Lube Oil "Officers Club In Bangladesh"

Lube Oil "Officers Club In Bangladesh" Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Lube Oil "Officers Club In Bangladesh", Oil Lube & Filter Service, Motijheel Commercial Area, Dhaka.

❄️ শীতকালে মোটরসাইকেলে মিনারেল নাকি সিনথেটিক ইঞ্জিন অয়েল ভালো?কোন তাপমাত্রায় কোন গ্রেড ব্যবহার করবেন, পারফরম্যান্সের পার...
29/11/2025

❄️ শীতকালে মোটরসাইকেলে মিনারেল নাকি সিনথেটিক ইঞ্জিন অয়েল ভালো?
কোন তাপমাত্রায় কোন গ্রেড ব্যবহার করবেন, পারফরম্যান্সের পার্থক্য ও বাংলাদেশি রাইডারদের জন্য সেরা সুপারিশ

বাংলাদেশে শীতকাল খুব তীব্র না হলেও দেশের উত্তরাঞ্চলে তাপমাত্রা নেমে যায় ১২°C থেকে ১৮°C পর্যন্ত। এই সময় অনেক রাইডারের প্রধান প্রশ্ন—
“শীতে কোন ইঞ্জিন অয়েল ভালো—মিনারেল না সিনথেটিক?”

এই আর্টিকেলে সহজ ভাষায় আলোচনা করা হলো—

শীতে ইঞ্জিন অয়েল কেন বদলানো প্রয়োজন

মিনারেল বনাম সিনথেটিক অয়েল—কোনটা কেমন

কোন গ্রেড ব্যবহার করলে ইঞ্জিন পারফরম্যান্স ভালো থাকে

শীতের জন্য বাংলাদেশে সেরা সুপারিশ

🔧 ❄️ শীতে ইঞ্জিন অয়েল বদলানোর প্রয়োজন কেন?

শীতকালে ইঞ্জিন ঠান্ডা থাকে, ফলে অয়েলের ঘনত্ব (viscosity) বাড়ে। এর কারণে—

ইঞ্জিন স্টার্ট নিতে দেরি হয়

অয়েল দ্রুত সার্কুলেট হতে পারে না

কোল্ড-স্টার্ট ওয়্যার বাড়ে

ইঞ্জিন শব্দ বৃদ্ধি পায়

মাইলেজ কমে যায়

এই সমস্যাগুলো এড়াতে লো-ভিসকসিটি অয়েল (যেমন 10W বা 5W গ্রেড) ব্যবহার করা উত্তম।

🛢 মিনারেল vs সিনথেটিক — শীতে কোনটা ভালো?
🔹 মিনারেল ইঞ্জিন অয়েল (Mineral Oil)

মিনারেল অয়েলের ঘনত্ব তুলনামূলক বেশি, তাই শীতের সকালে দ্রুত পাতলা হতে সময় নেয়।

সুবিধা
✔ দাম কম
✔ পুরনো ইঞ্জিনে ভাল কাজ করে
✔ 1500–2000 কিমি পর পর পরিবর্তন করা যায়

শীতে সমস্যা
✘ কোল্ড স্টার্ট ধীর
✘ অয়েল সার্কুলেশন দেরিতে হয়
✘ ইঞ্জিন ওয়্যার বাড়ে
✘ মাইলেজ কমে

👉 ৫–৭ বছরের পুরনো বাইক বা ইঞ্জিনের কন্ডিশন দুর্বল হলে মিনারেল অয়েল ব্যবহার করা যেতে পারে।

🔹 সিনথেটিক ইঞ্জিন অয়েল (Synthetic Oil)

শীতকালে সিনথেটিক অয়েল দ্রুত পাতলা হয়, ফলে কোল্ড-স্টার্টে ইঞ্জিন খুব দ্রুত লুব্রিকেট হয়।

সুবিধা
✔ কোল্ড-স্টার্ট পারফরম্যান্স অসাধারণ
✔ ইঞ্জিন ওয়্যার কমায়
✔ হাই টেম্পারেচারে স্টেবল
✔ মাইলেজ বাড়ায়
✔ 3000–5000 কিমি পর্যন্ত ব্যবহারযোগ্য

শীতে কেন সেরা?

কম তাপমাত্রায় দ্রুত ফ্লো হয়

ইঞ্জিনকে দ্রুত গরম হতে সাহায্য করে

অয়েল পাম্পে চাপ কম পড়ে

ইঞ্জিন শক্তি বাড়ায়

👉 নতুন বাইক, FI ইঞ্জিন ও লং-রাইডারদের জন্য শীতে সিনথেটিক অয়েল এক কথায় Best।

🧪 শীতকালে কোন গ্রেডের ইঞ্জিন অয়েল ব্যবহার করবেন?

বাংলাদেশের তাপমাত্রা (১২°C–১৮°C) অনুযায়ী সুপারিশ:

✔ 10W-40 → শীত + নরমাল/লং রাইডিং (সবচেয়ে ব্যালান্সড)
✔ 10W-30 → FI ইঞ্জিন, মাইলেজ কেয়ার রাইডার
✔ 5W-40 / 5W-30 → অত্যন্ত ঠান্ডা অঞ্চল (পঞ্চগড়, দিনাজপুর), প্রিমিয়াম বাইক
🚫 শীতে 20W-40 বা 20W-50 কেন এড়ানো উচিত?

