদি' ভাবমূর্তি তাকে আটকে দেয়। কেউ তার মনের কান্না দেখতে পায় না। সুহাসিনি এখন এক বন্ধ ঘরে বন্দি হয়ে থাকে, যেখানে কেবল তার দীর্ঘশ্বাস আর নোনা জলের রাজত্ব।
সেদিন আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে সুহাসিনি নিজের লাল হয়ে যাওয়া চোখ দুটো দেখল। বুঝতে পারল, জীবনের কিছু জেদ জয়ী হলেও মানুষটাকে ভেতরে ভেতরে একদম নিঃস্ব করে দেয়।

03/02/2026

*মায়ার আড়ালে একটি সন্ধি*
বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে তমা আর অনিকের প্রেম ছিল সবার চোখে পড়ার মতো। কিন্তু এক অসতর্ক মুহূর্ত তাদের জীবনের সমীকরণ পাল্টে দেয়। তমা যখন তার গর্ভবতী হওয়ার খবর অনিককে জানায়, অনিক দায়িত্ব নেওয়া তো দূরের কথা, সিধাসিধি তমার সাথে সব সম্পর্ক ছিন্ন করে দেয়। নিজের ক্যারিয়ার আর সামাজিক লোকলজ্জার ভয়ে তমা যখন দিশেহারা, ঠিক তখনই তার পাশে এসে দাঁড়ায় তার এক ঘনিষ্ঠ বান্ধবী, রিয়া।
রিয়ার মাধ্যমে পরিচয় হয় বিদেশে থাকা এক নিঃসন্তান দম্পতি—সায়েম ও নিলা। তারা তমাকে এক অদ্ভুত প্রস্তাব দেয়: বাচ্চাটি নষ্ট না করে তাদের হাতে তুলে দিতে হবে। বিনিময়ে তমার পড়াশোনা আর ক্যারিয়ারের কোনো ক্ষতি হতে দেবে না তারা। তমা নিজের ভবিষ্যতের কথা ভেবে এই চুক্তিতে রাজি হয়।
শুরু হয় এক গোপন জীবন। তমার জন্য একটি আলাদা ফ্ল্যাট ভাড়া করা হয়। শর্ত ছিল একটিই—সন্তান জন্ম না হওয়া পর্যন্ত সে পরিবারের সাথে কোনো যোগাযোগ রাখতে পারবে না। বিদেশ থেকে প্রতি মাসে নিয়ম করে তমার সমস্ত খরচ পাঠাতে থাকেন সায়েম ও নিলা। একাকীত্বের সেই নয়টি মাস তমা শুধু নিজের ক্যারিয়ার আর আগত সন্তানের কথা ভেবে কাটিয়ে দেয়।
অবশেষে সেই মাহেন্দ্রক্ষণ ঘনিয়ে আসে। সায়েম ও নিলা বিদেশ থেকে ফিরে আসেন। শহরের একটি ক্লিনিকে সিজারের মাধ্যমে জন্ম নেয় এক ফুটফুটে কন্যা সন্তান। জন্মের পর প্রথম তিনদিন বাচ্চাটি তমার কোলেই ছিল। মাতৃত্বের এক অদ্ভুত টান তমা অনুভব করতে শুরু করেছিল, কিন্তু ততক্ষণে অনেক দেরি হয়ে গেছে।
তিনদিন পর, পূর্ব শর্ত অনুযায়ী সায়েম ও নিলা বাচ্চাটিকে নিজেদের হেফাজতে নিয়ে নেন। তমা তার শূন্য কোল আর ভবিষ্যতের উজ্জ্বল ক্যারিয়ারের স্বপ্ন নিয়ে ক্লিনিক থেকে বিদায় নেয়। সে তার স্বাভাবিক জীবনে ফিরে যায় ঠিকই, কিন্তু প্রতিটি ক্ষণ তার হৃদয়ে এক অদৃশ্য ক্ষত রয়ে যায়। সে কি সত্যিই তার ক্যারিয়ার ফিরে পেল, নাকি নিজের আত্মার এক অংশ অন্য কারো ঠিকানায় চিরতরে হারিয়ে ফেলল—সেই উত্তর হয়তো সময়ই দেবে।

