শীতক প্রকৌশলী

শীতক প্রকৌশলী আপনার ফ্রিজ বা এসি বা গাড়ির এসির যে কাজের জন্য কুমিল্লাতে আমরাই সবচেয়ে বিশ্বস্ত প্রতিষ্ঠান।

আমাদের সবার বাসাবাড়িতে ফ্রিজ বা এসি আছে কিন্তু যখনি তাতে কোন সমস্যা দেখা দে তখন ভাল বা দক্ষ মেকানিক এর প্রয়োজনীয়তা খুব ভাল ভাবে অনুভব করি যদিও কোন মেকানিক পাই না কেন তার ওপর বিশ্বাস করাটাও দায় কারন বর্তমান যুগে কে যে সত্য বলছে আর কে যে মিথ্যা তা বুঝাও কষ্টের এবং সবচেয়ে বড় ব্যাপার হচ্ছে আমার শখের জিনিসটা আদও নষ্ট হয়েছে নাকি বিল বাড়ানোর জন্য সামান্য সমস্যাকে বাড়িয়ে বলা হচ্ছে? আর যখনি দোকানে আমার শখে

র ফ্রিজ বা এসিটা দিয়ে আসছি তারা কি কোন পার্টস খুলে রাখছে না তো আবার? এই সবকিছুর সমাধানের জন্য আমাদের এই সামান্য প্রচেষ্টা। আমরা দক্ষ মেকানিক দিয়ে আপনার বাড়িতে গিয়ে আপনার চোখের সামনে সমস্যার স্থায়ী সমাধান করে থাকি।

ঈদের ছুটিতে ফ্রিজ নষ্ট হলে উপায় কী?ঈদের ছুটিতে ফ্রিজ সারিয়ে তোলার মতো কোনো কারিগরও থাকে না। নষ্ট ফ্রিজ নিয়ে বিপাকে পড়তে ...
04/03/2026

ঈদের ছুটিতে ফ্রিজ নষ্ট হলে উপায় কী?

ঈদের ছুটিতে ফ্রিজ সারিয়ে তোলার মতো কোনো কারিগরও থাকে না। নষ্ট ফ্রিজ নিয়ে বিপাকে পড়তে হয়। মাংস সংরক্ষণের অন্য উপায় বের করতে হয়। তাই ঈদের ছুটিতে যদি হঠাত্ করে ফ্রিজ নষ্ট হয় তবে কী করতে হবে তা নিয়ে ধারণা রাখুন।

ফ্রিজ নষ্ট হলে ভেতরের সবকিছুই নষ্ট হতে পারে। রান্না করা খাবার, কাঁচা মাছ-মাংস ও সবজি নষ্ট হয়ে যেতে পারে। কিন্তু সঙ্গে সঙ্গেই ডিপ ফ্রিজের সব বের করা ঠিক হবে না। ডিপ ফ্রিজ অনেকক্ষণ ঠান্ডা থাকবে। প্রায় ৪৮ ঘণ্টা পর্যন্ত। তাই দরজা না খুললে ফ্রিজের বরফ দেরীতে গলবে। মাছ-মাংসও ঠিক থাকবে।

ফ্রিজের সবজিগুলোও বের করে নিন। সবজিতে থাকা পানি মুছে নিন। এরপর পুরোনো সংবাদপত্রে মুড়িয়ে পলিব্যাগে রেখে দিন।

ফ্রিজে থাকা হাঁস বা মুরগির ডিম পানিতে ডুবিয়ে রাখুন।

ফ্রিজে ভাত থাকলে তা গরম করে খেয়ে নিন। নয়তো পানি দিয়ে পান্তা বানিয়ে নিতে পারেন।
ফেলুন।

ফ্রিজে থাকা কাচ্চি, পোলাও কিংবা বিরিয়ানি অধিক তাপে গরম করে নিন। যত দ্রুত পারেন খেয়ে নিন।

ডিপ ফ্রিজে রাখা মাছ ও মাংস নির্ধারিত সময় পর বের করে নিন। ভালোভাবে ধুয়ে ফেলুন। এরপর হলুদ মেখে ডুবো তেলে কড়া করে ভেজে কিছুদিনের জন্য রাখতে পারেন। তবে ভাজা মাছ এয়ারটাইট বাক্সে সংরক্ষণ করুন।
ফ্রিজের মাংস হলুদ, মরিচ, আদা ও রসুন দিয়ে জ্বাল দিয়ে রাখতে পারেন। আবার ভুনা করেও রাখা যায়।

ফ্রিজ নষ্ট হলে তা সারিয়ে নিতে আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখতে পারেন। ইদের ছুটির দিনে সার্ভিস নাও পেতে পারেন তাই এক বা দুইদিন খাবার সংরক্ষণ করুন।

