07/10/2026
এগুলো স্রেফ আত্মঘাতী সিদ্ধান্ত ছাড়া আর কিছুই না। অটোরিকশাকে কোনোদিনই কোনো কার্যকর নীতিমালা বা নিয়ন্ত্রণের আওতায় আনা সম্ভব না। এদেরকে একবার এলাউ করে দিয়ে যতই নীতিমালা, নিয়ন্ত্রণ আর ব্যবস্থাপনার আলোচনা করা হোক, পরিস্থিতি ততই ঘোলাটে হবে এবং ধীরে ধীরে পুরো বিষয়টাই নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাবে।
ধরে নিলাম, মূল সড়ক ও মহাসড়ক থেকে অটোরিকশা নিষিদ্ধ করতে সমর্থ হলেন। তারপর এই লক্ষ লক্ষ অটোরিকশা যাবে কোথায়? স্বাভাবিকভাবেই সবগুলো লোকাল রোডে ঢুকে পড়বে। তখন পরিস্থিতি কেমন হবে, সেটা কি একবার ভেবে দেখেছেন? সেখানে মানুষ স্বাভাবিকভাবে হাঁটতে পারবে? গাড়ি নিয়ে নিজের বাসার পার্কিং পর্যন্ত যেতে পারবে? মাত্র ৫০০ মিটার রাস্তা যেতে ৪০ মিনিট সময় লাগবে!
অর্থাৎ সমস্যার সমাধান তো হবেই না, বরং পরিস্থিতি আরও জটিল, ভয়াবহ এবং ম্যাসাকার হয়ে যাবে।
অটোরিকশার বিরুদ্ধে একমাত্র কার্যকর সমাধান হচ্ছে এগুলো স্ক্র্যাপ করে ফেলা এবং শক্তভাবে স্থায়ীভাবে নিষিদ্ধ করা। প্যাডেল রিকশা চলবে, এর বাইরে অটোরিকশার জন্য কোনো ছাড় দেওয়া উচিত নয়।
এছাড়া যত ধরনের নীতিমালা, লাইসেন্স, রেজিস্ট্রেশন, নিয়ন্ত্রণ বা ব্যবস্থাপনার কথাই বলা হোক না কেন, এই অটোরিকশা চালক ও মালিকদের কার্যকরভাবে নিয়ন্ত্রণের মধ্যে এনে বাস্তবসম্মত কোনো নীতিমালার অধীনে রাখা সম্ভব নয়। সময় যত যাবে, সংখ্যা তত বাড়বে এবং পরিস্থিতি আরও খারাপ হবে।
এখনই কঠোর সিদ্ধান্ত না নিলে পরে পরিস্থিতি সামলানো আরও কঠিন হবে।