কারণ এগুলোর ভিসকসিটি বেশি (ঠান্ডায় আরও ঘন হয়ে যায়):

কোল্ড-স্টার্ট কঠিন

ইঞ্জিন নকিং

অয়েল সার্কুলেশন ধীর

মাইলেজ কমে

🏁 উপসংহার (Conclusion)

বাংলাদেশের শীতের জন্য সবচেয়ে আদর্শ ইঞ্জিন অয়েল হলো:

⭐ সিনথেটিক 10W-40 বা 10W-30

কারণ এটি—

কোল্ড-স্টার্টে দ্রুত ফ্লো

ওয়্যার কমায়

মাইলেজ বাড়ায়

শীতজুড়ে পারফরম্যান্স স্টেবল রাখে

👉 নতুন বাইক / FI ইঞ্জিন / লং রাইডার—সিনথেটিক 10W-40 / 10W-30 – Best Choice
👉 পুরনো ইঞ্জিন / বাজেট কম—মিনারেল 10W-40 ব্যবহার করা যেতে পারে

জরুরি নিয়োগ...𝐔𝐫𝐠𝐞𝐧𝐭 𝐧𝐞𝐞𝐝: (Only Female)Call Center Executive& Ledger Book Maintenance Vacancy: 2𝐂𝐨𝐦𝐩𝐚𝐧𝐲 𝐍𝐚𝐦𝐞:SKS Lubric...
13/08/2025

জরুরি নিয়োগ...

𝐔𝐫𝐠𝐞𝐧𝐭 𝐧𝐞𝐞𝐝:
(Only Female)

Call Center Executive
& Ledger Book Maintenance

Vacancy: 2

𝐂𝐨𝐦𝐩𝐚𝐧𝐲 𝐍𝐚𝐦𝐞:
SKS Lubricants Industries (L**e One)

𝐎𝐟𝐟𝐢𝐜𝐞 𝐋𝐨𝐜𝐚𝐭𝐢𝐨𝐧 - Motijheel, Dhaka.

𝐄𝐝𝐮𝐜𝐚𝐭𝐢𝐨𝐧𝐚𝐥 𝐪𝐮𝐚𝐥𝐢𝐟𝐢𝐜𝐚𝐭𝐢𝐨𝐧:
-Bachelor/Honors
-Skills Required: Customer Support/ Client Service, Call Support, & Ledger Book Maintenance.

𝐁𝐚𝐬𝐢𝐜 𝐑𝐞𝐪𝐮𝐢𝐫𝐞𝐦𝐞𝐧𝐭𝐬:
1. Good voice and clear communication skills in Bangla.
2. Ability to handle customer calls politely and professionally.
3. Positive attitude and willingness to learn.

𝐒𝐨𝐟𝐭𝐰𝐚𝐫𝐞 𝐒𝐤𝐢𝐥𝐥𝐬:
Microsoft Word & Basic Excel.

𝐒𝐚𝐥𝐚𝐫𝐲: 10000-15000/-
(Negotiable)

-Other facilities as per company policy.

* No student should apply while studying.

Web Site: www.skslubricants.com

𝐒𝐞𝐧𝐝 𝐲𝐨𝐮𝐫 𝐮𝐩𝐝𝐚𝐭𝐞𝐝 𝐂𝐕 :
[email protected]
OR 01810152592 (Only what's app)

11/02/2025

নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি

নিয়োগকারী:
SKS Lubricants Industires Ltd.
রোল:
কাস্টমার সাপোর্ট এক্সিকিউটিভ (মেয়ে)
চাকরির ধরণ:
ফুলটাইম
মাসিক বেতন:
৳ ১০,০০০ - ১২,০০০
প্রয়োজনীয় শিক্ষাগত যোগ্যতা:
এইচএসসি/ডিগ্রি
প্রয়োজনীয় চাকরির অভিজ্ঞতা (বছর):
১ বছর,
নতুনদের সুযোগ রয়েছে।
আবেদনের সময়সীমা:
2025-02-20
কাজের বিবরণী
জব লোকেশন – মতিঝিল, ঢাকা -১000
বয়সঃ ১৮ - ৩০ বছর।
জানা থাকতে হবেঃ
বেসিক কম্পিউটার ও ইন্টারনেট নলেজ।
কাস্টমার এর সঙ্গে কথা বলার পারদর্শী।
কাস্টোমারকে সন্তুষ্ট রাখার জন্য সব কলা কৌশল জানতে হবে।
প্রপার ট্রেনিং দেয়া হবে কাজ এর।
আমাদের পণ্য সম্পর্কে কাস্টমারদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেয়া।
আমাদের পণ্যের অর্ডার গ্রহণ করা এবং নির্দিষ্ট অর্ডার প্রসেসে আপডেট করা।
অফিসে এসে কাজ করবে. লোকেশন : মতিঝিল
যদি কেউ আগ্রহি থাক তাহলে cv মেইল করুন।
[email protected]
অফিস টাইম: সকাল 10.00 টা থেকে সন্ধ্যা 7.00 টা।

 #শীতকালে বাইকের যত্ন......দেশের বিভিন্ন জায়গায় শীতের আমেজ শুরু হয়ে গেছে। শীতকালে বাইক রাইডের ক্ষেত্রে বেশ কিছু সতর্কতা ...
03/12/2024

#শীতকালে বাইকের যত্ন......