+৮৮০১৬৭০৯১৬৭৪০

কুলারে সাবধান ! কুলার কিনার আগে অবশ্যই লিখাটা একটু পরে দেখবেন আশা করি উপকৃত হবেন। গ্রীষ্মের দাবদাহে মানুষ অতিষ্ঠ। তাই গ্...
29/04/2024

কুলারে সাবধান !
কুলার কিনার আগে অবশ্যই লিখাটা একটু পরে দেখবেন আশা করি উপকৃত হবেন।

গ্রীষ্মের দাবদাহে মানুষ অতিষ্ঠ। তাই গ্রীষ্মের দিনগুলিতে একটু স্বস্তি পেতে অনেকেই ঘরে লাগিয়ে ফেলছেন কুলার। আসলে এসি-র তুলনায় কুলার অনেক সাশ্রয়ী। তাই গরম থেকে বাঁচতে বেশিরভাগ মানুষই কুলারই ব্যবহার করেন।

কিন্তু আমাকে যদি জিজ্ঞাস করেন গরম থেকে বাচতে কুলার কিনবো কিনা তাহলে এক কথায় বলবো না !

এবার আসি কেনো আমি কুলার ঘোর বিরোধীঃ
১. দীর্ঘক্ষণ কুলার ব্যবহার করলে নানা রকম অসুখ হতে পারে। সে সব রোগের প্রকোপ বাড়তেও পারে।
২. কুলার ব্যবহার করার সবচেয়ে বড় অসুবিধা হল এর পানি। এটি থেকে ঠান্ডা বাতাস পাওয়া যায় ঠিকই। কিন্তু কুলারের পানি নিয়মিত না বদলালে ডেঙ্গু , ম্যালেরিয়ার মতো মারাত্মক রোগ সৃষ্টিকারী মশা জন্মাতে পারে।
৩. আর্দ্র অবস্থায় কাজ করতে ব্যর্থ হয়।
৪. দুর্বল ভেন্টিলেশনে কাজ করতে ব্যর্থ হয়।
৫. হাঁপানি রোগীদের জন্য ক্ষতিকর।
৬. প্লাস্টিকের বডি তুলনায় অনেক দাম।
৭. বরফ যতক্ষণ ঠাণ্ডা ততোক্ষণ( ৩০ মিনিট বড়জোর)

অনেকেই জানেই না যে "পোর্টেবল এয়ার কুলার" আর "পোর্টেবল এসি" যে এক জিনিস না এবং এর ফায়দা নে দোকানদাররা। পোর্টেবল এয়ার কুলারকে এমন ভাবে ব্যাখ্যা করে তাতে মনে হয় এটাই পোর্টেবল এসি।

শেষে একটাই কথা বলবো " কোন অবস্থাতেই এয়ার কুলার কিনবেন না ! দরকার হলে আরো এক বছর অপেক্ষা করে স্প্লিট এসি( Split AC) কিনেন ( পোর্টেবল এসিও কিনতে নিরুৎসাহিত করছি কারন এটি এসি হলেও ঠাণ্ডা অনেক কম দে নরমাল এসি থেকে)

অনেকেই আমাকে একটা প্রশ্ন প্রায় করেনঃ  ইনভার্টার AC না নন-ইনভার্টার AC কিনবো? এক কথায় যদি জানতে চান তাহলে বলবো "বাসা বাড়ি...
29/04/2024

অনেকেই আমাকে একটা প্রশ্ন প্রায় করেনঃ ইনভার্টার AC না নন-ইনভার্টার AC কিনবো?

এক কথায় যদি জানতে চান তাহলে বলবো "বাসা বাড়ির জন্য নন-ইনভার্টার এসি নিন আর অফিস ও দোকানের জন্য ইনভার্টার এসি নিন।"

এবার আসি ব্যাখ্যায় কেন নন-ইনভার্টার এসি কিনবেনঃ বাসা বাড়িতে এসি ৩ থেকে ৪ ঘন্টার বেশি চালায় না। সারাক্ষন এসি যদি চলে তবে ঠান্ডা জনিত সমস্যা বাড়বে।
নন-ইনভার্টারে সামান্য বিল বেশি আসবে কিন্তু এই এসির মেইনটেনেন্স খরচ তুলনামূলক অনেক কম ইনভার্টারের তুলনায়।

ইনভার্টার এসিতে যেই pcb বোর্ড ইউজ করা হয় সেটা যদি নষ্ট হয় তবে ২০ হাজার থেকে ২৫ হাজার টাকা দিয়ে ঠিক করতে হয়। তাই কম্প্রেসার না, pcb বোর্ডের উপর ওয়ারেন্টি না দিলে ইনভার্টার কেনা উচিত না।

