AcciGone - 80% less road accidents in 5 years, with technology.

AcciGone - 80% less road accidents in 5 years, with technology. AcciGone - global teams of top designers, researchers, engineers, strategists - to improve road safet

২০২৪ এ দ্বিতীয়বার স্বাধীন হবার পর, আমাদের উদ্যম অন্যরকমের। আমি এবং আমাদের আসে পাশের আই টি ভাই ব্রাদারদের নিয়ে শুরু করি...
07/09/2024

২০২৪ এ দ্বিতীয়বার স্বাধীন হবার পর, আমাদের উদ্যম অন্যরকমের। আমি এবং আমাদের আসে পাশের আই টি ভাই ব্রাদারদের নিয়ে শুরু করি বাংলাদেশ ২.০ এর জন্য কিছু। যেমন: ট্রাফিক ম্যানেজমেন্ট, রোড সেফটি, তার বিহীন ইন্টারনেট; JaduPc আর ShopnoOS তো আছেই।

দেশ এবং জাতির সেবা মূলক কাজ করছি অনেকদিন ধরেই: JaduPc: $50 Computer to Change the World, দুই স্টার্ট আপের আমি ফাউন্ডার।

JaduPc, acciGone এগুলো করতে giye, সাথে পিয়েছি কিছু দূর্দান্ত কো-ফাউন্ডার এবং টিম মেম্বার। উনাদের অনেকের নাম আগেই শুনেছেন, কিছু নতুন যোগদান করেছেন: Ragib Ehsan, Asif Atick, Saikat, Sadat, Adib, Maksud, the latest silver fox Suhrid Bhai এবং সত্যি বলতে সাথে আছে আরও প্রায় ৩০০ জন।

আমার, আমাদের কর্ম ক্ষেত্র আই টি বা আই সি টি, আরও নির্দিষ্ট ভাবে বললে স্টার্টআপ। আইটি বা আই সি টি টেকনোলোজি সংক্রান্ত সরকারী কাজ অবশ্যই আই সি টি মন্ত্রণালয়ে। আমাদের ছিল ইন্টারনেট বন্ধ করা, ১৫% কমিশন নেয়া মন্ত্রী ‘ফলক‘। আই সি টি খাতে সরকারী দূর্নীতি ছিল অনেক। ছিল BAL এর লোকদের দৌরাত্ম্য। বৈষম্য ছিল ব্যাপক।

ভুল বুঝবেন না, BAL এর লাইন ঘাট আমরাও খুঁজতেছিলাম ঠিক-ই। আমাদের পরিচিত এক ছোট্ট BAL এর নেতা ছিল : যার গ্রামের বাড়ীর স্কুলে আমরা ৩ টা JaduPc দেই।

একজন সাবেক ছাত্রলীগ নেতার মাধ্যমেও চেষ্টাও চলছিল পলক এবং জয়ের সান্নিধ্য পাবার। কিন্তু দূর্নীতি করার জন্য, আমার, আমাদের মনের জোর একটু কম ছিল। বেশী ধাক্কাধাক্কি বা চেষ্টা আসলে করি নাই। ইলিয়নের পাঞ্জাবী দেই নাই, রুহ আফজা নিজের টিম নিয়ে খাই ফেলসি।

ড. ইউনুস সরকার গঠনের পর আমাদের সবার আচরণ একটু হলেও বদলে গেল। আমরা নতুন ভাবে উজ্জীবিত হইলাম। আমাদের চিন্তা হল, বাস্তবে দখি তো - বৈষম্য বিহীন বাংলাদেশ আসলে কেমন? কেমন হবে ড. ইউনূস, আসিফ নজরুল এবং ছাত্র জনতার সরকার? নিজেরাই তাই ১ সেপ্টম্বর আমরা ১৩ জনের একটা দল গিয়ে হাজির হই আই সি টি মন্ত্রণালয় অফিসে।

রাগিব কানাডা চলে যাবার আগেই প্রথমবার নিজেরাই গিয়ে হাজির হলাম আগারগাও আই সি টি মন্ত্রণালয় অফিসে। ইচ্ছা ছিল উপদেষ্টার সাথে দেখা করি। তবে নাহিদ সপ্তাহে ১ দিন যায় এই অফিসে; সচিবালয়ে থাকে বেশীরভাগ সময়। তবে, উপদেষ্টা তো একমাত্র ব্যক্তি নন এই মন্ত্রণালয়ে।