দেশের বিভিন্ন জায়গায় শীতের আমেজ শুরু হয়ে গেছে। শীতকালে বাইক রাইডের ক্ষেত্রে বেশ কিছু সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে আপনাকে, কারণ বাইকার হিসেবে আপনার কিছু অসাবধানতাও হতে পারে বড় দুর্ঘটনা।
✅ বাইকের প্রস্তুতি: শীতের প্রধান সমস্যা বাইকের ইঞ্জিন ঠান্ডা করে দেয়া। প্রয়াসই সকাল বেলা বাইক স্টার্ট দিতে বেগ পেতে হয়। এবস্থায় যদি কিক স্টার্ট থাকে তা ব্যবহার করুন, অতিরিক্ত ঠান্ডায় এঞ্জিন ফ্রিজ হয়ে গেলে চোক টেনে স্টার্ট দেওয়া যেতে পারে। যাত্রা শুরুর আগে অবশ্যই কিছু সময়ের জন্য বাইকটি স্টার্ট দিয়ে রাখুন, এসময় থ্রটল ব্যবহার থেক বিরত থাকুন । বাইকের আইডল RPM সবসময় সঠিক মাত্রায় সেট রাখার চেষ্টা করবেন। এতে ইঞ্জিন গরম হবে এবং যাত্রাপথও আরামদায়ক হবে।
✅ চেইনের যত্ন: শীতে কুয়াশা কারনে বাইরে বাইক রাখলে মোটরসাইকেল ভিজে যায়। সাথে চেইন ও কিছুটা ভেজা ভেজা থাকে এতে জমে ধুলাবালি। ভিজে যাওয়ার ফলে অথবা অতিরিক্ত ময়লা ধরে লুব্রিকেন্ট কমে গিয়ে বাইকের চেইন অনেক সময় ছিঁড়ে যায়। সে জন্য অবশ্যই নিয়মিত বাইকের চেইনে লুব্রিকেন্ট বা গিয়ার অয়েল ব্যবহার করুন। নিয়মিত মাইক্রো ফাইবার কাপড দিয়ে বাইক মুছে রাখুন এতে বারবার ভেজা-শুকনো অবস্থার কারণে শাইন নষ্ট হবেনা।
✅ টায়ার: বাইকের টায়ার পরীক্ষা করা আপনার রুটিনের একটি অংশ করে নিন। শীতকালে নিয়মিত আপনার টায়ার প্রেশার চেক করুন এবং কম্পানী রেকমেন্ডেড প্রেশার মেইন্টেইন করুন। একটি টায়ার তখনই ভালো পারফর্ম করে যখন সেটি গরম হয়। টায়ারের প্রেশার কমে গেলে এতে ব্যাঘাত ঘটে এবং লম্বা সময়ে টায়ার অতি মাত্রায় ক্ষয় হয়।
✅ ব্যাটারির যত্ন নিন: মোটরসাইকেলের ব্যাটারি ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ। শীতে যেহেতু স্টার্টের কিছু সমস্যা তৈরী হয় তাই ব্যাটারিতে সব সময় পর্যাপ্ত চার্জ রাখতে হবে। কিকস্টার্ট থাকুক বা না থাকুক ব্যাটারিটি সম্পূর্ণ চার্জ রয়েছে কিনা তা অবশ্যই দেখে রাখবেন। যদি না থাকে তবে কোনো মেকানিকের কাছ থেকে সেটি চার্জ করানোর ব্যবস্থা করুন।
✅ ইঞ্জিন ওয়েল: মোটরসাইকেল কোম্পানীর দেওয়া মেন্যুয়াল অনুযায়ী সঠিক গ্রেডের ইঞ্জিন ওয়েল ব্যবহার করুন। নির্দিষ্ট পথ পাড়ি দেয়ার পর বদলে ফেলুন ইঞ্জিন ওয়েল। লং ট্যুরে দরুন ইঞ্জিন ওয়েলের লেভেল কমে যেতে পারে। সব সময় একই গ্রেড ও ব্র্যান্ডের ইঞ্জিন ওয়েল ব্যবহার করা ভালো।
✅ স্পার্ক প্লাগ: স্পার্ক প্লাগ ঠিকমতো কাজ করছে কিনা তা চেক করুন। শীতকালে বাইকের প্লাগ এর যত্ন নেওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দীর্ঘদিন ব্যবহারের পর এই যন্ত্রাংশটিতে ময়লা জমে যায় এতে হটাঠ করেই বাইক স্টার্ট দিতে অসুবিধা হতে পারে।
✅ হেডলাইট: শীতকালে কুয়াশায় ভিজে আবার শুকোনোর সময় হেডলাইটে ধুলাবালিতে আচ্ছাদিত হয়ে যায়, তাই বাইক চালানোর আগে ও পরে, হেডলাইট ভালো মতো পরিষ্কার করুন।

শুধুমাত্র মোটরসাইকেল কিনলে যে আর কিছু কিনতে হবে না তা চিন্তা করা ভুল। যদি আপনি নতুন মোটরসাইকেল কিনে থাকেন, তবে এটি অনেক ...
03/12/2024