নন-ইনভার্টারে pcb বোর্ড নষ্ট হলে ৫ হাজার টাকার মধ্যে ঠিক করতে পারবেন।
এসির কম্প্রেসারে ১০ বছরের ওয়ারেন্টি দিয়ে করবেন টা কী? এটা কি ফ্রিজ নাকি যে ২৪ ঘন্টা চলবে? ৫ বছরের কম্প্রেসার ওয়ারেন্টি এনাফ এসি জন্য যেটা নন-ইনভার্টারে দিয়ে থাকে।

ইনভার্টার এসির দাম প্রায় ১৫ থেকে ২০ হাজার টাকা বেশি।

নন-ইনভার্টারে রুম ঠান্ডা হয় বেশি ইনভার্টারের চেয়ে।

ইনভার্টারে লং টার্ম খরচ বেশি মেইনটেনেন্সের দিক থেকে। কারন এসি কিন্তু প্রতি বছর এক বার সার্ভিস করানো লাগে। সে ক্ষেত্রে ইনভার্টারে সার্ভিসিং করাতে খরচ হবে বেশি।

সামান্য বিদ্যুৎ বিল বাচানোর জন্য লং টার্ম খরচ না বাড়িয়ে বিদ্যুৎ বিল একটু বেশি আসলেও নন- ইনভার্টার ভালো। কারন এসি কেউ বাসা বাড়িতে সারাদিন চালায় না।

আবারো বলছি" যদি এসি প্রতিদিন ৮ ঘন্টার বেশী চালান তবে ইনভার্টার" ব্যাস এই কথাটাই মনে রাখলে চলবে। ধন্যবাদ।

নতুন একটা প্রশ্ন অনেকেই করছেন যে, এসি চালু অবস্থায় সিলিং ফ্যান চালানো যাবে কি?কেউ কেউ মনে করেন এসির সাথে ফ্যান চালালে প্...
23/04/2024

নতুন একটা প্রশ্ন অনেকেই করছেন যে, এসি চালু অবস্থায় সিলিং ফ্যান চালানো যাবে কি?

কেউ কেউ মনে করেন এসির সাথে ফ্যান চালালে প্রচুর পরিমাণ বিদ্যুৎ খরচ হয়। আবার কারো মতে, এসি-ফ্যান একসাথে চালালে ঘর ঠান্ডা হতে দীর্ঘ সময় লাগে। ফ্যান উপর থেকে গরম বাতাসকে টেনে আনে। যার ফলে ঘর দ্রুত ঠান্ডা হয় না। আবার অপরদিকে কারো কারো চিন্তা ভাবনা থাকে এসি-ফ্যান একসাথে চালালে ঘরের ঠান্ডা বাতাস বেরিয়ে যায়। সত্যিই কি তাই? এই ধারণায় ভবিষ্যতের বিপদ ডেকে আনছেন না তো? তাই সময় থাকতে জেনে নিন এসির সাথে ফ্যান চালানো সুবিধাজনক নাকি অন্য কিছু।

এসির সাথে ফ্যান চালানো নিয়ে মানুষের যে ধারণাগুলো তৈরি হয় তা আসলে পুরোটাই ভ্রান্ত ধারণা। এরকম কোনো কিছুই হয় না। বিপরীতে বরং এসির সাথে ফ্যান চালালে বাতাসের প্রবাহ বৃদ্ধি হয়। যার ফলে ঘর ঠান্ডা হয় এবং ব্যক্তি আরাম পায়। পাশাপাশি এসি-ফ্যান একসাথে চালালে এসি কেও খুব একটা কাজ করতে হয় না। ঘরের চারিদিকেই ফ্যানের হাওয়া শীতল বাতাস ছড়িয়ে দেয়।

তবে এক্ষেত্রে এসির তাপমাত্রা মাঝামাঝি রাখতে হবে। প্রায় ২৪ থেকে ২৬ ডিগ্রির মধ্যে। তার পাশাপাশি ফ্যানের স্পিডও কমাতে হবে। তবেই ঘর দ্রুত ঠান্ডা হবে। অবশ্যই ঘরের জানালা দরজা বন্ধ রাখতে হবে। তা না হলে এসি-ফ্যানের হাওয়া কোনোটাই কার্যকরী হবে না।