আমি, আমরা নিজেরা সসরিরে যা অভিজ্ঞতা করলাম আগারগাও আই সি টি মন্ত্রণালয় অফিসে এখন পর্যন্ত: অভাবনীয়। বর্তমানের ভাষায়: সেই। ছাত্র জনতা এবং ড. ইউনুস সরকারের কাছে - JaduPc এবং ShopnoOS শেষ পর্যন্ত মনে হয় যথাযথ ভালবাসাটা পেল, পাচ্ছে, আরও পেতে যাচ্ছে।

বাংলাদেশের আই সি টি মন্ত্রণালয়ের সচিব মহোদয় সামসুল আরেফিন স্যার তো আমাদের JaduPc আর ShopnoOS নিয়ে রীতিমত মুগ্ধ। উনি আরও মজা পান, যে ইউটিউবে দেখা যন্ত্রপাতি আর মানুষ গুলো বাস্তবে হাজির। ঘটনার বিস্তারিত শুনলে, অনেকেই বলবেন - জাদু। আরেকদিন বলব এই গল্প সবিস্তারে।

গত বৃহস্পিবার যখন আবার গেলাম, দেখলাম এবং বুঝলাম - আমাদের আই সি টি মন্ত্রণালয়ের সচিব মহোদয় সকল স্টার্টআপ এর প্রতি যথেষ্ট আন্তরিক। সচিব মহোদয় JaduPc এবং ShopnoOS টেস্ট করছেন, এমন সময়েই ১০-১২ জন সরকারি ফান্ড পাওয়া ‘আইডিয়া প্রজেক্ট‘ এর স্টার্টআপ ফাউন্ডার বিভিন্ন দাবি-দাওয়া নিয়ে হাজির। মূল বিষয়: তাদের সাথে মন্ত্রণালয়ের কতিপয় লোকজনের দুর্ব্যবহার।

আই সি টি সচিব সামসুল আরেফিন স্যার যথাযথ আন্তরিকতার সাথেই সবার কথা শুনলেন।বলতে গেলে সাথে সাথেই ব্যাবস্থাও নিলেন। আহ, কি দারুন ভাল লাগল - বলার মতন না। বৈষম্য কমছে, দারুন কিছু হবে।

গত সপ্তাহে আমাদের আই সি টি মন্ত্রণালয় ভ্রমণ কাহিনীর কিছু ছবি দিলাম। সচিব মহোদয়ের অনুরোধে, উনার সাথে তোলা প্রথম দিনের ছবি দিলাম না। তবে উনাকে ১ সপ্তাহের জন্যে ১ টা JaduPc PRO টেস্ট ইউনিট দিয়ে এসেছি। আশা করছি যখন ফেরত আনতে যাব, স্যারের মতামতের সাথে ছবি ছাপানোর অনুমতি পাব।

আজকে প্রায় ১৫-২০ জন দেশপ্রেমী বাংলাদেশী একসাথে হইলাম। আরও ১০০ জনের মতন আমাদের আসে পাশে আছেন। অনেক দক্ষ এনআরবি আছেন। আমর...
20/08/2024

আজকে প্রায় ১৫-২০ জন দেশপ্রেমী বাংলাদেশী একসাথে হইলাম। আরও ১০০ জনের মতন আমাদের আসে পাশে আছেন। অনেক দক্ষ এনআরবি আছেন। আমরা সবাই দেশের জন্য ভাল কিছু করতে চাই। একই সাথে সকলের জন্যেও ভাল কিছু থাকবে।

নিজের খাব, বনের মোষ তাড়ানোর ব্যাবস্থাও করব। সকলে একসাথে করব। দশে মিলে করি কাজ/ man is mortal, whatever works...