শুধুমাত্র মোটরসাইকেল কিনলে যে আর কিছু কিনতে হবে না তা চিন্তা করা ভুল। যদি আপনি নতুন মোটরসাইকেল কিনে থাকেন, তবে এটি অনেক সময় মেরামত এর প্রয়োজন পড়ে। তার মানে আপনাকে অবশ্যই বাইক এর পার্টস কিনতে হবে।

আপনি ইচ্ছে করলেই একজন মোটরসাইকেল মেকানিক দিয়ে আপনার বাইক এর পার্টস কমদামে কিনিয়ে নিতে পারেন, এতে আপনি নিজে কিভাবে আপনার বাইক এর মেরামত করবেন তা শিখতে পারবেন না এবং প্রতিবার মেরামত করতে আপনাকে মোটা অংকের টাকা গুনতে হবে।

তাই প্রথমেই আপনাকে শিখতে হবে কিভাবে মোটরসাইকেল মেরামত করতে হয় এবং তার সাথে মোটরসাইকেল এর সঠিক পার্টস ক্রয় করা জানতে হবে। আপনি বাইক ম্যানুফেকচার কম্পানিতে অর্ডার করে আপনার মোটরসাইকেল পার্টস কিনতে পারেন। যে মডেল এর মোটরসাইকেল এর পার্টস ডিলার, অনলাইন শপ এ পাওয়া যায়।

সকল পার্টস এই তিন ধরনের ক্যাটাগরির মধ্যেই বিক্রি হয়ে থাকে। ১. ওইএম মোটরসাইকেল পার্টস ২. আফটার মার্কেট মোটরসাইকেল পার্টস ৩. ব্যবহৃত মোটরসাইকেল পার্টস এই তিন ধরনের পার্টস এর মধ্য থেকেই আপনার বাইক মেরামতের জন্য কোন পার্টসটি পরিবর্তন করবেন তা খুঁজে পাবেন। প্রায় পার্টসের সুবিধা এবং অসুবিধা রয়েছে।

ওইএম (OEM) মোটরসাইকেল পার্টস

বেশির ভাগ দোকান এবং মোটরসাইকেল পার্টস বিক্রেতা ওইএম মোটরসাইকেল পার্টস বিক্রি করে থাকে। ওইএম বলতে অরিজিনাল ইকুইপমেন্টস ম্যানুফেকচার বুঝায়। এর মানে সকল ওইএম পার্টস মোটরসাইকেল কম্পানি কর্তৃক তৈরি হয়ে থাকে। যেমন, ওইএম হোন্ডা মোটরসাইকেল পার্টস প্রস্তুত করে হোন্ডা কম্পানি। ওইএম পার্টস কেনা মানে আপনার বাইক এর যে পার্টসটি কিনবেন, তা পরিবর্তন করা। তবে আপনি একবারে নতুন ওইএম পার্টস পাবেন। এদের কিছু কিছু পার্টসে ওয়ারেন্টিও রয়েছে।

ওইএম মোটরসাইকেল পার্টস কিনার সুবিধা

ওইএম মোটরসাইকেল পার্টস কিনার সবচেয়ে বড় সুবিধা যে, এটি আপনার বাইকে সঠিকভাবে ফিট হবে। কারণ, এই পার্টসটি কম্পানি কর্তৃক আপনার বাইকের সাথে তৈরি করা হয়েছে। সাধারণভাবে, ওইএম মোটরসাইকেল পার্টস অনেকদিন পর্যন্ত স্থায়ী হয়। বাইক এর পার্টস রিপ্লেসমেন্ট এর জন্য ওইএম মোটরসাইকেল পার্টস কেনা সবচেয়ে ভালো। যেকোনো ধরনের পরিবর্তনের ক্ষেত্রে কোনো সমস্যা হয় না বা আপনি আরো বেশি ফিচার ব্যবহার করতে পারবেন। ওইএম মোটরসাইকেল পার্টসই হলো সুবিধাজনক পন্থা।

ওইএম মোটরসাইকেল পার্টস এর অসুবিধা

ওইএম পার্টস কেনার সবথেকে প্রধান সমস্যা এর খরচ অনেক বেশি। এ ছাড়াও ওইএম মোটরসাইকেল পার্টস সচরাচর পাওয়া যায় না। ওইএম মোটরসাইকেল পার্টস শুধুমাত্র মোটরসাইকেল এর ডিলার থেকে বিক্রি হয়ে থাকে। অন্যান্য ধরনের পার্টসগুলো আপনি অথোরাইজড ডিলার বা অনলাইনে এবং রিটেইল আউটলেট এ কমদামে পাওয়া যায়।

আফটার মার্কেট মোটরসাইকেল পার্টস

ওইএম পার্টস না পাওয়া গেলে, আপনার বাইকের অরিজিনাল পার্টস এর মতো অথোরাইজড পার্টস সাপ্লাইয়ারই হলো আফটার মার্কেট মোটরসাইকেল পার্টস। যা তৈরি হয় থার্ড পার্টি দ্বারা। আফটার মার্কেট মোটরসাইকেল পার্টস এর থার্ড পার্টি অথোরাইজড নয়, তবে কোন মাধ্যমে বাইক ম্যানুফেকচার কম্পানির সাথে তাদের সংযোগ থাকতে পারে। কিন্তু, কম্পানির জন্য তারা সঠিক ফিট মোটরসাইকেল পার্টস প্রস্তুত করে থাকে।