শুধু ঘর ঠান্ডা নয়, এসি-ফ্যান একসাথে চালালে বিদ্যুৎ খরচ বাঁচে। যেখানে শুধুমাত্র ৬ ঘন্টা এসি চালালে বিদ্যুৎ খরচ হয় ১২ ইউনিট। সেখানে এসির সাথে যদি ফ্যান চালানো হয় এক্ষেত্রে ৬ ঘন্টায় বিদ্যুৎ খরচ ৬ ইউনিট বাঁচে। ফলস্বরূপ এসি-ফ্যান একসাথে চালালে অনেকটাই বিদ্যুৎ সাশ্রয় হয়। পাশাপাশি শরীরে ঘাম দিলে ফ্যানের সামনে দাঁড়ালে ফ্যানের হাওয়া গরম বাতাসকে চারপাশ থেকে সরিয়ে দেয় এবং ঠান্ডা অনুভব হয়।

পেইজটা ফলো দিয়ে রাখতে পারেন।
কুমিল্লাতে এসি ফ্রিজের যে কোনো সমস্যা সমাধানের জন্য ইনবক্সে মেসেজ করুন অথবা কল করুন
⁨01620-8908212⁩

‘নিরব বোমা’ নিয়ে জীবনযাপন বাসা থেকে অফিস শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ যন্ত্র বা এসি ব্যবহার এখন সর্বত্র। ব্যবহার বাড়ার সঙ্গে বাড়ছে এ...
05/09/2020

‘নিরব বোমা’ নিয়ে জীবনযাপন

বাসা থেকে অফিস শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ যন্ত্র বা এসি ব্যবহার এখন সর্বত্র। ব্যবহার বাড়ার সঙ্গে বাড়ছে এসি বিস্ফোরণের ঘটনাও। শীতের সময়টা বন্ধ থাকা এসি গ্রীষ্মকালে ব্যবহারের আগে সতর্ক করা হলেও নেই তেমন কোনো সচেতনতা।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, জিএফএক্স রক্ষণাবেক্ষণের অভাব আর নিম্নমানের হওয়ায় সাধারণত এসি'র বিস্ফোরণ ঘটে। পাশাপাশি দীর্ঘ সময় বন্ধ থাকা এসির ভেতরের পাইপের কোথাও ব্লকেজ হলেও এসির ভেতরে উচ্চ চাপ তৈরি হয়ে কম্প্রেসার ব্লাস্ট হতে পারে।

এসির অনেক মেইনটেইনস আছে। যেগুলোকে আমরা সার্ভিসিং বলি। এগুলো অবশ্যই করাতে হবে। এসি চালানোর আগে অবশ্যই অনেক কিছু চেক করতে হবে।

এসি দুর্ঘটনার জন্য একনাগাড়ে ৮ ঘণ্টার বেশি এসি চালানো এবং আউটডোর ইউনিট ও আউটডোর বিল্ডিংয়ের মধ্যে যথেষ্ট ফাঁকা স্থান না রেখে এসি বসানোকেই দায়ী করছেন বিশেষজ্ঞরা।

এসিতে যখন ময়লা বেড়ে যায়, তখন এসিতে অনেক লোড টানে। আর যখন এই লোড টানে তখন যদি সামান্য লুজ কানেকশন থাকে বা নিম্ন মানের সরঞ্জামও যদি ব্যবহার করা হয়ে থাকে, সেখান থেকে হয় শর্টসার্কিট, আর তা থেকে অগ্নিকাণ্ড হতে পারে।

রাজধানীতে সুউচ্চ ভবণ যত বেশি তার চেয়ে কয়েক হাজারগুণ বেশি রয়েছে এসি। শরীর শীতল করে দেওয়া যন্ত্রটি কখনও কখনও নিরব বোমা। যা বিস্ফোরণে ঘটায় প্রাণহানি। এসব এসি বসানোর আগে এবং পরে রক্ষণাবেক্ষণ জরুরি।

অনেকেই জিজ্ঞাস করেন কিভাবে দীর্ঘদিন 'ফ্রিজ' ভালো রাখা যায় তাই আজ কিভাবে দীর্ঘদিন 'ফ্রিজ' ভালো রাখা যায় তাঁর কিছু দারুন ক...
04/05/2020

অনেকেই জিজ্ঞাস করেন কিভাবে দীর্ঘদিন 'ফ্রিজ' ভালো রাখা যায় তাই আজ কিভাবে দীর্ঘদিন 'ফ্রিজ' ভালো রাখা যায় তাঁর কিছু দারুন কৌশল সিখিয়ে দিবো।