যারা নিজের খেয়ে মোষ যারা তাড়ান, উনারা জানেন - মোষ একটা তারালে হয় না। আমাদের কাছে এখন ৩ টা মোষ। আজকে মূলত প্রথমটা নিয়েই কথা বার্তা।

আমাদের প্রথম মোষ হল: ঢাকা এবং বাংলাদেশের রাস্তা ঘাট, যানবাহন এবং চলাচল ব্যাবস্থার প্রকৃত উন্নয়ন করা। এই সমস্যা আমাদের জাতীয় সমস্যা গুলোর মধ্যে অন্যতম বলে জানি।

আমরা প্রথমে দেখতে চাই - সমস্যা গুলো আসলে কি কি এবং কি। আমাদের প্রথম কাজ: সকল সমস্যা চিহ্নিত করা, একই সাথে ছোট ছোট সমাধান বের করতে থাকা। পাইলট প্রকল্প করে সবকিছু পরীক্ষা নিরীক্ষা দেখা। যখন দেখব সব ঠিকঠাক কাজ করছে, তখন শহর এবং দেশ-ব্যাপী বাস্তবায়ন।

আমাদের দেশে জাপানের ট্রাফিক লাইট লাগাইলো, চলে না। চাইনিজ তো নিশ্চয়ই শত বার লাগানো হইছে, কাজ হয় না সিউর। আমাদের দেশেও কেউ কেউ এগুলো নিয়ে কাজ করেছে। তবে দেশী বিদেশী, সবাই ডাব্বা মেরেছে। আমরা আসলেই দেখতে চাই, ডাব্বার তলে কি, ঘটনাটা কি।

আমাদের এই বাংলাদেশ ২.০ উদ্যোগে আপনারাও চাইলে যোগ দিতে পারেন। যোগদান না করেন, ট্রাফিক সংক্রান্ত ৫-৭ টা প্রশ্নের উত্তর দিয়ে অন্তত সাহায্য করেন। ফর্মের লিংক...

❤️🇧🇩✌️

নিজের খেয়ে বনের মোষ তাড়ানো ঠিক না, নিজেদের দুর্ভোগ নিজেরাই ঠিক করা বলতে পারেন। আমাদের দেশে রাস্তা ঘাটে নানা রকম বিড়ম্ব...
19/08/2024

নিজের খেয়ে বনের মোষ তাড়ানো ঠিক না, নিজেদের দুর্ভোগ নিজেরাই ঠিক করা বলতে পারেন।

আমাদের দেশে রাস্তা ঘাটে নানা রকম বিড়ম্বনা আজকের ঘটনা না। আপনার আমার সবারই যাতায়াতের পথে হয় নানান রকম ভোগান্তি।

কোনও একটি কোম্পানি বা প্রজেক্ট এই ক্ষুদ্র থেকে বড়, সহজ থেকে কঠিন সমস্যা গুলো একা সমাধান করতে পারবে বলে মনে হয় না। তাছাড়া অনেক বিষয়বস্তু এক সাথে: গাড়ী, ড্রাইভার, লাইসেন্স, ট্রাফিক লাইট, ট্রাফিক পুলিশ, যাত্রী, পথচারী, রাস্তার পাশের দোকান, পথের মাঝে খাম্বা... শেষ নাই।

তাই আমরা শুরু করছি রাস্তা ঘাটের সকল সমস্যা লিপিবদ্ধ করা দিয়ে। শুধু সমস্যা না, ভাল অভিজ্ঞতা এবং অবশ্যই সবার অভিমত এবং উপদেশ।

গত শুক্রবার, ১৬ আগষ্ট রাত ১০ টায় বাংলাদেশ ২.০ নিয়ে আমাদের এই গ্রুপে দারুন কিছু আলোচনা। ৪০ জন এর মতন ছিলেন আমাদের গুগল মিটে। গতকাল রাতে আবার বসলাম, ৩০ জন বেশ আগ্রহ সহ হাজির।

আমাদের দেশের রাস্তা-ঘাট এর সমস্যা এবং সমাধান নিয়ে আপনার উপদেশ আমরা জানতে চাই। এই সংক্রান্ত একটা গুগল ফর্ম কমেন্টে দিলাম। আপনার অভিমত জানাবেন।

❤️🇧🇩✌️

আপনি যোগ দিতে চান? আপনার পরিচিত কেউ আছে মনে করেন নতুন বাংলাদেশ গড়তে সাহায্য করবে?
12/08/2024

আপনি যোগ দিতে চান? আপনার পরিচিত কেউ আছে মনে করেন নতুন বাংলাদেশ গড়তে সাহায্য করবে?

06/08/2024

শুভ #বাংলাদেশ টু ইউ!