আফটার মার্কেট মোটরসাইকেল পার্টস সুবিধা

তারা বিভিন্ন কম্পানির আফটার মার্কেট মোটরসাইকেল পার্টস প্রস্তুত করে থাকে। আফটার মার্কেট পার্টস এর কিছু কিছু অনেম দাম এর রয়েছে। এগুলো অনেক ভালো মানের হয়ে থাকে। আফটার মার্কেট মোটরসাইকেল পার্টস কিনার আগে অবশ্যই আপনার ব্র্যান্ড সম্পর্কে নিশ্চিত হয়ে নিন। কিছু ব্র্যান্ড কমদামে পার্টস বিক্রি করে থাকে। যার ফলে এরা মার্কেট এ বেশি পরিচিত। আপনি অবশ্যই পার্টস কেনার আগে আপনার ব্র্যান্ড এর সম্পর্কে ভালো ভাবে জেনে নিন। আফটার মার্কেট মোটরসাইকেল পার্টস অনেকাংশে ওইএম পার্টস এর মতো ভালো মানের। আফটার মার্কেট পার্টস যেকোনো রিটেইলার এবং অনলাইন এ পাওয়া যায়।

>> বাইক নতুনের মতো রাখতে নিয়মিত পরিষ্কার করতে হবে। বাড়িতে না পারলে সার্ভিসিং সেন্টার থেকে বাইক ধুয়ে পরিষ্কার করুন। ধুলা ...
01/12/2024

>> বাইক নতুনের মতো রাখতে নিয়মিত পরিষ্কার করতে হবে। বাড়িতে না পারলে সার্ভিসিং সেন্টার থেকে বাইক ধুয়ে পরিষ্কার করুন। ধুলা ময়লা, কাদা লেগে বাইকের ভেতরে এবং অবশ্যই বাইরের অংশ পুরোনো দেখায়। নিয়মিত বাইক ধুয়ে পরিষ্কার করলে এমনিতেই বাইক চকচক করবে।
বাড়িতে বাইক ধুতে চাইলে সপ্তাহে একদিন কাজটি করতে পারেন। তবে এক্ষেত্রে ডিটারজেন্টের বদলে ওয়াশ জেল ব্যবহার করতে পারেন। বাইক ধোয়ার সময় নরম স্পঞ্জি ফোম ব্যবহার করুন। তাহলে বাইকের রঙের কোনো ক্ষতি হবে না। শক্ত কাপড় বা স্ক্রাব ব্যবহার করলে বাইকে স্ক্র্যাচ পড়ে যেতে পারে।

সবসময় বাইক ছায়াযুক্ত স্থানে পার্ক করুন। কড়া রোদে বাইকের চকচকে ভাব ম্লান হয়ে যায়। চাইলে ঢেকে রাখতে পারেন পার্কিংয়ের সময়। এছাড়াও সূর্যের অতি বেগুনিরশ্মিতে বাইকের শাইনিভাব রক্ষা করতে অ্যান্টি-ইউভি পালিশ ব্যবহার করতে পারেন।

>> বাইকের বিভিন্ন যন্ত্রাংশ, টায়ার নিয়মিত পরিষ্কার করুন। বেশি পুরোনো হলে বদলে ফেলুন। এতে বাইকের লুক পরিবর্তন হবে এবং নতুন লাগবে।

বাইক যেমন রোদের ভেতর পার্ক করবেন না তেমনি অনেক বৃষ্টির ভেতরও বাইক পার্ক করবেন না। এতে বাইকের শাইনিং কমে যায়।

>> চেষ্টা করুন বাইকের কভার ব্যবহার করতে। এতে বাইকে ধুলা-বালি কম পড়বে। পরিষ্কার করতেও সুবিধা হবে। তবে খেয়াল রাখবেন বেশি শক্ত কভার ব্যবহার করা যাবে না। এতে কভারের ঘষায় বাইকের রং নষ্ট হতে পারে। স্ক্র্যাচও পড়তেও পারে বিভিন্ন জায়গায়।

সঠিক প্রতিরক্ষামূলক গিয়ার শুধুমাত্র রাইডারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে না বরং প্রতিদিনের যাতায়াতের জন্য আরাম এবং ব্যবহারিক...
28/11/2024

সঠিক প্রতিরক্ষামূলক গিয়ার শুধুমাত্র রাইডারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে না বরং প্রতিদিনের যাতায়াতের জন্য আরাম এবং ব্যবহারিকতা যোগ করে।

1. হেলমেট:

নিরাপত্তা গিয়ারের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ হল হেলমেট। বাংলাদেশে, হেলমেট বাধ্যতামূলক, কিন্তু অনেক যাত্রী এখনও সস্তা, কম সুরক্ষামূলক মডেল বেছে নেয়। ECE বা DOT-এর মতো যথাযথ সার্টিফিকেশন সহ একটি ভাল ফিট করা হেলমেট আরাম এবং নিরাপত্তা উভয়ই নিশ্চিত করে। ফুল-ফেস হেলমেটগুলি উচ্চতর সুরক্ষা প্রদান করে এবং বাতাস এবং শব্দ কমাতে সাহায্য করে, যা ঢাকার যানবাহনে দীর্ঘ যাত্রাকে সহনীয় করে তুলতে পারে।