ঈদ এলে ফ্রিজের যত্নে একটু বেশিই সচেতন হয়ে যান সব গৃহিণী। আর যদি অতিরিক্ত খাবার বা জিনিসের চাপে ফ্রিজটাই নষ্ট হয়ে যায় তাহলে নিশ্চিত দুর্ভোগের মাঝে পড়তে হয়। রেফ্রিজেরেটরের নষ্ট হবার মূল কারণ হল অতিরিক্ত চাপ পড়া আর উচ্চশক্তি ব্যয় করা। আর তাইতো রেফ্রিজেরেটর যেন কম শক্তিতে কাজ করতে পারে এদিকটা খেয়াল রাখতে হবে আপনাকেই। আপনার ছোটখাটো কিছু ভুলের জন্যই ফ্রিজকে বেশি শক্তি খরচ করতে হয়। তবে চলুন জেনে নেওয়া যাক কোন কাজগুলো করলে রেফ্রিজেরেটরের কম শক্তি খরচ হবে মানে রেফ্রিজেরেটরের কর্মদক্ষতা বৃদ্ধি পাবে।

১। অকারনে দরজা খোলা থেকে বিরত থাকুন

ফ্রিজের দরজা যত কম খুলবেন, ততই ফ্রিজের ভেতরকার পারিপার্শ্বিক অবস্থা ভালো থাকবে। কিছু রাখার জন্য বার বার ফ্রিজ না খুলে একসাথে গুছিয়ে সব একসাথে রাখুন বা বের করুন।

২। পিছনের দেওয়ালে জিনিসপত্র ঠেসে দিবেন না

রেফ্রিজেরেটরের পেছনের দেওয়ালে কোন কিছু ঠেসে রাখা থেকে বিরত থাকুন। এটি ফ্রিজের শীতল চক্রের ক্ষতি করে ফলে ফ্রিজকে বেশী শক্তি খরচ করতে হয়। তাছাড়া আপনার রাখা সবজী বা মাছ মাংসের জন্যই এটি ভালো নয়।

৩। সরাসরি গরম খাবার ফ্রিজে রাখবেন না

সরাসরি গরম খাবার ফ্রিজে রাখা মোটেও উচিত নয়। কারন, সে খাবার ঠান্ডা করতে ফ্রিজকে খুব বেশি শক্তি অপচয় হয়। এছাড়াও সরাসরি গরম খাবার থেকে আপনার ফ্রিজে ব্যাকটেরিয়ার আক্রমণ হতে পারে।

৪। খাবার ঠান্ডা হতে পরিমিত সময় দিন

খুব তাড়াতাড়ি খাবার বা মাছ, মাংস ঠান্ডা করার জন্য যদি আপনি ফ্রিজের ঠান্ডা হবার মাত্রা বাড়িয়ে দিয়ে থাকেন, তবে বোকামী করবেন। এতে ফ্রিজের খুব বেশি শক্তি খরচ করতে হয় যা থেকে আপনার ফ্রিজ নষ্টও হয়ে যেতে পারে। এর চেয়ে বরং জিনিস ঠান্ডা করার জন্য ফ্রিজকে পরিমিত সময় দিন।

৫। কুলিং কয়েল পরিষ্কার রাখুন

ফ্রিজের পেছন দিকে যে কুলিং কয়েল থাকে সেখান থেকেই ফ্রিজে শক্তি পৌছায়। সেই কুলিং কয়েলে প্রচুর ধুলো জমলে শক্তির প্রবাহ কমে যায় আর তখন ফ্রিজের শক্তি বেশি ব্যয় হয়। তাই এই কুলিং কয়েল পরিষ্কার রাখার চেষ্টা করুন। তবে একটু সাবধানে করবেন যেন কুলিং কয়েলের বক্ররেখাগুলোর কোন ক্ষতি না হয়। তাহলে সেগুলো কর্মদক্ষতা কমে যাবে।

৬। জমে থাকা অতিরিক্ত বরফ অপসারন করুন

অনেকে ভাবেন, ফ্রিজে যত বরফ থাকবে ততই ভালো। এই ধারনা কিন্তু একদম ভুল। অতিরিক্ত বরফ জমা হলে রেফ্রিজেরেটরের ঠান্ডা করার কর্মদক্ষতা কমে যায়। তাই ফ্রিজে অতিরিক্ত বরফ জমা হলে যত দ্রুত সম্ভব সেগুলো অপসারন করুন।

৭। এনার্জি বাল্ব সংযুক্ত করুন

ফ্রিজে একটি এনার্জি বাল্ব সংযুক্ত করুন। এটি ফ্রিজে থাকা বাল্ব থেকে বেশি তাপ উৎপন্ন করবে যার ফলে আপনার রেফ্রিজেরেটরের কর্মদক্ষতা বৃদ্ধি পাবে। এক্ষেত্রে লেড লাইট বেশ ভালো কাজ করে।