03/02/2026
29/01/2026

> _*অভিমানের দেয়াল*_

আরিফের কাছে পৃথিবী মানেই ছিল তার মা। ২০০২ সালে বাবা যখন মারা গেলেন, তখন সে কেবল দশম শ্রেণির ছাত্র। ভাইবোনের বিশাল বহরে সে অষ্টম। বাবার মৃত্যুতে যতটা না শোক পেয়েছিল, তার চেয়ে বড় হয়ে দাঁড়িয়েছিল মাকে আগলে রাখার জেদ। বড় ভাইবোনেরা যে যার মতো ব্যস্ত হয়ে পড়লে আরিফ মনে মনে শপথ করেছিল—মাকে সে রাজকন্যের মতো রাখবে।
কর্মজীবনে ঢোকার পর আরিফের ধ্যানজ্ঞান হয়ে দাঁড়াল মায়ের স্বাচ্ছন্দ্য। বাজারের সবচেয়ে মিহি সুতোর কাপড়টা সে খুঁজে আনত মায়ের জন্য।
তার দুশ্চিন্তা হতো—মা তো বৃদ্ধ হয়েছেন, সাধারণ বাথরুমে গিয়ে পা যদি পিছলে যায়? নিজের তিল তিল করে জমানো সবটুকু অর্থ ঢেলে সে বাড়িতে আধুনিক বাথরুমসহ দোতলা দালান তুলল।
বেতনের তারিখের জন্য সে কখনো অপেক্ষা করত না; মায়ের কোনো কিছুর প্রয়োজন জানলে ধারদেনা করে হলেও তা এনে দিত। তার পৃথিবীটা ঘুরত ৮০ বছর বয়সী ওই হাস্যোজ্জ্বল মুখটাকে কেন্দ্র করেই।
কিন্তু হঠাৎ করেই একদিন সেই সাজানো পৃথিবীতে গ্রহণ লাগল। আরিফ লক্ষ্য করল, পাশের বাড়ির মতো তার সাজানো ঘরেও কানকথা আর রাজনীতির বিষ ঢুকেছে। প্রিয় এক ভাই আর বোনের প্ররোচনায় মা তার সাথে এমন কিছু বিষয়ে মিথ্যে বললেন এবং ছলনার আশ্রয় নিলেন, যা আরিফ কল্পনাও করতে পারেনি।
যে মাকে সে দেবীর মতো বিশ্বাস করত, সেই মায়ের মুখে সুনিপুণ মিথ্যে দেখে তার পায়ের তলা থেকে মাটি সরে গেল।
সেই যে মনে বিশাল এক ধাক্কা খেল আরিফ, তারপর থেকে বাড়ির ভেতরের ঝকঝকে দেয়ালগুলো তার কাছে বিস্বাদ হয়ে গেল। যে মানুষটির জন্য সে নিজের সবটুকু বিলিয়ে দিয়েছিল, সেই মানুষটির এই বিট্রেয়াল সে নিতে পারল না।
এখন একই ছাদের নিচে বসবাস, অথচ আরিফের ঠোঁটে আর কোনো কথা নেই। তার মৌনতা এখন মায়ের প্রতি ঘৃণা নয়, বরং এক গভীর অভিমান আর হাহাকার। যে মা ছিলেন তার পরম আশ্রয়, সেই মায়ের সাথেই আজ তার যোজন যোজন দূরত্ব।

21/01/2026

গল্পের নাম: ভস্মমাখা পদ্মফুল

রহমত মিয়া পেশায় একজন কাঠ-মিস্ত্রি। দিনভর অন্যের ঘরের আসবাবপত্র গড়লেও নিজের ঘরে তার শান্তি ছিল না।
অভাব যেখানে নিত্যসঙ্গী, সেখানে ভালোবাসা এক বিলাসিতা। সেই অভাবের সুযোগে রহমত এবং তার স্ত্রী মরিয়ম—দুজনেই জড়িয়ে পড়েছিলেন পরকীয়ার মোহে।
কোন কোন সময় সন্তানদের সামনেই পরপুরুষ নিয়ে শুয়ে থাকতেন তাদের মা কিন্তু তাদের কিছু করার ছিলো না,কারন তাদের মা কিছুটা অস্বাভাবিক ছিলো কিছু বলতে গেলেই মার খেতে হত,তাই ভয়ে আর কিছু বলত না।
দুজনের প্রতি দুজনের শ্রদ্ধাবোধ ছিল শূন্যের কোঠায়। ঝগড়া, বিবাদ আর পারস্পরিক আস্থাহীনতায় ঘরটি যেন এক নরককুণ্ডে পরিণত হয়েছিল।
কিন্তু সেই অন্ধকার ঘরেই বেড়ে উঠছিল সাতটি রত্ন—তাদের পাঁচ মেয়ে ও দুই ছেলে। মা-বাবার অবহেলা আর সংসারের বিষাক্ত পরিবেশ তাদের দমিয়ে রাখতে পারেনি।
তারা দেখেছিল বাবার কাঠের গুঁড়ো মাখা ঘাম আর মায়ের দীর্ঘশ্বাস। তারা বুঝতে পেরেছিল, এই নরক থেকে বের হওয়ার একমাত্র চাবি হলো শিক্ষা।
রহমতের পাঁচ মেয়ের মধ্যে বড় দুই মেয়ে সব বাধা উপেক্ষা করে নিজেদের পড়াশোনা চালিয়ে গেছে।
আজ তারা উচ্চশিক্ষা শেষ করে সম্মানজনক চাকরিতে কর্মরত। তারা শুধু নিজেদের ভাগ্য ফেরায়নি, বরং ছোট ভাইবোনদের জন্য ছায়া হয়ে দাঁড়িয়েছে।
তবে সবচেয়ে বড় চমকটা ছিল মেজো ছেলের ক্ষেত্রে। শত অভাব আর পারিবারিক অশান্তির মাঝেও সে তার লক্ষ্য থেকে বিচ্যুত হয়নি।
দীর্ঘ সাধনার পর সে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ বিদ্যাপীঠ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সুযোগ পেয়েছে।
যেদিন ছেলেটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির খবর নিয়ে এলো, সেদিন যেন রহমত আর মরিয়মের বহু বছরের জমাটবদ্ধ অন্ধকার কেটে গেল। তারা একে অপরের দিকে তাকালেন,
কিন্তু আগের মতো ঘৃণা নিয়ে নয়, বরং একরাশ লজ্জা আর বিস্ময় নিয়ে। তারা অনুভব করলেন, যে সন্তানদের তারা অবহেলা করেছেন, যাদের সামনে তারা আদর্শ হতে পারেননি, সেই সন্তানরাই আজ তাদের মাথা উঁচু করে দিয়েছে।
কাঠ-মিস্ত্রি বাবার খসখসে হাত দুটো আজ গর্বে কাঁপছে। তারা বুঝলেন, দাম্পত্যের টানাপোড়েন আর ভুলের ঊর্ধ্বে গিয়েও সন্তানদের সুশিক্ষিত করা সম্ভব যদি সন্তানদের মনে অদম্য ইচ্ছা থাকে।