Jadu-Shopno turns 2. Just a small celebration amongst the team members and a surprise guest, who is essential to JaduPc ...
26/06/2024

Jadu-Shopno turns 2. Just a small celebration amongst the team members and a surprise guest, who is essential to JaduPc plans for year 3: SPACE. Not just visit, be the computer that works in SPACE passing signals, collecting data and whatnot.

It's been 2 years of JADU SHOPNO and a very happy birthday to us. Been 2 years JaduPc found it's NEO/ The ONE Ragib Ehsan - and all our magics (Jadu) and dreams (Dreams) started to turn into reality. Of course, big thanks to the team, who's dedication and hard work is essentially making everything work.

Salutations to the very young, dynamic, vibrant and most importantly brilliant team of engineers Tahmid Abir Bishal Mohaimin Fahim Abrar AHM and Md Alkama Dewan for the terrific work.

Our regards to the awesome advisory - always there for us, many thanks again Naveed Mahbub Zara Mahbub Hasin Hayder Sumit Saha Sabuj Kundu Fahim Hossain Ahsan Ul Haque Helal.

JaduPc is indeed in a progressive roll. We are gearing up for full production from August 2024. In July we hope to launch a workshop on Linux and other FOSS (Free and Open Source Software). Details coming soon.

SPACE is JaduPc's one of the major year 3 aspirations. Talk about universal design. Without any prior plan, yesterday - we had our ONE very special guest, our beloved Rocketman Nahiyan Al Rahman Oli. More events and celebrations coming up. Stay tuned.

In the last two years, we have tried to work silently, made some decent progress, Alhamdulillah. Would much appreciate your continued LOVE and Support for JaduPc; to the Moon inshallah.

Cheers,
Masrur Hannan,
Founder, JaduPc.

Eid Moo-barak eveyone from JaduPc | ShopnoOS. Enjoy the holidays.
17/06/2024

Eid Moo-barak eveyone from JaduPc | ShopnoOS.

Enjoy the holidays.

বেইলি রোডের আগুণ - আমার জন্য 'নো প্রবলেম'। আমার সাথে তো হয় নাই, আমার পরিবার পরিজন কেউ পুড়ে ছাই হয় নাই, হবেও না। তাছাড...
01/03/2024

বেইলি রোডের আগুণ - আমার জন্য 'নো প্রবলেম'। আমার সাথে তো হয় নাই, আমার পরিবার পরিজন কেউ পুড়ে ছাই হয় নাই, হবেও না। তাছাড়া আমি তো কাচ্চি তেমন পছন্দও করি না।

তবে আমার, আপনার আমাদের সবারই কিছু আত্মীয়-স্বজন, বন্ধু-বান্ধব, কাচ্চি খুব পছন্দ করেন, উনারা পুড়ে ছাই হতে পারে। নিজে বাঁচলে বাপের নাম। ভাল কথা। আমি, আপনে হয়ত বার্গার ফ্রাইড চিকেন এগুলো পছন্দ করি। তবে দোকানে গিয়ে খাওয়া একদম পছন্দ করি না। কিন্তু অফিসে, আদালতে তো যেতে হয়।

আমরা, আমাদের যেই সকল আত্মীয়-স্বজন, বন্ধু-বান্ধব, প্রতিবেশী এবং কলিগরা বাহিরে অত্যধিক ঘুরাফিরা করেন, করতে হয় - তাদের যে কেউ, যে কোনও দিন নিজেরাই কাচ্চি বা বার্বিকিউ হয়ে যেতে পারেন। এই চিন্তাটা একসময় ভয়াবহ ছিল। কিন্তু এখন মাস খানেক পর পর বাস্তব।

তাই নিজেরাই হয়ত দেখে নিতে হবে যেই বিল্ডিংয়ে যাচ্ছেন, সেই বিল্ডিংয়ের অগ্নি প্রতিরোধ ব্যবস্থা দেখে নিতে হবে। বিল্ডিংয়ের ভেতর যেই রেস্টুরেন্ট বা দোকানে যাচ্ছেন - তাদের আগুণ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা কি, জানতে হবে।