৮। দেওয়াল থেকে দূরে রেফ্রিজেরেটর রাখুন

দেওয়ালের সাথে ফ্রিজকে ঠেসে না রেখে দেওয়াল থেকে দূরে রাখতে চেষ্টা করুন। অন্তত কিছুটা দূরে। এতে ফ্রিজ কম শক্তিতে বেশি ঠান্ডা করতে পারে।

৯। চুলা বা ওয়াটার হিটার থেকে ফ্রিজ দূরে রাখুন

ফ্রিজকে অবশ্যই এমন কিছু থেকে দূরে রাখুন যা তাপ উৎপন্ন করে। বিশেষ করে চুলা, স্টোভ, ওয়াটার হিটার এসব থেকে দূরে রাখুন।

১০। ফ্রিজকে বাতাসের সংস্পর্শে রাখুন

বন্ধ ঘরে ফ্রিজ না রেখে যেখানে বাতাসের ঠিকমত প্রবাহ হয় তেমন জায়গায় ফ্রিজ রাখুন। ফ্রিজের পেছন দিক দিয়ে যে গরম বাতাস বের হয় তা সাধারন বাতাসের সাথে মিশে বাতাস অদল বদল করে। আপনি যদি, এমন জায়গায় ফ্রিজ রাখেন যেখানে ফ্রিজের আশেপাশে ঠিকমত বাতাস পৌঁছোও না, তবে ফ্রিজকে খুব বেশি শক্তি অপচয় করতে হবে আর খুব দ্রুতই আপনার রেফ্রিজেরেটর নষ্ট হয়ে যেতে পারে।

জেনে নিলেন তো কোন কাজগুলো করলে, আপনার রেফ্রিজেরেটর কম শক্তি ব্যায়ে বেশি কাজ করতে পারবে? এবার তবে এইদিকগুলো খেয়াল রাখুন।

আসছে কোরবানির ঈদ তাই অনেকে খাবার ফ্রিজে সঠিক নিয়মে সংরক্ষণের ব্যাপারে জানতে চেয়েছেন। অনেকেরই এই অভিযোগ থাকে যে ফ্রিজে রা...
26/08/2017

আসছে কোরবানির ঈদ তাই অনেকে খাবার ফ্রিজে সঠিক নিয়মে সংরক্ষণের ব্যাপারে জানতে চেয়েছেন।

অনেকেরই এই অভিযোগ থাকে যে ফ্রিজে রাখা খাবার সতেজ থাকে না। সবজিগুলো কেমন শুকিয়ে যায়, রান্না করা খাবারে গন্ধ হয়ে যায় কিংবা এক খাবারের গন্ধ মিশে যায় অন্য খাবারের সাথে। অনেকেই বুঝে পান না কেন ফ্রিজে রাখা সত্ত্বেও দ্রুত নষ্ট হয়ে যাচ্ছে খাবার, কিংবা কেন ডিপ ফ্রিজে রাখা খাবারে স্বাদ মিলছে না মোটেও।