2. রাইডিং গ্লাভস:

প্রায়শই উপেক্ষা করা হয়, সঠিক গ্রিপ বজায় রাখার জন্য এবং দুর্ঘটনার ক্ষেত্রে আপনার হাতকে ফোস্কা, ঠান্ডা এবং আঘাত থেকে রক্ষা করার জন্য গ্লাভস গুরুত্বপূর্ণ। ঢাকার আর্দ্র আবহাওয়ার জন্য, শ্বাস-প্রশ্বাসের উপকরণ সহ গ্লাভস আদর্শ, মানে বাতাস চলাচল করতে পারে এই ধরনের। এ ক্ষেত্রে হালকা ওজনের, জাল গ্লাভস বেছে নিতে পারে যা বায়ুচলাচল এবং সুরক্ষা উভয়ই সরবরাহ করে।

3. রাইডিং জ্যাকেট:

যদিও অনেক যাত্রী শহরের গরম আবহাওয়ায় জ্যাকেট অপ্রয়োজনীয় মনে করতে পারে, তবে হালকা ওজনের জাল/ ম্যাস রাইডিং জ্যাকেট অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ৷ অন্তর্নির্মিত বর্ম সহ জ্যাকেট কনুই, কাঁধ এবং পিঠ রক্ষা করে, পড়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে নিরাপত্তা প্রদান করে। আধুনিক রাইডিং জ্যাকেটগুলি বায়ুচলাচল সহ ডিজাইন করা হয়েছে, যা সুরক্ষা নিশ্চিত করার সাথে সাথে ঢাকার উষ্ণ আবহাওয়ার জন্য উপযুক্ত।

4. রাইডিং বুট:

মজবুত রাইডিং বুট দুর্ঘটনার ক্ষেত্রে পা এবং গোড়ালিকে রক্ষা করে এবং বাইকের ফুটপেগগুলিতে আরও ভাল গ্রিপ প্রদান করে। প্রতিদিনের যাতায়াতের জন্য, রাইডাররা ছোট গোড়ালি-দৈর্ঘ্যের বুট বেছে নিতে পারেন, যা বাইক চালানো এবং হাঁটা উভয়ের জন্যই আরামদায়ক।

5. বৃষ্টির গিয়ার:

ঢাকার অপ্রত্যাশিত আবহাওয়া বাইক রাইদের চিন্তার কারন হয় সব সময়। এই রোদ ত এই বৃষ্টি। তাই সাথে রাখতে পারেন হালকা ওজনের, জলরোধী রেইন স্যুট যা ব্যাকপ্যাকে সহজেই সংরক্ষণ করা যায়। মনে রাখবেন বর্ষা মৌসুমে এটি জীবন রক্ষাকারী গেজেড।

সঠিক গিয়ার নিশ্চিত করে যে, ঢাকায় মোটরসাইকেল যাতায়াত আরও নিরাপদ এবং আরামদায়ক। এটি নিরাপত্তায় একটি বিনিয়োগ ও প্রতিদিনের ট্রাফিকের অনিশ্চয়তার বিরুদ্ধে সুরক্ষা প্রদান করে।

শুধুমাত্র মোটরসাইকেল কিনলে যে আর কিছু কিনতে হবে না তা চিন্তা করা ভুল।আপনাকে শিখতে হবে কিভাবে মোটরসাইকেল মেরামত করতে হয় এ...
27/11/2024

শুধুমাত্র মোটরসাইকেল কিনলে যে আর কিছু কিনতে হবে না তা চিন্তা করা ভুল।আপনাকে শিখতে হবে কিভাবে মোটরসাইকেল মেরামত করতে হয় এবং তার সাথে মোটরসাইকেল এর সঠিক পার্টস ক্রয় করা জানতে হবে।
শুধুমাত্র মোটরসাইকেল কিনলে যে আর কিছু কিনতে হবে না তা চিন্তা করা ভুল। যদি আপনি নতুন মোটরসাইকেল কিনে থাকেন, তবে এটি অনেক সময় মেরামত এর প্রয়োজন পড়ে। তার মানে আপনাকে অবশ্যই বাইক এর পার্টস কিনতে হবে।

আপনি ইচ্ছে করলেই একজন মোটরসাইকেল মেকানিক দিয়ে আপনার বাইক এর পার্টস কমদামে কিনিয়ে নিতে পারেন, এতে আপনি নিজে কিভাবে আপনার বাইক এর মেরামত করবেন তা শিখতে পারবেন না এবং প্রতিবার মেরামত করতে আপনাকে মোটা অংকের টাকা গুনতে হবে।

জয়েন করুন ৬০ হাজারের বেশি বাইকারের গ্রুপ কিউরিয়াস বাইকার

তাই প্রথমেই আপনাকে শিখতে হবে কিভাবে মোটরসাইকেল মেরামত করতে হয় এবং তার সাথে মোটরসাইকেল এর সঠিক পার্টস ক্রয় করা জানতে হবে। আপনি বাইক ম্যানুফেকচার কম্পানিতে অর্ডার করে আপনার মোটরসাইকেল পার্টস কিনতে পারেন। যে মডেল এর মোটরসাইকেল এর পার্টস ডিলার, অনলাইন শপ এ পাওয়া যায়।