যেই অফিসে মিটিং করতে যাচ্ছেন, মিটিংয়ের আগেই জেনে নিন তাদের ফায়ার সেফটি পলিসি কি। যেই আত্মীয়ের বা বন্ধুর বাসায় বেড়াতে যাচ্ছেন - আসে পাশের পরিস্থিতি জানুন, উনাদের জিজ্ঞেস করুন আগুন লাগলে কি হবে? কোন দিকে দৌড় দিতে হবে।

আমার মনে হয় একটা সমস্যা যখন বারংবার হচ্ছে, সমাধান হচ্ছে না - অন্য উপায় খুজতে হবে। আমরা আম-জনতাই কিন্তু নিজেদের একটু লাভের জন্যে আজে বাজে বিল্ডিং তৈরী করি। আমরা নিজেদের একটু লাভের জন্যে ঘুষ দিয়ে কাগজ পত্র করিয়ে ফেলি।

দুর্ঘটনা ঘটলে - সরকার কি করল, সরকারের অমুক সংস্থা কেন দেরী করল বা কাজে আসল না, এইসব কথায় ব্যাস্ত হয়ে যাই। সমস্যা তৈরি করেছি আমরা অনেক বেশি মানুষ মিলে। হিসাব করলে দেখা যাবে আসলে হয়ত সরকারের এত লোক বা সরঞ্জাম নাই।

দিনের শেষে, অবশ্যই মনে রাখতে হবে সমস্যাগুলো আমরা নিজেরা তৈরী করেছি। আরও বড় কথা হল - ঠেকাটা আমাদের নিজেদের। জীবন আমাদের নিজেদেরই রক্ষা করতে হবে। আমাদের দেশের মতন প্যাঁচ-গোজ ওয়ালা মন মানসিকতার দেশে কেউ সাধারণত আগায় আসে না, দূর্ধটনা না ঘটে যাওয়া পর্যন্ত।

অনেকে অনেক রকম এই-সেই স্টার্টআপ করছে। এইখানে অনেক কাজ আছে। শুরু হতে পরে ফায়ার সেফটির বেসিক কিছু ইকুইপমেন্ট - যেমন আগুন নেভানোর বালুর বালতি আর কম্বল দিয়ে। ফায়ার এক্সটিংগুইশার, ওয়াটার স্প্রিংকলার পরে হোক।

তবে অবশ্যই সাথে লাগবে একটা নির্ভরযোগ্য ইন্সপেকশন আর সার্টিফিকেশন সার্ভিস। দেশে বিদেশে অনেক এক্সপার্ট আছেন এই বিষয়ে, উনাদের মাধ্যমে হতে পারে। কাজ শুরু হবে বাণিজ্যিক ভবন গুলো এবং ভবনের দোকান/ অফিস/ গোডাউন গুলো দিয়ে। বিল্ডিংয়ের সাথে প্রত্যেক ভাড়াটিয়ার নিজস্ব সার্টিফিকেট থাকতে হবে।

আমাদের দেশে, আমাদের আসে পাশে অনেক মানুষ - তাই অনেক সমস্যা। সমাধান নিজেদেরই করতে হবে। আমার AcciGone - 80% less road accidents in 5 years, with technology. করার একটা মূল লক্ষ্য রোড এক্সিডেন্ট কমানো।

তবে যে কোনও ধরণের অ্যাকসিডেন্ট থেকে রক্ষা পাবার উপায় নিয়ে চিন্তা সবসময় আছে। সকল ধরনের অ্যাকসিডেন্ট কমানোর জন্য টেকনলজির অবদান সম্ভব। একদিনআসলে accidents will be gone: acciGone।

যদি কেউ এই ফায়ার সেফটি প্রজেক্ট নিয়ে কাজ করতে চান, আওয়াজ দিয়েন। চেষ্টা করব acciGone এর মাধ্যমে পাশে থাকতে। আমরা করি, সরকার করুক,

যতদিন না হচ্ছে সমস্যার সমাধান - নিজেরা সচেতন হই। নিজেদের সর্বদা প্রস্তুত থাকি এবং আসে পাশের মানুষদেরও রাখি। চেষ্টা করি নিজেদের ফায়ার সেফটি রেগুলেশন নিয়ে অবগত করতে।

Address

7/1 Paribag, Magnolia Point
Dhaka
1000

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when AcciGone - 80% less road accidents in 5 years, with technology. posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to AcciGone - 80% less road accidents in 5 years, with technology.:

Shortcuts

Share