আসুন একটু জেনে নেই কিভাবে ফ্রিজে খাবার রাখতে হবে তার ১০টি অসাধারণ টিপসঃ

১) সবজি পলিথিনের ব্যাগে রাখেন? এই কাজটি করবেন না মোটেও। সবজি রাখুন কাগজের প্যাকেটে কিংবা খবরের কাগজ দিয়ে মুড়ে। অনেকদিন সতেজ থাকবে।
২) কিছু খাবার একটু অন্যভাবে রাখে হয় ফ্রিজে। যেমন ধরুন মরিচের বোঁটা ফেলে রাখবেন, শাক কুটে রাখবেন, ধনে পাতা রাখবেন গোঁড়া সহ। শাকের পুষ্টিগুণ অক্ষুণ্ণ রাখার উপায় হচ্ছ একটু ভাপিয়ে রাখা। বেগুনের গায়ে মেখে রাখতে পারেন সামান্য একটু তেল।
৩) ফ্রিজের গায়ের সাথে লাগিয়ে কোন খাবার রাখবেন না। বিশেষ করে কোন রকমের তাজা ফলমূল বা সবজি তো একেবারেই না।
৪) মাখন তো ফ্রিজে রাখতেই হয়, ঘি-কেও ফ্রিজে রাখতে পারেন অনেকদিন ভালো রাখার জন্য। তবে দুটিই রাখবেন একদম এয়ার টাইট পাত্রে।
৫) আপনি জানেন কি, গুঁড়ো দুধ কিংবা চানাচুর-বিস্কিটের মত খাবার ফ্রিজে একদম সতেজ ও মুচমুচে থাকে? এক্ষেত্রে সবচাইতে ভালো হবে প্লাস্টিকের পাত্রে সংরক্ষণ করলে।
৬) ফ্রিজে যাই রাখুন না কেন, প্লাস্টিকের এয়ার টাইট বাক্সে সংরক্ষন করুন। এবং ফ্রিজে সর্বদা এক টুকরো কাটা লেবু রাখুন। মাঝে মাঝে বেকিং সোডা মেশানো পানি দিয়ে ফ্রিজ মুছে নিন। এতে এক খাবারের গন্ধ অন্য খাবারে প্রবেশ করবে না। ফ্রিজেও দুর্গন্ধ হবে না।
৭) ফ্রিজে যেমন মাংসই রাখুন না কেন, সেগুলো অবশ্যই ভালো করে ধুয়ে একদম পরিষ্কার করে রাখুন। এটা মাংসে বাজে গন্ধ হবে না, অনেকদিন পর্যন্ত সতেজ থাকবে, স্বাদ থাকবে অক্ষুণ্ণ।
৮) মাছ ফ্রিজে রাখার রাখে ভালো করে কেটে বেছে, লবণ পানি দিয়ে ধুয়ে তবেই রাখুন। এতে স্বাদে কোন হেরফের হবে না। বেশ আঁশটে গন্ধ ওয়ালা মাছে সামান্য একটু ভিনেগার মাখিয়ে রাখুন।
৯) ফ্রিজে কাটা পেঁয়াজ রাখতে চাইলে পেঁয়াজ একটি এয়ার টাইট বাক্সে রেখে সামান্য লবণ ছিটিয়ে দিন। তারপর বাক্সতি মুখ বন্ধ করে প্লাস্টিকের ব্যাগে ভরে নিন। ব্যাগটি সিল করে ফ্রিজে রাখুন।
১০) ফ্রিজে ডিম রাখার সময় মোটা অংশটি নিচের দিকে ও সরু অংশটি ওপরে রাখুন। ডিম হাতলে না রেখে বাটিতে করে ফ্রিজের ভেতরে রাখুন। অনেকদিন ভালো থাকবে।

একটা প্রশ্ন প্রায় সবসময় সবাই জিজ্ঞাসা করে যে, বাজারে বিভিন্ন মানের ফ্রিজ বিক্রি হয়, এর মধ্যে কোন কোন ব্রান্ডের ফ্রিজ গুল...
12/03/2016

একটা প্রশ্ন প্রায় সবসময় সবাই জিজ্ঞাসা করে যে, বাজারে বিভিন্ন মানের ফ্রিজ বিক্রি হয়, এর মধ্যে কোন কোন ব্রান্ডের ফ্রিজ গুলো সবচেয়ে ভালো? যেগুলো দীর্ঘদিন নির্ভাবনায় ব্যবহার করা যাবে ??

>> বাজারে অনেক ধরনের ফ্রিজ পাওয়া যায়। বাইরের কাঠামো মোটামুটি একই থাকে বা তেমন প্রভাব ফেলে না কিন্তু কম্প্রেসার হচ্ছে একটি ফ্রিজের আসল জান ।সেইদিক থেকে র‍্যাংসের তোশিবা,স্কয়ার ইলেক্ট্রনিক্সের শার্প, একটু দামের মধ্যে ইতালির শেক্লক, ফিলিপ্সের ও্যারপুল কিনতে পারেন। এলজী কোম্পানির ফ্রিজও ইদানীং ভাল চলছে।যেটাই কিনুন না কেন শোরুমে বসে পরীক্ষা করে নেবেন।

তবে দাম কমের মধ্যে চাইলে walton অত একটা খারাপ না তবে অবশ্যই সার্ভিসের বেপারে এবং কম্প্রেস্সরের warranty অবশ্যই দেখে নিবেন।

যদি সম্ভব হয় তবে সিংগার, ওয়ালটন, হাইকন,মাইকন এইসব ফ্রিজের কাছেও যাবেন না কেনা তো দুরের কথা।

চান্দিনা, সামিট,পাওয়ারের,ডায়অার,মেশিনের, সার্কিটের,ছবি,
26/08/2015

চান্দিনা, সামিট,পাওয়ারের,ডায়অার,মেশিনের, সার্কিটের,ছবি,

আজকের বিষয় লিটার আর সিএফটিঃসি এফ টি এর অর্থ হল কিউবিক ফুট অর্থাৎ ১ফুট দৈর্ঘ্য, ১ ফুট প্রস্থ, এবং ১ ফুট উচ্চতা বিশিষ্ট ঘন...
26/08/2015