সকল পার্টস এই তিন ধরনের ক্যাটাগরির মধ্যেই বিক্রি হয়ে থাকে। ১. ওইএম মোটরসাইকেল পার্টস ২. আফটার মার্কেট মোটরসাইকেল পার্টস ৩. ব্যবহৃত মোটরসাইকেল পার্টস এই তিন ধরনের পার্টস এর মধ্য থেকেই আপনার বাইক মেরামতের জন্য কোন পার্টসটি পরিবর্তন করবেন তা খুঁজে পাবেন। প্রায় পার্টসের সুবিধা এবং অসুবিধা রয়েছে।

ওইএম (OEM) মোটরসাইকেল পার্টস

বেশির ভাগ দোকান এবং মোটরসাইকেল পার্টস বিক্রেতা ওইএম মোটরসাইকেল পার্টস বিক্রি করে থাকে। ওইএম বলতে অরিজিনাল ইকুইপমেন্টস ম্যানুফেকচার বুঝায়। এর মানে সকল ওইএম পার্টস মোটরসাইকেল কম্পানি কর্তৃক তৈরি হয়ে থাকে। যেমন, ওইএম হোন্ডা মোটরসাইকেল পার্টস প্রস্তুত করে হোন্ডা কম্পানি। ওইএম পার্টস কেনা মানে আপনার বাইক এর যে পার্টসটি কিনবেন, তা পরিবর্তন করা। তবে আপনি একবারে নতুন ওইএম পার্টস পাবেন। এদের কিছু কিছু পার্টসে ওয়ারেন্টিও রয়েছে।

মোটর সাইকেলের গুরুত্বপূর্ণ একটি জিনিস হলো ইঞ্জিন অয়েল। মোটর সাইকেল বা মোটর বাইকে ইঞ্জিন অয়েলের কাজ হলো ইঞ্জিনকে পিচ্ছিল ...
26/11/2024

মোটর সাইকেলের গুরুত্বপূর্ণ একটি জিনিস হলো ইঞ্জিন অয়েল। মোটর সাইকেল বা মোটর বাইকে ইঞ্জিন অয়েলের কাজ হলো ইঞ্জিনকে পিচ্ছিল রাখা যেন সহজে ইঞ্জিনের পার্টস মুভমেন্ট হয়। এবং একই সাথে এই ইঞ্জিন অয়েল ইঞ্জিনকে ঠান্ডা রাখতে সাহায্য করে। এছাড়া সঠিক আউটপুট পাওয়ার জন্য ইঞ্জিনের ভেতরে ময়লা জমলে ইঞ্জিন অয়েল সেটা পরিষ্কার করে। ইঞ্জিন অয়েলের মূল নাম হলো মোটর ওয়েল বা ইঞ্জিন লুব্রিকেন্ট কিংবা ইঞ্জিন অয়েল।

ইঞ্জিন অয়েল বা মোটর অয়েল যেটাই বলি না কেন এর গ্রেড নম্বর এবং সঠিক ব্যবহার নিয়ে অনেকের মনেই প্রশ্ন জাগে। অনেকেই অতি উৎসাহী এই ব্যাপারটায়। সবাই জানতে চায় তার মোটর সাইকেল, বাইক কিংবা গাড়ির জন্য কোন গ্রেডের ইঞ্জিন অয়েল ভালো হবে। আজ আমরা আলোচনা করবো এই ইঞ্জিন অয়েলের গ্রেড এবং সঠিক ব্যবহার নিয়ে।

10W-30 : এটি ইঞ্জিন অয়েলের একটি বিখ্যাত ব্র্যান্ড। এখানে 10W দিয়ে বোঝানো হয়েছে শূন্য ডিগ্রী সে. তাপমাত্রায় অয়েল কতটুকু জমে যাবে তার মাত্রা। এই W মানে winter কে বোঝানো হয়েছে। কিন্তু অনেকের একটা ভুল ধারণা w এর মানে (weight). কিন্তু এই w দিয়ে winter ই বোঝানো হয়। এই W এর স্কেল 0 হতে 20 পর্যন্ত হয়ে থাকে। এখানে লগারিদম ভিত্তিক নাম্বার যত কম হবে সেই ইঞ্জিন অয়েল তীব্র ঠান্ডার মাঝেও সহজে ঘন হয়ে জমবে না বরং পাতলা তরল ফর্মেশনে থাকবে এবং ইঞ্জিন স্টার্টাপের সময় খুব দ্রুত সার্কুলেশন হবে যেটা ইঞ্জিনের জন্য জরুরী।

10W-30 এখানে w এর পরের দুটি সংখ্যা দিয়ে তেল এর থার্মাল ভিসকোসিটি উইথস্ট্যান্ড ক্যাপাসিটি বোঝানো হয়।