17/01/2026
12/01/2026
20/10/2025

নিদারাবাদ হত্যাকাণ্ড/১৯৮৭:

১৯৮৭ সালে ব্রাহ্মণবাড়িয়া হিন্দু পরিবারের ৭ জন হত্যাকান্ড।
১৯৮৭ সালে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নিদারাবাদ গ্রামে একটি হিন্দু পরিবারের সাতজনকে হত্যা করা হয়েছিল
। এটি নিদারাবাদ হত্যাকাণ্ড নামে পরিচিত, যা বাংলাদেশের ইতিহাসের অন্যতম ভয়াবহ পারিবারিক হত্যাকাণ্ডগুলোর একটি।

হত্যাকাণ্ডের বিবরণ:

• ১৯৮৭ সালে শুরু: বিজয়নগর উপজেলার নিদারাবাদ গ্রামের হিন্দু ধর্মাবলম্বী শশাঙ্ক দেবনাথকে প্রথমে অপহরণ করে হত্যা করা হয়। তার জমি দখল করার উদ্দেশ্যে স্থানীয় কিছু দুর্বৃত্ত এই কাজ করে। তার নিখোঁজ হওয়ার পর তার স্ত্রী বিরজাবালা দেবনাথ একটি অপহরন মামলা করেন এবং পরিবারের বাকি সদস্যরা জমি দখলের এই প্রচেষ্টার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেন।

• ১৯৮৯ সালে দ্বিতীয় হত্যাকাণ্ড:
শশাঙ্কের নিখোঁজ হওয়ার প্রায় দুই বছর পর, ১৯৮৯ সালের ৬ সেপ্টেম্বর স্থানীয় দুর্বৃত্তদের একটি দল বিরজাবালা ও তার পাঁচ সন্তানকে হত্যা করে। এই দলটি স্থানীয় ভূমিদস্যু তাজুল ইসলামের নেতৃত্বে ছিল। বিরজাবালা তার পেটে গর্ভধারণ করেছিলেন, ফলে এই হত্যাকাণ্ডের শিকার হন মোট সাতজন।

• হত্যাকাণ্ডের পদ্ধতি:
ঘাতকরা বিরজাবালা এবং তার সন্তানদেরকে বাড়ি থেকে টেনে নিয়ে যায়। তাদের হাত-পা বেঁধে স্থানীয় ধোপাজুরি বিলের কাছে নিয়ে যাওয়া হয় এবং সেখানে ধারালো অস্ত্র দিয়ে বিরজবালা সহ তার ৫ সন্তান কে হত্যা করা হয়।হত্যা করে তেলের ড্রামে চুন ব্যাবহার করে নদীতে ডুবিয়ে দেওয়া হয়।
পরবর্তীতে একটি নৌকার সাথে ধাক্কা খেয়ে ভেসে উঠে।

বিচার প্রক্রিয়া:

২৮শে সেপ্টেম্বর ২০১২ তারিখে, একজন অপরাধী, ইদ্রিস পাটোয়ারী, বাগদিয়া গ্রামের তার বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার হন এবং তাকে শাস্তি দেওয়া হয়।

Address


Telephone

01736196050

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Zamadar mahbub posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Zamadar mahbub:

  • Want your business to be the top-listed Autos & Automotive Service?

Share