আজকের বিষয় লিটার আর সিএফটিঃ

সি এফ টি এর অর্থ হল কিউবিক ফুট অর্থাৎ ১ফুট দৈর্ঘ্য, ১ ফুট প্রস্থ, এবং ১ ফুট উচ্চতা বিশিষ্ট ঘন বস্থুর আয়তন কে ১ সিএফটি বলে।ফ্রিজের ভিতরে যে খালি স্থান থাকে সেই স্থানের আয়তন কে সিএফটি দ্বারা প্রকাশ করা হয়। আবার লিটার দ্বারাও প্রকাশ করা হয়।

ফ্রিজ বিক্রেতারা বর্তমানে চালাকি করে ফ্রিজের মান লিখে লিটার হিসেবে আমরা যারা আগের সিএফটি হিসাবে চলেছে তারা পড়ে বিপাকে। কারন সেদিন আমি হিটাচির ১টা ফ্রিজ দখতে গেলাম যা ২২০ লিটার লেখা, তারা বলছে যে এটা ১২ সিএফটি অথচ আমার মনে হল ৮ বা তার কাছাকাছি হবে। খটকায় পড়লাম । যেহেতু লিটার বনাম সিএফটি হিসাবটা জানা নাই তাই আর তর্কে গেলাম না

নিচে লিটার বনাম সিএফটি হিসাব তুলে দিলাম, আপনাদের সুবিধার জন্য
১ সিএফটি = ২৮.৩ লিটার
৮ সিএফটি = ২২৬.৪ লিটার
১০ সিএফটি = ২৮৩ লিটার
১২ সিএফটি = ৩৩৯.৬ লিটার
১৪ সিএফটি = ৩৯৬.২ লিটার
২৪ সিএফটি = ৬৭৯.২ লিটার

আজ আমরা কম্প্রেসর এর ইলেকট্রিক কানেকশোন সম্পর্কে জানবঃ কম্প্রেসর নিজে চলার জন্য মটর টার্মিনালের তিনটা লাইন আছে!1. কমন2. ...
23/08/2015

আজ আমরা কম্প্রেসর এর ইলেকট্রিক কানেকশোন সম্পর্কে জানবঃ

কম্প্রেসর নিজে চলার জন্য মটর টার্মিনালের তিনটা লাইন আছে!

1. কমন
2. রানিং
3. স্ট্যার্টিং !

আমাদের ফ্রিজ বা এসিতে যেসব কম্প্রেসর ব্যবহার করা হয় এগুলো সিল্ড করা থাকে ! তাই চোখ দিয়ে দেখে বোঝার উপায় নেই যে কোনটা কমন , রানিং আর স্ট্যার্টিং ! আমরা এভো মিটার ব্যবহার করে এগুলো বের করতে পারি !

চিত্রে দেখুন তিনটা পিন দেখা যাচ্ছে ! এই তিনটাই হল কমন রানিং আর স্ট্যার্টিং ! এরগুলোর ভিতর থেকে বের করতে হবে কোনটা কোন লাইন !
এর জন্য নিচের ধাপ অনুসরন করুন !

1. এভোমিটারের সিলেক্টর সুইচ X10 এ রাখতে হবে !

2. তিনটা পিনে এভোমিটারের লিড ধরে দেখতে হবে কোনটার রেজিস্ট্যান্স কত ! যেটির রেজিস্ট্যান্স বেশি হবে তার বিপরীতটাই হবে কমন ! কমন থেকে যেই পিনের রেজিস্ট্যান্স কম হবে সেটি হবে রানিং ! কমন থেকে যেটির রেজিস্ট্যান্স বেশি হবে সেটি হবে স্ট্যার্টিং !

কি বুঝলেন না তো? নো টেনশন !
উদাহরনটি দেখুন !

ধরুন মটর টার্মিনালের তিনটি লাইনের ভিতরে প্রথমটি A দ্বিতীয়টি B এবং তৃতীয়টি C . এভোমিটারের লীড A ও B ধরে এর রেজিস্ট্যান্স পেলেল 3 ওহম ! একাইভাবে B ও C তে ধরে 5 ওহম এবং A ও C তে ধরে 2 ওহম পেলেন ! তহলে কোন টার্মিনালের রেজিস্ট্যান্স বেশি ? B ও C তে ধরে সবচেয়ে বেশি রেজিস্ট্যান্স পেয়েছেন এবং এর বিপরীতে আছে A ! তাহলে A ই হবে কমন ! A থেকে B এর রেজিস্ট্যান্স 3 ওহম এবং A থেকে C এর রেজিস্ট্যান্স 2 ওহম ! এখানে 3 ওহম বেশি 2 ওহমের চেয়ে ! সুতরাং B হবে স্ট্যার্টিং এবং C হবে রানিং !

Address

ঝাওতলা, পুলিশ লাইন
Cumilla
3500

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when শীতক প্রকৌশলী posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to শীতক প্রকৌশলী:

Share