ইঞ্জিন অয়েল গ্রেড :
পেট্রোল ইঞ্জিন অর্থাৎ বাইকের ইঞ্জিন অয়েল গ্রেডগুলো হলো SA, SB, SC, SD, SE, SF, SG, SH, SJ, SL এবং SM। বেশির ভাগ মানুষ API/SAE-SL/SM (JASO MA or MA2) কোডের ইঞ্জিন অয়েল ব্যবহার করেন এবং উক্ত কোডের মধ্য SM গ্রেডের অয়েল তুলনামূলক ভাবে ভালো। এটার ভালো অক্সিডেশন রেসিসটান্স আছে, ডেপোজিট ও ওয়ার প্রটেকশন করে আবার কম তাপমাত্রায় ভালো কাজ করে। বাংলাদেশের বাইকগুলো যেহেতু ম্যাক্সিমাম ইন্ডিয়ান এবং ইন্ডিয়ার সবগুলো বাইকই ওয়েট ক্লাচ সিস্টেমের সুতরাং আমাদের এই বিষয়টা খেয়াল করে ইঞ্জিন অয়েল ব্যবহার করতে হবে। যার যে বাইক এবং সেই বাইক কোম্পানি যে ইঞ্জিন অয়েল ব্যবহার করতে রিকমেন্ড করে সেই টাইপের ইঞ্জিন অয়েল ব্যবহার করা ভালো।

বিভিন্ন কোয়ালিটি এবং বিভিন্ন গ্রেডের জন্য নিচের ইনফরমেশন থেকে জানা যায় ওই গ্রেড বা ওই ইঞ্জিন অয়েল উক্ত তাপমাত্রার নিচে কাজ করে না।

0° C(32° F) – 5W-20, 5W-30, 10W-30,10W-40,20W-50

-18° C (0° F) – 5W-20, 5W-30, 10W-30, 10W-40.

BELOW -18° C (0° F) – 5W-20, 5W-30. আবার একই গ্রেডে কিছু ভিন্ন টাইপের অয়েল আছে। যা এদের উপাদান এবং তৈরি পদ্ধতির জন্য ভিন্ন হয়।

ইঞ্জিন অয়েলের ক্লাসিফিকেশন :
সাধারণত যেসব ইঞ্জিন অয়েল ব্যবহার করা হয় সেগুলোর কোড হল SAE, JASO, MA, MA2, 20W40, 20W50,10W30 ইত্যাদি। এসব কোড ইঞ্জিন অয়েলের কনটেইনারে লেখা থাকে। যেগুলো দ্বারা ওই ইঞ্জিন অয়েল কোন প্রকারের এবং কি জন্য ব্যবহার করা হয় জানা যায়। আসুন আমরা কমন কিছু ইঞ্জিন অয়েলের ক্লাসিফিকেশন জেনে নিই।

ইঞ্জিন অয়েল (Engine Oil) হলো একটি লুব্রিকেন্ট (lubricant) যা ইঞ্জিনের ভেতরের বিভিন্ন অংশে ঘর্ষণ কমাতে এবং চলমান অংশগুলোর...
26/11/2024

ইঞ্জিন অয়েল (Engine Oil) হলো একটি লুব্রিকেন্ট (lubricant) যা ইঞ্জিনের ভেতরের বিভিন্ন অংশে ঘর্ষণ কমাতে এবং চলমান অংশগুলোর সঠিকভাবে কাজ করার জন্য প্রয়োজনীয় তেল। এটি ইঞ্জিনের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ কাজ সম্পন্ন করে, যেমন:

ঘর্ষণ কমানো: ইঞ্জিনের যন্ত্রাংশ যেমন পিস্টন, ক্র্যাঙ্কশ্যাফট, এবং ভালভগুলির মধ্যে ঘর্ষণ বা friction কমানোর জন্য ইঞ্জিন অয়েল ব্যবহার করা হয়। এটি যন্ত্রাংশের ক্ষয়ও কমায়।

তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ: ইঞ্জিনের বিভিন্ন অংশ গরম হয়ে যায়, ইঞ্জিন অয়েল তাপ শোষণ করে তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।

ময়লা পরিস্কার করা: ইঞ্জিনে ময়লা ও ধুলো জমে যায়, যা ইঞ্জিনের কার্যক্ষমতা কমিয়ে দেয়। ইঞ্জিন অয়েল ময়লা সংগ্রহ করে ফিল্টারের মাধ্যমে বের করে দেয়।

জারা প্রতিরোধ: ইঞ্জিনের বিভিন্ন ধাতু অংশে অক্সিডেশন বা মরচে পড়া রোধ করতে ইঞ্জিন অয়েল সাহায্য করে।

অক্সিডেশন প্রতিরোধ: এটি তেলকে অক্সিডাইজ হতে বা গা dark হতে বাধা দেয়, যার ফলে তেলের কার্যক্ষমতা দীর্ঘস্থায়ী হয়।

ইঞ্জিন অয়েল বিভিন্ন ধরনের হতে পারে, যেমন সেমি-সিনথেটিক, ফুল সিনথেটিক এবং কনভেনশানাল (বিশুদ্ধ)। এর গুণাগুণ এবং ব্যবহার নির্ভর করে ইঞ্জিনের ধরন এবং ব্যবহারকারীর প্রয়োজনের ওপর।

Address

Motijheel Commercial Area
Dhaka
1000

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Lube Oil "Officers Club In Bangladesh" posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share